জাম্বুরা শরীরের জন্য উপকারী। আর এর ভেতরে থাকা সাইট্রিক এসিড ত্বকের
জন্য উপকারী। তা ছাড়া ভিটামিন-সি যে শরীরের জন্যও উপকারী, সেটা তো সবাই
জানেন। এই উপাদানগুলো বয়সের ছাপ দূর করে তারুণ্য ধরে রাখতে সাহায্য করে।
তাই প্রতিদিনের রূপচর্চায় জাম্বুরার রস ব্যবহার করতে ভুলবেন না। কারণ, এই
রস ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা দূর করতে কার্যকর। জাম্বুরা ত্বকের জন্য কেন
জরুরি, তার একটি তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে বোল্ডস্কাই ওয়েবসাইটের জীবনধারা
বিভাগে। একনজরে চোখ বুলিয়ে নিন।
১. জাম্বুরার ভিটামিন-সি তারুণ্য ধরে রাখতে সাহায্য করে। এ ছাড়া এটি ত্বকের বলিরেখা দূর করে চেহারার বয়সের ছাপ দূর করে।
২. ত্বকের গভীরে গিয়ে জাম্বুরা ত্বক পরিষ্কার করতে সাহায্য করে। এ ছাড়া এর রস ত্বকের ময়লা ও মরা কোষ দূর করে ত্বককে নরম ও মসৃণ করে।
৩. জাম্বুরার শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস মলিন ত্বককে সতেজ করে তোলে।
সূর্যের রশ্মি ত্বককে রুক্ষ ও কালচে করে দেয়। জাম্বুরার রস এই রুক্ষতা ও
কালচে ভাব দূর করে ত্বক প্রাণবন্ত করতে সাহায্য করে।
৪. জাম্বুরার সাইট্রিক এসিড ত্বকের ব্রণ ও মেছতা দূর করে। এ ছাড়া এর রস তৈলাক্ত ত্বকের অতিরিক্ত তেলতেলে ভাব দূর করতে সাহায্য করে।
৫. জাম্বুরার রস ত্বকের পানিশূন্যতা দূর করে। প্রতিদিন ত্বকে জাম্বুরার রস
ব্যবহার করলে এটি ত্বক পানি ধরে রাখতে সাহায্য করবে এবং এর
অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস ত্বককে টানটান রাখবে।
Ads
Showing posts with label Entertainment. Show all posts
Showing posts with label Entertainment. Show all posts
Tuesday, 4 April 2017
তৈলাক্ত ত্বকের খুশকি দূর করবেন যেভাবে
মাথার তালুর মৃত কোষই খুশকির প্রধান কারণ। শুষ্ক তালুর খুশকি দেখা যায়,
কিন্তু তৈলাক্ত তালুর খুশকি সহজে দেখা যায় না। এই খুশকি চুলের গোড়া নরম করে
এবং মাথার ত্বক তেলতেলে করে রাখে। তাই সব সময় সঠিক যত্ন নিয়ে মাথার ত্বক
খুশকিমুক্ত রাখুন। কোন প্রাকৃতিক উপাদানগুলো দিয়ে তৈলাক্ত ত্বকের খুশকি দূর
করবেন, সে সম্বন্ধে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে বোল্ডস্কাই ওয়েবসাইটের জীবনধারা
বিভাগে। এক নজরে চোখ বুলিয়ে নিন।
১. লবণ : শ্যাম্পুর সঙ্গে সামান্য লবণ মিশিয়ে মাথার ত্বকে ম্যাসাজ করুন। এরপর ভালো করে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটি মাথার ত্বকের মরা কোষ দূর করে এবং খুশকির জীবাণু ধ্বংস করে।
২. লেবুর রস : লেবুর রস মাথার তালুতে লাগিয়ে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করুন। এবার শ্যাম্পু করে চুল ধুয়ে ফেলুন। বেশি করে কন্ডিশনার ব্যবহার করুন। খুশকি একেবারে দূর হয়ে যাবে।
৩. অ্যালোভেরার রস : অ্যালোভেরা মাথার ত্বকের পানিশূণ্যতা দূর করে। অতিরিক্ত তেলতেল না করে মাথার ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখে। এ ছাড়া এটি মাথার তালুর মরা কোষ দূর করতেও কার্যকর। এই রস মাথার ত্বকে লাগিয়ে ২০ মিনিট পর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
৪. নিম পাতা : কয়েকটি নিমপাতা পানির সঙ্গে মিশিয়ে শিলপাটায় বেটে পেস্ট তৈরি করে নিন। এই মিশ্রণ মাথার তালুতে লাগিয়ে ২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। এর অ্যান্টি-ফাঙ্গাল উপাদান মাথার ত্বকের তৈলাক্ত খুশকি দূর করতে সাহায্য করে।
৫. বেকিং সোডা : পানির সঙ্গে বেকিং সোডা মিশিয়ে ঘন মিশ্রণ তৈরি করুন। এবার শ্যাম্পুর মতো করে এই প্যাক চুলে লাগিয়ে কিছুক্ষণ ম্যাসাজ করে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এই উপাদানটি মাথার খুশকি পুরোপুরি দূর করে পুনরায় ফিরে আসতে দেয় না।
১. লবণ : শ্যাম্পুর সঙ্গে সামান্য লবণ মিশিয়ে মাথার ত্বকে ম্যাসাজ করুন। এরপর ভালো করে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটি মাথার ত্বকের মরা কোষ দূর করে এবং খুশকির জীবাণু ধ্বংস করে।
২. লেবুর রস : লেবুর রস মাথার তালুতে লাগিয়ে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করুন। এবার শ্যাম্পু করে চুল ধুয়ে ফেলুন। বেশি করে কন্ডিশনার ব্যবহার করুন। খুশকি একেবারে দূর হয়ে যাবে।
৩. অ্যালোভেরার রস : অ্যালোভেরা মাথার ত্বকের পানিশূণ্যতা দূর করে। অতিরিক্ত তেলতেল না করে মাথার ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখে। এ ছাড়া এটি মাথার তালুর মরা কোষ দূর করতেও কার্যকর। এই রস মাথার ত্বকে লাগিয়ে ২০ মিনিট পর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
৪. নিম পাতা : কয়েকটি নিমপাতা পানির সঙ্গে মিশিয়ে শিলপাটায় বেটে পেস্ট তৈরি করে নিন। এই মিশ্রণ মাথার তালুতে লাগিয়ে ২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। এর অ্যান্টি-ফাঙ্গাল উপাদান মাথার ত্বকের তৈলাক্ত খুশকি দূর করতে সাহায্য করে।
৫. বেকিং সোডা : পানির সঙ্গে বেকিং সোডা মিশিয়ে ঘন মিশ্রণ তৈরি করুন। এবার শ্যাম্পুর মতো করে এই প্যাক চুলে লাগিয়ে কিছুক্ষণ ম্যাসাজ করে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এই উপাদানটি মাথার খুশকি পুরোপুরি দূর করে পুনরায় ফিরে আসতে দেয় না।
রচ্ছদজীবনধারা ডিপ কন্ডিশনিং কীভাবে করবেন?
চুলের রুক্ষতা দূর করতে ডিপ কন্ডিশনিং করা খুবই জরুরি। তবে কীভাবে ডিপ
কন্ডিশনিং করতে হয় তা অনেকেই জানেন না। চুলে কীভাবে ডিপ কন্ডিশনিং করবেন সে
সম্বন্ধে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে বোল্ডস্কাই ওয়েবসাইটের জীবনধারা বিভাগে। এক
নজরে দেখে নিতে পারেন।
১. সবার চুলের ধরন আলাদা। তাই কন্ডিশনারের ধরনও আলাদা। রুক্ষ চুলের কন্ডিশনার আলাদা, আগা ফাটা চুলের কন্ডিশনার আলাদা, খুশকির জন্য কন্ডিশনার আলাদা। আবার তৈলাক্ত চুলেরও কন্ডিশনার আলাদা। তাই চুলের ধরন অনুযায়ী কন্ডিশনার বাছাই করুন।
২. কন্ডিশনার চুলে কতক্ষণ রাখা জরুরি? এটা অনেকেই জানেন না। কন্ডিশনার লাগানোর পর ৩০ মিনিট অপেক্ষা করুন। আর হাতে যদি একেবারেই সময় না থাকে তাহলে ২ মিনিট অবশ্যই রাখবেন। কন্ডিশনার লাগানোর সঙ্গে সঙ্গে ধুয়ে ফেলবেন না।
৩. ডিপ কন্ডিশনিং কতবার ব্যবহার করতে হয়? এই প্রশ্নের উত্তরও হয়তো জানেন না। সপ্তাহে অন্তত একদিন চুলে ডিপ কন্ডিশনিং করতে পারেন। বেশি করলে আপনার চুলে তেলতেলে হয়ে যেতে পারে।
৪. ডিপ কন্ডিশনিং করার আগে শ্যাম্পু দিয়ে চুল ভালো করে ধুয়ে নিন। শুধু পানি দিয়ে ধোয়ার পরও চুলে ময়লা থেকে যায়। তাই আগে শ্যাম্পু করে নিন।
৫. মাথার তালুর থেকে চুলের আগায় বেশি করে কন্ডিশনার ব্যবহার করুন। এতে চুলের আগা ফাটা সমস্যা দূর হবে।
৬. ডিপ কন্ডিশনিং করার পর চুল ঠান্ডা পানি দিয়ে ধোয়ার চেষ্টা করুন। গরম বা কুসুম গমর পানি দিয়ে চুল না ধোয়াই ভালো।
১. সবার চুলের ধরন আলাদা। তাই কন্ডিশনারের ধরনও আলাদা। রুক্ষ চুলের কন্ডিশনার আলাদা, আগা ফাটা চুলের কন্ডিশনার আলাদা, খুশকির জন্য কন্ডিশনার আলাদা। আবার তৈলাক্ত চুলেরও কন্ডিশনার আলাদা। তাই চুলের ধরন অনুযায়ী কন্ডিশনার বাছাই করুন।
২. কন্ডিশনার চুলে কতক্ষণ রাখা জরুরি? এটা অনেকেই জানেন না। কন্ডিশনার লাগানোর পর ৩০ মিনিট অপেক্ষা করুন। আর হাতে যদি একেবারেই সময় না থাকে তাহলে ২ মিনিট অবশ্যই রাখবেন। কন্ডিশনার লাগানোর সঙ্গে সঙ্গে ধুয়ে ফেলবেন না।
৩. ডিপ কন্ডিশনিং কতবার ব্যবহার করতে হয়? এই প্রশ্নের উত্তরও হয়তো জানেন না। সপ্তাহে অন্তত একদিন চুলে ডিপ কন্ডিশনিং করতে পারেন। বেশি করলে আপনার চুলে তেলতেলে হয়ে যেতে পারে।
৪. ডিপ কন্ডিশনিং করার আগে শ্যাম্পু দিয়ে চুল ভালো করে ধুয়ে নিন। শুধু পানি দিয়ে ধোয়ার পরও চুলে ময়লা থেকে যায়। তাই আগে শ্যাম্পু করে নিন।
৫. মাথার তালুর থেকে চুলের আগায় বেশি করে কন্ডিশনার ব্যবহার করুন। এতে চুলের আগা ফাটা সমস্যা দূর হবে।
৬. ডিপ কন্ডিশনিং করার পর চুল ঠান্ডা পানি দিয়ে ধোয়ার চেষ্টা করুন। গরম বা কুসুম গমর পানি দিয়ে চুল না ধোয়াই ভালো।
তিন উপায়ে নাকের ব্রণ দূর!
অনেক সময় পুরো মুখে ব্রণ না থাকলেও নাকের ওপর একটি দুইটা ব্রণ দেখা যায়।
এই ব্রণের ব্যাথা অনেক বেশি থাকে এবং দেখতেও খারাপ লাগে। চিন্তা নেই,
মাত্র ১ দিনেই তিন উপায়ে নাকের ব্রণ শুকিয়ে পুরোপুরি দূর হবে। এক্ষেত্রে
বোল্ডস্কাই ওয়েবসাইটের জীবনধারা বিভাগের এই পরামর্শগুলো একবার দেখে নিতে
পারেন।
টুথপেস্ট
টুথপেস্টের মেন্থল ব্রণ শুকিয়ে ফেলতে সাহায্য করে। সামান্য পরিমাণে টুথপেস্ট ব্রণের ওপর লাগিয়ে সারারাত রেখে দিন। সকালে ঘুম থেকে উঠে ক্লিনজার দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন, ব্রণ শুকিয়ে পুরোপুরি দূর হয়ে যাবে।
রসুন
রসুন ভালো করে ব্লেন্ড করে নিন। এবার এর সঙ্গে ১ চা চামচ মধু মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে নিন। এই প্যাক শুধু ব্রণের ওপর লাগিয়ে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করুন। এবার পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। রসুন ব্রণের জীবাণু ধ্বংস করে ত্বক উজ্জ্বল করতে সাহায্য করে।
বেকিং সোডা
এক চা চামচ বেকিং সোডার সঙ্গে সমান পরিমাণে পানি মিশিয়ে ঘন মিশ্রণ তৈরি করুন। এবার এই মিশ্রণ ব্রণের ওপর লাগিয়ে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করুন। শুকিয়ে গেলে পানি দিয়ে ভিজিয়ে হালকাভাবে ম্যাসাজ করুন। এরপর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। বেকিং সোডা ত্বকের মরা কোষ দূর করে, অতিরিক্ত তেল নিঃস্মরণ রোধ করে এবং ব্রণের জীবাণু ধ্বংস করে।
টুথপেস্ট
টুথপেস্টের মেন্থল ব্রণ শুকিয়ে ফেলতে সাহায্য করে। সামান্য পরিমাণে টুথপেস্ট ব্রণের ওপর লাগিয়ে সারারাত রেখে দিন। সকালে ঘুম থেকে উঠে ক্লিনজার দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন, ব্রণ শুকিয়ে পুরোপুরি দূর হয়ে যাবে।
রসুন
রসুন ভালো করে ব্লেন্ড করে নিন। এবার এর সঙ্গে ১ চা চামচ মধু মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে নিন। এই প্যাক শুধু ব্রণের ওপর লাগিয়ে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করুন। এবার পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। রসুন ব্রণের জীবাণু ধ্বংস করে ত্বক উজ্জ্বল করতে সাহায্য করে।
বেকিং সোডা
এক চা চামচ বেকিং সোডার সঙ্গে সমান পরিমাণে পানি মিশিয়ে ঘন মিশ্রণ তৈরি করুন। এবার এই মিশ্রণ ব্রণের ওপর লাগিয়ে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করুন। শুকিয়ে গেলে পানি দিয়ে ভিজিয়ে হালকাভাবে ম্যাসাজ করুন। এরপর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। বেকিং সোডা ত্বকের মরা কোষ দূর করে, অতিরিক্ত তেল নিঃস্মরণ রোধ করে এবং ব্রণের জীবাণু ধ্বংস করে।
তিনটি ফুল, ত্বকের তিন সমস্যার সমাধান!
আদিকাল থেকেই রূপচর্চায় ফুল ব্যবহৃত হয়ে আসছে। কোনো ফুল ত্বক উজ্জ্বল
করে, কোনোটা শুষ্কতা দূর করে আবার কোনোটা ব্রণ দূর করতে কার্যকর।
বোল্ডস্কাই ওয়েবসাইটের জীবনধারা বিভাগে তিনটি ফুলের প্যাক তৈরির পদ্ধতি ও
ব্যবহারের উপায় দেওয়া হয়েছে। একনজরে চোখ বুলিয়ে নিন।
গোলাপ ফুল
ত্বকের কালচে দাগ দূর করে উজ্জ্বল করতে গোলাপ ফুল খুবই উপকারী। কয়েকটি গোলাপের পাঁপড়ি গুঁড়ো করে দুধের সঙ্গে মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। এই প্যাক মুখে লাগিয়ে ১৫ থেকে ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। শুকিয়ে গেলে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
বেলি ফুল
যাদের ত্বক অতিরিক্ত শুষ্ক, তারা মুখে বেলি ফুল লাগাতে পারেন। কয়েকটি বেলি ফুল সেদ্ধ করে ব্লেন্ড করে নিন। এবার আপনার ক্রিমের সঙ্গে মিলিয়ে মুখে লাগান। এই ফুল আপনার ত্বককে নরম ও মসৃণ করতে সাহায্য করবে।
জবা ফুল
ব্রণের সমস্যার পুরোপুরি সমাধান করতে চাইলে জবা ফুল মুখে লাগাতে পারেন। জবা ফুলের পাপড়ি বেটে চালের পানি ও সামান্য তেলের সঙ্গে মিশিয়ে মুখে লাগান। ২০ মিনিট রেখে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন, পরদিন সকালে আপনার ব্রণ পুরোপুরি শুকিয়ে যাবে।
গোলাপ ফুল
ত্বকের কালচে দাগ দূর করে উজ্জ্বল করতে গোলাপ ফুল খুবই উপকারী। কয়েকটি গোলাপের পাঁপড়ি গুঁড়ো করে দুধের সঙ্গে মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। এই প্যাক মুখে লাগিয়ে ১৫ থেকে ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। শুকিয়ে গেলে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
বেলি ফুল
যাদের ত্বক অতিরিক্ত শুষ্ক, তারা মুখে বেলি ফুল লাগাতে পারেন। কয়েকটি বেলি ফুল সেদ্ধ করে ব্লেন্ড করে নিন। এবার আপনার ক্রিমের সঙ্গে মিলিয়ে মুখে লাগান। এই ফুল আপনার ত্বককে নরম ও মসৃণ করতে সাহায্য করবে।
জবা ফুল
ব্রণের সমস্যার পুরোপুরি সমাধান করতে চাইলে জবা ফুল মুখে লাগাতে পারেন। জবা ফুলের পাপড়ি বেটে চালের পানি ও সামান্য তেলের সঙ্গে মিশিয়ে মুখে লাগান। ২০ মিনিট রেখে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন, পরদিন সকালে আপনার ব্রণ পুরোপুরি শুকিয়ে যাবে।
পেঁয়াজের যে প্যাক মাথার টাক দূর করে!
মাথায় শুধু পেঁয়াজের রস লাগানোর থেকে এই রস অন্য উপাদানের সঙ্গে মিশিয়ে
প্যাক বানিয়ে লাগালে মাথার টাকের সমস্যা পুরোপুরি দূর হবে। টানা দুই মাস
নিয়মিত পেঁয়াজের প্যাক মাথায় ব্যবহার করলে চুলপড়া রোধ হবে এবং নতুন চুল
গজানোর কারণে টাকের সমস্যা দূর হবে।
কীভাবে পেঁয়াজের রস দিয়ে প্যাক তৈরি করবেন এবং ব্যবহার করবেন সে সম্বন্ধে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে বোল্ডস্কাই ওয়েবসাইটের জীবনধারা বিভাগে। এক নজরে ধাপগুলো দেখে নিন।
প্রথম ধাপ
প্রথমে একটি পেঁয়াজ খোসা ছাড়িয়ে কুচি করে ভালো করে ব্লেন্ড করে নিন। এবার একটি পাতলা কাপড়ে নিয়ে ভালো করে চিপে এর রস বের করে নিন।
দ্বিতীয় ধাপ
এবার একটি প্যানে দুই টেবিল চামচ নারকেল তেল গরম করে নিন। নারকেল তেলের লাউরিক এসিড চুলের রুক্ষতা দূর করে এবং নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে।
তৃতীয় ধাপ
এখন এই তেলের মধ্যে এক টেবিল চামচ অলিভ অয়েল দিয়ে দুই মিনিট গরম করুন। চুলা থেকে নামিয়ে ঠান্ডা করুন। অলিভ অয়েল মাথার ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে।
চতুর্থ ধাপ
এবার পেঁয়াজের রসের সঙ্গে এই তেল মেশান। এর মধ্যে তিন ফোঁটা লেবুর রস দিন, যাতে পেঁয়াজের গন্ধ না থাকে। এ ছাড়া লেবুর রস চুল ঝলমলে করতেও সাহায্য করে।
পঞ্চম ধাপ
একটি বড় দাঁতের চিরুনি দিয়ে চুল আঁচড়ে এর জট ছাড়িয়ে নিন। যাতে প্যাক লাগাতে সমস্যা না হয়। এবার ব্রাশ দিয়ে এই প্যাক মাথার তালু ও চুলে লাগান।
ষষ্ঠ ধাপ
১০ মিনিট হাতের আঙুল দিয়ে মাথার ত্বক ম্যাসাজ করুন। এবার ৪৫ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর মাইল্ড শ্যাম্পু দিয়ে চুল ভালো করে ধুয়ে কন্ডিশনার লাগান। এখন চুল ভালো করে ধুয়ে বাতাসে শুকিয়ে ফেলুন।
কীভাবে পেঁয়াজের রস দিয়ে প্যাক তৈরি করবেন এবং ব্যবহার করবেন সে সম্বন্ধে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে বোল্ডস্কাই ওয়েবসাইটের জীবনধারা বিভাগে। এক নজরে ধাপগুলো দেখে নিন।
প্রথম ধাপ
প্রথমে একটি পেঁয়াজ খোসা ছাড়িয়ে কুচি করে ভালো করে ব্লেন্ড করে নিন। এবার একটি পাতলা কাপড়ে নিয়ে ভালো করে চিপে এর রস বের করে নিন।
দ্বিতীয় ধাপ
এবার একটি প্যানে দুই টেবিল চামচ নারকেল তেল গরম করে নিন। নারকেল তেলের লাউরিক এসিড চুলের রুক্ষতা দূর করে এবং নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে।
তৃতীয় ধাপ
এখন এই তেলের মধ্যে এক টেবিল চামচ অলিভ অয়েল দিয়ে দুই মিনিট গরম করুন। চুলা থেকে নামিয়ে ঠান্ডা করুন। অলিভ অয়েল মাথার ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে।
চতুর্থ ধাপ
এবার পেঁয়াজের রসের সঙ্গে এই তেল মেশান। এর মধ্যে তিন ফোঁটা লেবুর রস দিন, যাতে পেঁয়াজের গন্ধ না থাকে। এ ছাড়া লেবুর রস চুল ঝলমলে করতেও সাহায্য করে।
পঞ্চম ধাপ
একটি বড় দাঁতের চিরুনি দিয়ে চুল আঁচড়ে এর জট ছাড়িয়ে নিন। যাতে প্যাক লাগাতে সমস্যা না হয়। এবার ব্রাশ দিয়ে এই প্যাক মাথার তালু ও চুলে লাগান।
ষষ্ঠ ধাপ
১০ মিনিট হাতের আঙুল দিয়ে মাথার ত্বক ম্যাসাজ করুন। এবার ৪৫ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর মাইল্ড শ্যাম্পু দিয়ে চুল ভালো করে ধুয়ে কন্ডিশনার লাগান। এখন চুল ভালো করে ধুয়ে বাতাসে শুকিয়ে ফেলুন।
চুলের ক্ষেত্রে ছেলেরা যে ৬ ভুল করে
মেয়েদের তুলনায় ছেলেদের মাথায় টাক অনেক দ্রুত পড়ে। এটা শুধু চুলের
পরিমাণ কম হওয়ার কারণে হয় না। ছেলেদের কিছু ভুলেও তাদের মাথার চুল পড়ার
পরিমাণ বেড়ে যেতে পারে। চুলের ক্ষেত্রে কোন ভুলগুলো ছেলেরা বেশি করে, তার
একটি তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে টাইমস অব ইন্ডিয়ায়। একনজরে চোখ বুলিয়ে নিন।
১. ছেলেরা চুলে শ্যাম্পু করার পর ভালোভাবে পরিষ্কার করে না। এর ফলে চুল আঠালো হয়ে থাকে এবং চুলের গোড়া নরম হয়ে যায়। এ কারণে অনেক দ্রুত চুল পড়ে যায়। তাই যখনই শ্যাম্পু করবেন, পানি দিয়ে চুল ভালোভাবে পরিষ্কার করে নেবেন।
২. চুলে শ্যাম্পু করার পর ভালোভাবে না শুকিয়ে জেল ব্যবহার করে ছেলেরা, যা চুলের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। যদি মাথায় টাক পড়াতে না চান, তাহলে স্টাইল করার আগে চুল ভালো করে শুকিয়ে নিন।
৩. ভুল হেয়ারস্টাইল বাছাই করা। ইন্টারনেট থেকে চুলের কোনো একটা কাটিং ভালো লাগলে সেলুনে গিয়ে ঠিক সেভাবে নিজের চুল কাটিয়ে ফেলে ছেলেরা। এটা কখনো ভাবে না, তার চেহারার সঙ্গে কাটিংটা যাচ্ছে কি না। মনে রাখবেন, হেয়ারকাট সব সময় নিজের চেহারার ধরন অনুযায়ী করবেন।
৪. মাথায় যেন টাক না পড়ে, এ কারণে ছেলেরা সামনের দিকের চুল খুব একটা কাটতে চায় না। এর ফলে এই চুলগুলো রুক্ষ হয়ে ঝরে যেতে শুরু করে। তাই নিয়ম করে সামনে-পেছনে দুই দিকের চুলই কাটুন।
৫. চুলের ধরন বুঝে, কী ধরনের প্রসাধনী ব্যবহার করেন এটার ওপর নির্ভর করে চুল পরিষ্কার রাখতে হয়। এমনকি আপনার মাথার তালুতে ঘামের পরিমাণ বেশি হলেও নিয়মিত চুল ধুয়ে পরিষ্কার রাখা জরুরি। ছেলেরা হয়তো অনেক বেশি চুল ধোয়ার চেষ্টা করে কিংবা চুল সহজে ধুয়ে পরিষ্কার করে না। এ দুই ধরনের অভ্যাসের কারণেই চুল পড়ে যেতে শুরু করে।
৬. চুলে শ্যাম্পু করার সময় হাতের নখ দিয়ে মাথার তালু চুলকানোর অভ্যাস আছে অনেকেরই। এটি আপনার চুলের গোড়া নরম করে ফেলে। তাই নখ নয়, হাতের আঙুল দিয়ে আলতোভাবে মাথার ত্বক ম্যাসাজ করুন। যাতে মাথার ত্বকের রক্ত সঞ্চালন ভালো হয়।
১. ছেলেরা চুলে শ্যাম্পু করার পর ভালোভাবে পরিষ্কার করে না। এর ফলে চুল আঠালো হয়ে থাকে এবং চুলের গোড়া নরম হয়ে যায়। এ কারণে অনেক দ্রুত চুল পড়ে যায়। তাই যখনই শ্যাম্পু করবেন, পানি দিয়ে চুল ভালোভাবে পরিষ্কার করে নেবেন।
২. চুলে শ্যাম্পু করার পর ভালোভাবে না শুকিয়ে জেল ব্যবহার করে ছেলেরা, যা চুলের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। যদি মাথায় টাক পড়াতে না চান, তাহলে স্টাইল করার আগে চুল ভালো করে শুকিয়ে নিন।
৩. ভুল হেয়ারস্টাইল বাছাই করা। ইন্টারনেট থেকে চুলের কোনো একটা কাটিং ভালো লাগলে সেলুনে গিয়ে ঠিক সেভাবে নিজের চুল কাটিয়ে ফেলে ছেলেরা। এটা কখনো ভাবে না, তার চেহারার সঙ্গে কাটিংটা যাচ্ছে কি না। মনে রাখবেন, হেয়ারকাট সব সময় নিজের চেহারার ধরন অনুযায়ী করবেন।
৪. মাথায় যেন টাক না পড়ে, এ কারণে ছেলেরা সামনের দিকের চুল খুব একটা কাটতে চায় না। এর ফলে এই চুলগুলো রুক্ষ হয়ে ঝরে যেতে শুরু করে। তাই নিয়ম করে সামনে-পেছনে দুই দিকের চুলই কাটুন।
৫. চুলের ধরন বুঝে, কী ধরনের প্রসাধনী ব্যবহার করেন এটার ওপর নির্ভর করে চুল পরিষ্কার রাখতে হয়। এমনকি আপনার মাথার তালুতে ঘামের পরিমাণ বেশি হলেও নিয়মিত চুল ধুয়ে পরিষ্কার রাখা জরুরি। ছেলেরা হয়তো অনেক বেশি চুল ধোয়ার চেষ্টা করে কিংবা চুল সহজে ধুয়ে পরিষ্কার করে না। এ দুই ধরনের অভ্যাসের কারণেই চুল পড়ে যেতে শুরু করে।
৬. চুলে শ্যাম্পু করার সময় হাতের নখ দিয়ে মাথার তালু চুলকানোর অভ্যাস আছে অনেকেরই। এটি আপনার চুলের গোড়া নরম করে ফেলে। তাই নখ নয়, হাতের আঙুল দিয়ে আলতোভাবে মাথার ত্বক ম্যাসাজ করুন। যাতে মাথার ত্বকের রক্ত সঞ্চালন ভালো হয়।
দুধ কি ত্বকের জন্য উপকারী?
দুধ শুধু পান করা নয়, ত্বকেও ব্যবহার করুন। হ্যাঁ, দুধ ত্বকের জন্যও বেশ
উপকারী। টাইমস অব ইন্ডিয়ায় ভারতের ফ্রেশম্যান ভেলির সিনিয়র ডায়েটেশিয়ান
অ্যান্ড নিউট্রিশনিস্ট তনয়া জোশি ঠিক এমনটাই বললেন। তিনি ত্বকের যত্নে
দুধের কয়েকটি ব্যবহারের কথা বলেছেন।
১. ক্লিনজার হিসেবে দুধ ব্যবহার করতে পারেন। ত্বকের লোমকূপের মুখ থেকে ময়লা, মরা কোষ ও ব্ল্যাকহেডস দূর করতে দুধ সাহায্য করে। এ ছাড়া এটি ত্বকের তৈলাক্ত অংশের ফ্যাট দূর করে এবং শুষ্ক ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখে।
যেভাবে ব্যবহার করবেন
একটি তুলার বলে দুধ লাগিয়ে পুরো মুখে মেখে পাঁচ মিনিট ম্যাসাজ করুন। এরপর কুসুম গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।
২. ত্বকের শুষ্কতা ও রুক্ষতা দূর করতে দুধ ব্যবহার করুন। এটি সারা দিন ত্বক নরম ও মসৃণ রাখতে সাহায্য করে।
যেভাবে ব্যবহার করবেন
তুলার বলে দুধ লাগিয়ে পুরো মুখে লাগান। ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এবার ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এ ছাড়া দুধের সঙ্গে কলা মিশিয়ে মুখে লাগিয়ে আধা ঘণ্টা অপেক্ষা করুন। এবার পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
৩. দুধে প্রচুর পরিমাণে আলফা হাইড্রক্সিল এসিড রয়েছে, যা ত্বকে প্রাকৃতিক স্ক্রাবারের কাজ করে। এই উপাদান ত্বককে উজ্জ্বল ও মসৃণ রাখে।
যেভাবে ব্যবহার করবেন
মধুর সঙ্গে দুধ মিশিয়ে মুখে পাঁচ মিনিট ম্যাসাজ করুন। ১৫ মিনিট পর হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
৪. ত্বকের রোদে পোড়া দাগ দূর করতে দুধের বিকল্প নেই। দুধের শক্তিশালী ল্যাকটিক এসিড ত্বকের পোড়া দাগ দূর করে।
যেভাবে ব্যবহার করবেন
গ্রিন টির পানির সঙ্গে সমান পরিমাণে দুধ মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। তুলার বলে এই মিশ্রণ লাগিয়ে পুরো মুখে লাগান। ১৫ মিনিট অপেক্ষা করুন। এবার ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে অন্তত তিন দিন এই মিশ্রণ মুখে ব্যবহার করুন।
১. ক্লিনজার হিসেবে দুধ ব্যবহার করতে পারেন। ত্বকের লোমকূপের মুখ থেকে ময়লা, মরা কোষ ও ব্ল্যাকহেডস দূর করতে দুধ সাহায্য করে। এ ছাড়া এটি ত্বকের তৈলাক্ত অংশের ফ্যাট দূর করে এবং শুষ্ক ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখে।
যেভাবে ব্যবহার করবেন
একটি তুলার বলে দুধ লাগিয়ে পুরো মুখে মেখে পাঁচ মিনিট ম্যাসাজ করুন। এরপর কুসুম গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।
২. ত্বকের শুষ্কতা ও রুক্ষতা দূর করতে দুধ ব্যবহার করুন। এটি সারা দিন ত্বক নরম ও মসৃণ রাখতে সাহায্য করে।
যেভাবে ব্যবহার করবেন
তুলার বলে দুধ লাগিয়ে পুরো মুখে লাগান। ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এবার ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এ ছাড়া দুধের সঙ্গে কলা মিশিয়ে মুখে লাগিয়ে আধা ঘণ্টা অপেক্ষা করুন। এবার পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
৩. দুধে প্রচুর পরিমাণে আলফা হাইড্রক্সিল এসিড রয়েছে, যা ত্বকে প্রাকৃতিক স্ক্রাবারের কাজ করে। এই উপাদান ত্বককে উজ্জ্বল ও মসৃণ রাখে।
যেভাবে ব্যবহার করবেন
মধুর সঙ্গে দুধ মিশিয়ে মুখে পাঁচ মিনিট ম্যাসাজ করুন। ১৫ মিনিট পর হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
৪. ত্বকের রোদে পোড়া দাগ দূর করতে দুধের বিকল্প নেই। দুধের শক্তিশালী ল্যাকটিক এসিড ত্বকের পোড়া দাগ দূর করে।
যেভাবে ব্যবহার করবেন
গ্রিন টির পানির সঙ্গে সমান পরিমাণে দুধ মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। তুলার বলে এই মিশ্রণ লাগিয়ে পুরো মুখে লাগান। ১৫ মিনিট অপেক্ষা করুন। এবার ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে অন্তত তিন দিন এই মিশ্রণ মুখে ব্যবহার করুন।
ত্বকে আখের রস লাগালে কী হয়?
আখের রসে আলফা-হাইড্রোক্সি এসিড রয়েছে, যা ত্বকের শুষ্কতা দূর করে
ত্বককে নরম ও মসৃণ করে। আর নিয়মিত ব্যবহারে কালচে দাগ দূর হয়ে ত্বক উজ্জ্বল
হয়। অন্য কোনো উপাদানের সঙ্গে আখের রস মিশিয়ে প্যাক তৈরি করবেন এবং কীভাবে
ব্যবহার করবেন, সে সম্বন্ধে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে বোল্ডস্কাই ওয়েবসাইটের
জীবনধারা বিভাগে। একনজরে চোখ বুলিয়ে নিন।
আখের রস ও মধুর প্যাক
শুষ্ক ত্বকের জন্য এই প্যাক খুবই উপকারী। এটি ত্বকের শুষ্কতা দূর করে ত্বক নরম ও মসৃণ করতে সাহায্য করে। তাই যাঁদের শুষ্ক ত্বক, তাঁরা সপ্তাহের একদিন আখের রসের সঙ্গে মধু মিশিয়ে মুখে লাগান। ১৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।
পেঁপে ও আখের রস
কয়েক টুকরো পেঁপের সঙ্গে আখের রস মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। এই প্যাক পুরো মুখে লাগিয়ে ২০ মিনিট পর মুখ ধুয়ে ফেলুন। ত্বকের কালচে দাগ দূর করে উজ্জ্বল করতে প্যাকটি বেশ কার্যকর।
লেবুর রস, আখের রস ও নারকেলের দুধ
এই প্যাক ত্বকের মেছতা দূর করতে সাহায্য করে। তবে এর সঙ্গে আপেলের রস ও আঙুরের রস মিশিয়ে নিতে হবে। প্যাকটি মুখে লাগিয়ে ১৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।
মুলতানি মাটি ও আখের রস
এই প্যাক তৈলাক্ত ত্বকের অতিরিক্ত তেলতেলে ভাব দূর করে সহজেই। মুলতানি মাটির সঙ্গে আখের রস মিশিয়ে ঘন প্যাক তৈরি করুন। এই প্যাক মুখে লাগিয়ে শুকানো পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। এর পর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
আখের রস ও কফি
এই প্যাক ত্বকে প্রাকৃতিক স্ক্রাবারের কাজ করে। কফির গুঁড়ার সঙ্গে আখের রস মিশিয়ে মুখে কিছুক্ষণ ম্যাসাজ করুন। এরপর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটি ত্বকের মরা কোষ দূর করে ত্বককে মসৃণ করতে সাহায্য করে।
আখের রস ও মধুর প্যাক
শুষ্ক ত্বকের জন্য এই প্যাক খুবই উপকারী। এটি ত্বকের শুষ্কতা দূর করে ত্বক নরম ও মসৃণ করতে সাহায্য করে। তাই যাঁদের শুষ্ক ত্বক, তাঁরা সপ্তাহের একদিন আখের রসের সঙ্গে মধু মিশিয়ে মুখে লাগান। ১৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।
পেঁপে ও আখের রস
কয়েক টুকরো পেঁপের সঙ্গে আখের রস মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। এই প্যাক পুরো মুখে লাগিয়ে ২০ মিনিট পর মুখ ধুয়ে ফেলুন। ত্বকের কালচে দাগ দূর করে উজ্জ্বল করতে প্যাকটি বেশ কার্যকর।
লেবুর রস, আখের রস ও নারকেলের দুধ
এই প্যাক ত্বকের মেছতা দূর করতে সাহায্য করে। তবে এর সঙ্গে আপেলের রস ও আঙুরের রস মিশিয়ে নিতে হবে। প্যাকটি মুখে লাগিয়ে ১৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।
মুলতানি মাটি ও আখের রস
এই প্যাক তৈলাক্ত ত্বকের অতিরিক্ত তেলতেলে ভাব দূর করে সহজেই। মুলতানি মাটির সঙ্গে আখের রস মিশিয়ে ঘন প্যাক তৈরি করুন। এই প্যাক মুখে লাগিয়ে শুকানো পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। এর পর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
আখের রস ও কফি
এই প্যাক ত্বকে প্রাকৃতিক স্ক্রাবারের কাজ করে। কফির গুঁড়ার সঙ্গে আখের রস মিশিয়ে মুখে কিছুক্ষণ ম্যাসাজ করুন। এরপর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটি ত্বকের মরা কোষ দূর করে ত্বককে মসৃণ করতে সাহায্য করে।
পড়ে যাচ্ছে চুল?
শীতের সময় চুল পড়ার পরিমাণ অনেকাংশে বেড়ে যায়। তাই এ সময় চাই বাড়তি
যত্ন। সেইসঙ্গে প্রাকৃতিক উপাদান তো রয়েছেই। এই মৌসুমে চুল পড়া রোধ করতে
টাইমস অব ইন্ডিয়ার এই পরামর্শগুলো একবার দেখে নিতে পারেন।
হট অয়েল ম্যাসাজ
নারকেল বা আমন্ড অয়েল কুসুম গরম করে মাথার তালুতে হালকাভাবে ম্যাসাজ করুন। এটি মাথার ত্বকের রক্ত সঞ্চালনে সাহায্য করে, চুলের গোড়া মজবুত করে এবং মাথার ত্বক সুস্থ রাখে।
পেঁয়াজের রস
পেঁয়াজের রসের অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান মাথার ত্বকের সংক্রমণ দূর করে এবং চুলের গোড়া শক্ত করে। ব্লেন্ডারে পেঁয়াজ ভালো করে ব্লেন্ড করে মাথার তালুতে লাগিয়ে আধা ঘণ্টা অপেক্ষা করুন। এরপর ধুয়ে ফেলুন।
বিটরুটের রস
বিটরুটের রস খেয়ে এবং মাথায় লাগিয়ে চুল পড়া রোধ করতে পারেন। এটি আপনার মাথার ত্বকে পুষ্টি জুগিয়ে চুল পড়া কমাতে সাহায্য করে।
গ্রিন টি
গ্রিন টি মাথার ত্বকের কোষ সুস্থ রাখে এবং এবং নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে। তাই যাঁদের চুল পড়ে যাওয়ার সমস্যা রয়েছে, তাঁরা নিয়মিত গ্রিন টি পানের চেষ্টা করুন।
আমলকী
আমলকীর ভিটামিন ‘সি’ চুল পড়া রোধে অনেক বেশি কার্যকর। আমলকী বেটে মাথার তালুতে লাগিয়ে ৩০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এবার পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
নিমপাতা
কয়েকটি নিমপাতা পানিতে সেদ্ধ করে ভালো করে ব্লেন্ড করুন। এবার এই প্যাক মাথার তালুতে লাগিয়ে ৩০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
হট অয়েল ম্যাসাজনারকেল বা আমন্ড অয়েল কুসুম গরম করে মাথার তালুতে হালকাভাবে ম্যাসাজ করুন। এটি মাথার ত্বকের রক্ত সঞ্চালনে সাহায্য করে, চুলের গোড়া মজবুত করে এবং মাথার ত্বক সুস্থ রাখে।
পেঁয়াজের রস
পেঁয়াজের রসের অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান মাথার ত্বকের সংক্রমণ দূর করে এবং চুলের গোড়া শক্ত করে। ব্লেন্ডারে পেঁয়াজ ভালো করে ব্লেন্ড করে মাথার তালুতে লাগিয়ে আধা ঘণ্টা অপেক্ষা করুন। এরপর ধুয়ে ফেলুন।
বিটরুটের রস
বিটরুটের রস খেয়ে এবং মাথায় লাগিয়ে চুল পড়া রোধ করতে পারেন। এটি আপনার মাথার ত্বকে পুষ্টি জুগিয়ে চুল পড়া কমাতে সাহায্য করে।
গ্রিন টি
গ্রিন টি মাথার ত্বকের কোষ সুস্থ রাখে এবং এবং নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে। তাই যাঁদের চুল পড়ে যাওয়ার সমস্যা রয়েছে, তাঁরা নিয়মিত গ্রিন টি পানের চেষ্টা করুন।
আমলকী
আমলকীর ভিটামিন ‘সি’ চুল পড়া রোধে অনেক বেশি কার্যকর। আমলকী বেটে মাথার তালুতে লাগিয়ে ৩০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এবার পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
নিমপাতা
কয়েকটি নিমপাতা পানিতে সেদ্ধ করে ভালো করে ব্লেন্ড করুন। এবার এই প্যাক মাথার তালুতে লাগিয়ে ৩০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
ভেজা চুল নিয়ে ঘুমানো কি ঠিক?
রাতে গোসল না করলে অনেকেরই ঘুম আসে না। সারা দিনের ক্লান্তি ভাব কাটাতে
কুসুম গরম পানিতে গোসল করলে এক নিমেষেই সতেজ ও ফুরফুরে অনুভব হয়। কিন্তু
সমস্যা হয় তখনই, যখন ভেজা চুল নিয়ে ঘুমাতে হয়। এভাবে ভেজা চুল নিয়ে ঘুমানো
না স্বাস্থ্যের জন্য ভালো, না চুলের জন্য। চুল ভেজাবস্থায় সারা রাত ফ্যান
বা এসির নিচে ঘুমালে আপনার ঠান্ডা লেগে যাবে। আবার চুল না শুকিয়ে ঘুমালে
চুলেরও ক্ষতি হবে।
ভেজা চুল নিয়ে ঘুমালে যে ক্ষতিগুলো হয়, তার তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে হেলদি অ্যান্ড ন্যাচারাল লাইফ ওয়েবসাইটে। একনজরে দেখে নিতে পারেন।
১. ভেজা চুল নরম হয়ে থাকে। এই চুল নিয়ে ঘুমালে বালিশে ঘষা লাগার কারণে ভেঙে যেতে পারে। এ ছাড়া সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর চুল অনেক রুক্ষও হয়ে যায়।
২. বালিশের কভারে অনেক ধরনের জীবাণু থাকে। এ ছাড়া আপনার ত্বকের মরা কোষ, ত্বকের প্রাকৃতিক তেল ও ঘাম বালিশের কভারে লেগে থাকে। তাই ভেজা চুল নিয়ে এই বালিশে ঘুমালে এগুলো চুলে ও মাথার ত্বকে লেগে যায়। এর ফলে মাথায় খুশকির পরিমাণ বেড়ে যায় এবং সংক্রমণ দেখা দেয়।
৩. ভেজা চুল নিয়ে ঘুমালে ঠান্ডার কারণে মাথাব্যথা হয়, যা পরদিনও থাকে। আর যাদের মাইগ্রেনের সমস্যা থাকে, তাদের মাথাব্যথা কয়েক গুণ বেড়ে যায়।
তাই রাতে গোসল করলে অবশ্যই চুল ভালোভাবে শুকিয়ে ঘুমানোর চেষ্টা করুন।
ভেজা চুল নিয়ে ঘুমালে যে ক্ষতিগুলো হয়, তার তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে হেলদি অ্যান্ড ন্যাচারাল লাইফ ওয়েবসাইটে। একনজরে দেখে নিতে পারেন।
১. ভেজা চুল নরম হয়ে থাকে। এই চুল নিয়ে ঘুমালে বালিশে ঘষা লাগার কারণে ভেঙে যেতে পারে। এ ছাড়া সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর চুল অনেক রুক্ষও হয়ে যায়।
২. বালিশের কভারে অনেক ধরনের জীবাণু থাকে। এ ছাড়া আপনার ত্বকের মরা কোষ, ত্বকের প্রাকৃতিক তেল ও ঘাম বালিশের কভারে লেগে থাকে। তাই ভেজা চুল নিয়ে এই বালিশে ঘুমালে এগুলো চুলে ও মাথার ত্বকে লেগে যায়। এর ফলে মাথায় খুশকির পরিমাণ বেড়ে যায় এবং সংক্রমণ দেখা দেয়।
৩. ভেজা চুল নিয়ে ঘুমালে ঠান্ডার কারণে মাথাব্যথা হয়, যা পরদিনও থাকে। আর যাদের মাইগ্রেনের সমস্যা থাকে, তাদের মাথাব্যথা কয়েক গুণ বেড়ে যায়।
তাই রাতে গোসল করলে অবশ্যই চুল ভালোভাবে শুকিয়ে ঘুমানোর চেষ্টা করুন।
চালের গুঁড়া ত্বক ফর্সা করে!
চালের গুঁড়া ত্বকে প্রাকৃতিক স্ক্রাবারের কাজ করে। এটি ত্বককে নরম ও
মসৃণ করতে সাহায্য করে। এ ছাড়া এই উপাদান ত্বকের কালচে দাগ দূর করে ত্বক
ফর্সা করে। বোল্ডস্কাই ওয়েবসাইটের জীবনধারা বিভাগে ত্বকের তিনটি সমস্যা
সমাধানের জন্য চালের গুঁড়ার তিনটি প্যাকের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এক নজরে
দেখে নিতে পারেন।
১. চালের গুঁড়ার সঙ্গে মধু ও টকদই মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। এই প্যাক পুরো মুখে ও ঘাড়ে লাগিয়ে ১০ থেকে ১৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। এটি ত্বকের কালচে দাগ দূর করে ত্বক উজ্জ্বল করতে সাহায্য করে।
২. শসার রস ও লেবুর রসের সঙ্গে চালের গুঁড়া মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। এই প্যাক পুরো মুখে লাগিয়ে ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর পানি দিয়ে ভিজিয়ে হালকা ম্যাসাজ করে ধুয়ে ফেলুন। এই প্যাক আপনার ত্বকের রোদে পোড়া দাগ, মেছতা ও ব্রণের দাগ দূর করতে সাহায্য করবে।
৩. মরা কোষের কারণে ত্বক অনেক মলিন হয়ে যায়। মধু অথবা অলিভ অয়েলের সঙ্গে চালের গুঁড়া মিশিয়ে ত্বকে পাঁচ মিনিট ম্যাসাজ করুন। এভাবে ১০ মিনিট রেখে দিন। এরপর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এতে ত্বকের মরা কোষ দূর হয়ে ত্বক নরম ও মসৃণ হবে।
১. চালের গুঁড়ার সঙ্গে মধু ও টকদই মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। এই প্যাক পুরো মুখে ও ঘাড়ে লাগিয়ে ১০ থেকে ১৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। এটি ত্বকের কালচে দাগ দূর করে ত্বক উজ্জ্বল করতে সাহায্য করে।
২. শসার রস ও লেবুর রসের সঙ্গে চালের গুঁড়া মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। এই প্যাক পুরো মুখে লাগিয়ে ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর পানি দিয়ে ভিজিয়ে হালকা ম্যাসাজ করে ধুয়ে ফেলুন। এই প্যাক আপনার ত্বকের রোদে পোড়া দাগ, মেছতা ও ব্রণের দাগ দূর করতে সাহায্য করবে।
৩. মরা কোষের কারণে ত্বক অনেক মলিন হয়ে যায়। মধু অথবা অলিভ অয়েলের সঙ্গে চালের গুঁড়া মিশিয়ে ত্বকে পাঁচ মিনিট ম্যাসাজ করুন। এভাবে ১০ মিনিট রেখে দিন। এরপর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এতে ত্বকের মরা কোষ দূর হয়ে ত্বক নরম ও মসৃণ হবে।
অ্যাভোকাডো মেছতা দূর করে!
অ্যাভোকাডোতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-কে, ভিটামিন-সি, পটাশিয়াম,
ভিটামিন-বি৫, ভিটামিন-ই ও ভিটামিন-বি৬ রয়েছে। এ ছাড়া এতে ম্যাগনেশিয়াম,
জিঙ্ক, ফসফরাস, কপার ও আয়রন রয়েছে। এই উপাদান ত্বকের কালচে দাগ দূর করে
ত্বক উজ্জ্বল করে। এ ছাড়া মেছতা দূর করতেও এটি বেশ কার্যকর। অ্যাভোকাডো
দিয়ে তিনটি প্যাক তৈরির পদ্ধতি ও ব্যবহারের উপায় দেওয়া হয়েছে বোল্ডস্কাই
ওয়েবসাইটের জীবনধারা বিভাগে। একনজরে চোখ বুলিয়ে নিন।অ্যাভোকাডো ও অ্যালোভেরার প্যাক
দুই চা চামচ চটকানো অ্যাভোকাডোর সঙ্গে এক চা চামচ অ্যালোভেরার রস মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে নিন। এর মধ্যে আধা চা চামচ ইস্ট ও কুসুম গরম পানি দিয়ে প্যাকটি পাতলা করে নিন। এই প্যাক মুখে লাগিয়ে ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে দুই থেকে তিনবার এই প্যাক ব্যবহার করুন। এই প্যাক শুষ্ক ও স্পর্শকাতর ত্বকের জন্য উপকারী।
মধু, অ্যাভোকাডো ও ডিমের প্যাক
একটি অ্যাভোকাডো ভালো করে চটকে নিন। এখন এর সঙ্গে দুই চা চামচ মধু মিশিয়ে নিন। একটি ডিম ভালো করে ফেটে নিন। সব উপকরণ হালকা গরম পানি দিয়ে মিশিয়ে নিন। এই প্যাক মুখে লাগিয়ে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এই প্যাক ত্বকের কালচে দাগ ও মেছতা দূর করে এবং ত্বকের গভীরে পুষ্টি জোগায়। এ ছাড়া এই প্যাক অ্যান্টি-অ্যাজিং প্যাক হিসেবে কাজ করে।
অ্যাভোকাডো ও টক দইয়ের প্যাক
একটি অ্যাভোকাডোর সঙ্গে এক চা চামচ মধু ও এক চা চামচ টক দই একসঙ্গে মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে নিন। এর মধ্যে তিন/চার ফোঁটা নারকেল তেল দিন। সামান্য গরম পানি দিয়ে প্যাকটি তৈরি করে নিন। এই প্যাক মুখে লাগিয়ে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর কুসুম গরম পানি দিয়ে মুখ ভালো করে ধুয়ে নিন। এই প্যাক ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায় এবং আর্দ্রতা ধরে রাখে।
আলুর রস বগলের কালো দাগ দূর করে!
অতিরিক্ত ঘামের কারণে কিংবা ডিওডেরান্ট ব্যবহারের কারণে আমাদের বগলের
নিচের কালো দাগ হয়ে যায়। এই দাগ দূর করতে আলুর রস ব্যবহার করতে পারেন। তবে
ভালো ফল পেতে এর সঙ্গে লেবুর রস, হলুদের গুঁড়ো ও শসার রস মিশিয়ে নিন।
কীভাবে এই প্যাক তৈরি করবেন ও ব্যবহার করবেন সে সম্বন্ধে পরামর্শ দেওয়া
হয়েছে বোল্ডস্কাই ওয়েবসাইটের জীবনধারা বিভাগে। একনজরে ধাপগুলো দেখে নিন।
প্রথম ধাপ
প্রথমে একটি বাটিতে একটি বড় আলুর খোসা ছাড়িয়ে কুচি করে নিন। এই আলু ব্লেন্ডারে ভালো করে ব্লেন্ড করে একটি সুতির কাপড়ে চিপে এর রস বের করে নিন। আলুর রস প্রাকৃতিক ব্লিচের কাজ করে যা ত্বককে উজ্জ্বল করতে সাহায্য করে।
দ্বিতীয় ধাপ
এবার এর মধ্যে পাঁচ ফোঁটা লেবুর রস দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন। লেবুর রসের সাইট্রিক এসিড ত্বকের মরা কোষ দূর করে এবং এর ভিটামিন সি ত্বকের মেছতা দূর করতে কার্যকর।
তৃতীয় ধাপ
এই মিশ্রণের মধ্যে সামান্য হলুদের গুঁড়ো দিন। হলুদের গুঁড়ো ত্বকের অতিরিক্ত তেলতেলে ভাব দূর করে এবং ব্রণের জীবাণু ধ্বংস করতে সাহায্য করে।
চতুর্থ ধাপ
অর্ধেকটা শসা খোসা ছাড়িয়ে ব্লেন্ড করে এর রস বের করে নিন। এবার এক চা চামচ শসার রস এই মিশ্রণের সঙ্গে মিশিয়ে নিন। শসার ভিটামিন বি ও বায়োটিন ত্বকের কালচে দাগ দূর করে।
পঞ্চম ধাপ
এবার বগলের নিচে ক্লিনজার দিয়ে ভালো করে পরিষ্কার করে মুছে নিন। একটি তুলার বলে মিশ্রণ নিয়ে বগলের নিচে লাগান। ১৫ থেকে ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন।
ষষ্ঠ ধাপ
এখন একটি তোয়ালে গরম পানিতে ভিজিয়ে বগলের নিচে মুছে নিন। ভালো করে শুকিয়ে ওই অংশে কয়েক ফোঁটা গোলাপজল লাগান।
প্রথম ধাপ
প্রথমে একটি বাটিতে একটি বড় আলুর খোসা ছাড়িয়ে কুচি করে নিন। এই আলু ব্লেন্ডারে ভালো করে ব্লেন্ড করে একটি সুতির কাপড়ে চিপে এর রস বের করে নিন। আলুর রস প্রাকৃতিক ব্লিচের কাজ করে যা ত্বককে উজ্জ্বল করতে সাহায্য করে।
দ্বিতীয় ধাপ
এবার এর মধ্যে পাঁচ ফোঁটা লেবুর রস দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন। লেবুর রসের সাইট্রিক এসিড ত্বকের মরা কোষ দূর করে এবং এর ভিটামিন সি ত্বকের মেছতা দূর করতে কার্যকর।
তৃতীয় ধাপ
এই মিশ্রণের মধ্যে সামান্য হলুদের গুঁড়ো দিন। হলুদের গুঁড়ো ত্বকের অতিরিক্ত তেলতেলে ভাব দূর করে এবং ব্রণের জীবাণু ধ্বংস করতে সাহায্য করে।
চতুর্থ ধাপ
অর্ধেকটা শসা খোসা ছাড়িয়ে ব্লেন্ড করে এর রস বের করে নিন। এবার এক চা চামচ শসার রস এই মিশ্রণের সঙ্গে মিশিয়ে নিন। শসার ভিটামিন বি ও বায়োটিন ত্বকের কালচে দাগ দূর করে।
পঞ্চম ধাপ
এবার বগলের নিচে ক্লিনজার দিয়ে ভালো করে পরিষ্কার করে মুছে নিন। একটি তুলার বলে মিশ্রণ নিয়ে বগলের নিচে লাগান। ১৫ থেকে ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন।
ষষ্ঠ ধাপ
এখন একটি তোয়ালে গরম পানিতে ভিজিয়ে বগলের নিচে মুছে নিন। ভালো করে শুকিয়ে ওই অংশে কয়েক ফোঁটা গোলাপজল লাগান।
Monday, 3 April 2017
সিঙ্গেল নারীকে যে পাঁচ কথা শুনতে হয়
এটা সত্যি যে আমাদের সমাজে একা একটি নারীর জীবনযাপন করা খুবই কঠিন। সে
চাইলেই পুরুষদের মতো একা স্বাধীন থাকতে পারে না। কারণ সমাজ এ বিষয়ে সম্মতি
দেয় না। আর পাশের বাসার আন্টি, মামাতো-ফুপাতো বোনেরা ও সহকর্মীরা তো
রয়েছেই। সবার একটাই চিন্তা, তুমি এখনো একা? যেন একা থাকাটা অপরাধ!
টাইমস অব ইন্ডিয়ায় এমন কিছু কথা তুলে ধরা হয়েছে যা একজন সিঙ্গেল নারী সবসময়ই শুনে থাকে। জেনে নিন, কোন কথাগুলো একজন সিঙ্গেল নারীকে কখনোই বলতে নেই
১. তুমি এখনো তোমার সত্যিকারের জীবনসঙ্গী খুঁজে পাওনি?
একজন সিঙ্গেল নারী খুব ভালো করেই জানে কীভাবে তাকে বাঁচতে হবে। কিন্তু আশপাশের মানুষের যে তাকে নিয়ে কৌতুহলের শেষ নেই। একটু উপহাস করেই জানতে চায়, ‘তুমি এখনো তোমার সত্যিকারের জীবনসঙ্গী খুঁজে পাওনি?’ এ কথাটি হরহামেশাই তাদের শুনতে হয়। আচ্ছা এসব মানুষ কেন বুঝতে চায় না যে, মনের মিল না হলে, পারিপার্শ্বিকতা না মিললে জোর করে কী জীবনসঙ্গী বাছাই করা যায়?
২. তোমার বয়স বেড়ে যাচ্ছে
বিয়ে করতে একটু দেরি হলেই এই কথা নারীদের শুনতে হয়। যেন পুরুষদের যত বয়সই হোক না কেন তারা যেকোনো সময়ই বিয়ে করতে সক্ষম। আর নারীদের বয়স বেড়ে যাচ্ছে তাই বলে না চাইলেও বিয়ে করতে হবে? এটা কেমন নিয়ম? বয়স সবারই বাড়ে। তাই বলে নিজের ইচ্ছের কোনো দাম নেই? হতে পারে সে এখনো তাকে বোঝার মতো কাউকে খুঁজে পায়নি।
৩. তুমি মনে হয় ঠিকমতো চেষ্টা করছ না
এটা কী কোনো পরীক্ষা? যে আগের দিন রাতে খুব চেষ্টা করে পরের দিন সকালে পরীক্ষা দিলাম। জীবনসঙ্গী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে ‘চেষ্টা’ করার কথাটি না বলাই ভালো। আর তাকে এত বিরক্ত করাও ঠিক না। কারণ সে অবশ্যই মনে মনে ঠিক করে রেখেছে যে, কখন বিয়ে করবে আর কখন সংসার। তাই তাকে তার মতো থাকতে দিন।
৪. একটা ভালো ছেলে হাতছাড়া করে ফেললে
পাত্র দেখার পর যদি কোনো মেয়ে বিয়ে করতে রাজি না হয়, তাহলে তার আত্মীয়স্বজনদের কাছ থেকে এই কথা শুনতেই হয়। যা খুবই বিরক্তিকর। কে ভালো, কে মন্দ- এই বিচার করার ক্ষমতা কারো নেই। তাই অযথা এমন কথা বলে তার মধ্যে অনুতাপ সৃষ্টি করার কোনো মানে নেই।
৫. একজন ভালো ঘটক খুঁজে বের করো
যখন আর কিছুতেই কিছু হচ্ছে না, তখন ঘটক ছাড়া আর উপায় নেই। তার ওপর এখন অনলাইন ম্যারেজ মিডিয়ারও বেশ রমরমা অবস্থা। সেখানে কেন দেখছ না? এত উপদেশ না দিয়ে তাকে সময় দিন। দেখবেন সে নিজেই নিজের জীবনসঙ্গী খুঁজে নিতে সক্ষম হবে।
টাইমস অব ইন্ডিয়ায় এমন কিছু কথা তুলে ধরা হয়েছে যা একজন সিঙ্গেল নারী সবসময়ই শুনে থাকে। জেনে নিন, কোন কথাগুলো একজন সিঙ্গেল নারীকে কখনোই বলতে নেই
১. তুমি এখনো তোমার সত্যিকারের জীবনসঙ্গী খুঁজে পাওনি?
একজন সিঙ্গেল নারী খুব ভালো করেই জানে কীভাবে তাকে বাঁচতে হবে। কিন্তু আশপাশের মানুষের যে তাকে নিয়ে কৌতুহলের শেষ নেই। একটু উপহাস করেই জানতে চায়, ‘তুমি এখনো তোমার সত্যিকারের জীবনসঙ্গী খুঁজে পাওনি?’ এ কথাটি হরহামেশাই তাদের শুনতে হয়। আচ্ছা এসব মানুষ কেন বুঝতে চায় না যে, মনের মিল না হলে, পারিপার্শ্বিকতা না মিললে জোর করে কী জীবনসঙ্গী বাছাই করা যায়?
২. তোমার বয়স বেড়ে যাচ্ছে
বিয়ে করতে একটু দেরি হলেই এই কথা নারীদের শুনতে হয়। যেন পুরুষদের যত বয়সই হোক না কেন তারা যেকোনো সময়ই বিয়ে করতে সক্ষম। আর নারীদের বয়স বেড়ে যাচ্ছে তাই বলে না চাইলেও বিয়ে করতে হবে? এটা কেমন নিয়ম? বয়স সবারই বাড়ে। তাই বলে নিজের ইচ্ছের কোনো দাম নেই? হতে পারে সে এখনো তাকে বোঝার মতো কাউকে খুঁজে পায়নি।
৩. তুমি মনে হয় ঠিকমতো চেষ্টা করছ না
এটা কী কোনো পরীক্ষা? যে আগের দিন রাতে খুব চেষ্টা করে পরের দিন সকালে পরীক্ষা দিলাম। জীবনসঙ্গী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে ‘চেষ্টা’ করার কথাটি না বলাই ভালো। আর তাকে এত বিরক্ত করাও ঠিক না। কারণ সে অবশ্যই মনে মনে ঠিক করে রেখেছে যে, কখন বিয়ে করবে আর কখন সংসার। তাই তাকে তার মতো থাকতে দিন।
৪. একটা ভালো ছেলে হাতছাড়া করে ফেললে
পাত্র দেখার পর যদি কোনো মেয়ে বিয়ে করতে রাজি না হয়, তাহলে তার আত্মীয়স্বজনদের কাছ থেকে এই কথা শুনতেই হয়। যা খুবই বিরক্তিকর। কে ভালো, কে মন্দ- এই বিচার করার ক্ষমতা কারো নেই। তাই অযথা এমন কথা বলে তার মধ্যে অনুতাপ সৃষ্টি করার কোনো মানে নেই।
৫. একজন ভালো ঘটক খুঁজে বের করো
যখন আর কিছুতেই কিছু হচ্ছে না, তখন ঘটক ছাড়া আর উপায় নেই। তার ওপর এখন অনলাইন ম্যারেজ মিডিয়ারও বেশ রমরমা অবস্থা। সেখানে কেন দেখছ না? এত উপদেশ না দিয়ে তাকে সময় দিন। দেখবেন সে নিজেই নিজের জীবনসঙ্গী খুঁজে নিতে সক্ষম হবে।
অফিসে নারীরা কী করবেন, কী করবেন না
আজকাল অফিসে নারী-পুরুষ সমানভাবে কাজ করছেন। নারীরা পুরুষদের থেকে কোনো
অংশেই কম নয়। এমনকি অফিসের বড় বড় পদেও নারীরা তাঁদের জায়গা করে নিয়েছেন।
চেষ্টা আর যোগ্যতা থাকলে সাফল্য আসবেই। তবে এর সঙ্গে মেনে চলতে হবে কিছু
আদবকেতা। নারীদের জন্য কর্মক্ষেত্রে এগুলো মেনে চলা খুবই জরুরি।
অফিসে নারীরা কী করবেন, কী করবেন না তার একটি তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে জীবনধারাবিষয়ক আইডিভা ওয়েসাইটে। আপনি চাইলে এই পরামর্শগুলো একবার দেখে নিতে পারেন।
সবসময় নিজের পুরো নাম বলবেন
অফিসে যখন নিজেকে পরিচয় করিয়ে দিবেন তখন অবশ্যই নিজের পুরো নাম বলবেন। পরিবার বা বন্ধুরা কী নামে ডাকে সেগুলো অফিসে না বলাই ভালো। অফিসের সহকর্মী হোক কিংবা বাইরের ক্লায়েন্ট হোক, সবার কাছেই নিজের পুরো নাম বলবেন।
দাঁড়িয়ে হাত মেলান
আপনি যদি ডেস্কে বসে থাকেন, তখন কেউ একজন আপনার সঙ্গে পরিচিত হতে এলে তখন অবশ্যই দাঁড়িয়ে তাঁর সঙ্গে হাত মেলাবেন এবং ছোট করে নিজের পরিচয় দেবেন।
ইমেইলে নিজের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি রাখুন
নিজের ইমেইলে ছোট করে হলেও পরিচয় লিখে রাখুন। নাম, পদবি, কোন সংস্থা ও কোন বিভাগে কাজ করছেন তা লিখে রাখুন। যাতে, যার কাছেই মেইল পাঠান সে আপনার পরিচয় জানতে পারে এবং সেই অনুযায়ী সাড়া দেয়।
অফিসে থাকা অবস্থায় বারবার চুলের ভিতর হাত দিবেন না
অনেকেরই চুলে বারবার আঙুল দেওয়ার অভ্যাস আছে। হয়তো কোনো প্রেজেন্টেশন দিচ্ছেন অথবা কোনো অফিসিয়াল মিটিংয়ে আছেন তখন চুলের ভিতর ভুলেও হাত দিবেন না। এতে অন্যের মনোযোগ নষ্ট হতে পারে এবং আপনাকেও অন্যমনস্ক মনে হবে। তাই অফিসে চুল পরিপাটি করে বেঁধে আসার চেষ্টা করুন।
ইমেইলে শুধু ‘সরি’ লিখবেন না
অনেক সময় কাজ দেরিতে শেষ হতে পারে। এ ক্ষেত্রে ক্লায়েন্টকে শুধু ‘আই এম সরি’ এই কথাটি না লেখাই ভালো। এর পরিবর্তে ‘আই অ্যাপোলোজাইস ফর...’ এভাবে মেইল পাঠাতে পারেন। এটা ফরমাল উপায়ে দুঃখিত হওয়া বোঝায়।
অফিসে রাগ করে ব্যক্তিগত বিষয়ে কথা বলবেন না
অফিসে অনেক বিষয়েই আপনার রাগ হতে পারে। তবে সাবধান, সহকর্মীর ব্যক্তিগত কোনো বিষয় নিয়ে কথা বলবেন না। এটা কোনো পেশাদারি আচরণ না।
অফিসে পরিপাটি পোশাক পরুন
কোনো পার্টি পোশাক অথবা বাসায় পরার মতো পোশাক অফিসে না পরাই ভালো। সবসময় পরিপাটি পোশাক পরে অফিসে আসার চেষ্টা করুন। আর অতিরিক্ত মেকআপও এড়িয়ে চলুন।
অন্যের কথার মাঝে কথা না বলাই ভালো
অফিস কোনো কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস না, যেখানে বন্ধুদের কথার মাঝে যা ইচ্ছে তাই বলতে পারবেন। অফিসে অন্যের কথার মাঝে কথা না বলাই ভালো। আগে কথা শুনুন, এরপর উত্তর দিন।
কোনো মেইল পাঠানোর আগে বারবার পড়ুন
যখন আপনি কোনো মেইল লিখবেন তখন বারবার পড়ে দেখুন ঠিক আছে কি না। সেটা সহকর্মীকে হোক, বসকে হোক কিংবা ক্লায়েন্টকে হোক। ভুল থাকলে সেই মেইল কখনোই পাঠাবেন না। প্রয়োজন হলে অন্যের সাহায্য নিন। তবুও সঠিক মেইল পাঠানোর চেষ্টা করুন।
অফিসে অযথা ঝামেলায় জড়াবেন না
সহকর্মীর সঙ্গে খুব বেশি বন্ধুত্বও ভালো না আবার শত্রুতাও ভালো না। কোনো বিষয়ে অযথা ঝামেলায় জড়াবেন না। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানলে এতে দুজনেরই ক্ষতি হতে পারে। তাই সবসময় ঝামেলা এড়িয়ে চলার চেষ্টা করুন।
অফিসে নারীরা কী করবেন, কী করবেন না তার একটি তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে জীবনধারাবিষয়ক আইডিভা ওয়েসাইটে। আপনি চাইলে এই পরামর্শগুলো একবার দেখে নিতে পারেন।
সবসময় নিজের পুরো নাম বলবেন
অফিসে যখন নিজেকে পরিচয় করিয়ে দিবেন তখন অবশ্যই নিজের পুরো নাম বলবেন। পরিবার বা বন্ধুরা কী নামে ডাকে সেগুলো অফিসে না বলাই ভালো। অফিসের সহকর্মী হোক কিংবা বাইরের ক্লায়েন্ট হোক, সবার কাছেই নিজের পুরো নাম বলবেন।
দাঁড়িয়ে হাত মেলান
আপনি যদি ডেস্কে বসে থাকেন, তখন কেউ একজন আপনার সঙ্গে পরিচিত হতে এলে তখন অবশ্যই দাঁড়িয়ে তাঁর সঙ্গে হাত মেলাবেন এবং ছোট করে নিজের পরিচয় দেবেন।
ইমেইলে নিজের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি রাখুন
নিজের ইমেইলে ছোট করে হলেও পরিচয় লিখে রাখুন। নাম, পদবি, কোন সংস্থা ও কোন বিভাগে কাজ করছেন তা লিখে রাখুন। যাতে, যার কাছেই মেইল পাঠান সে আপনার পরিচয় জানতে পারে এবং সেই অনুযায়ী সাড়া দেয়।
অফিসে থাকা অবস্থায় বারবার চুলের ভিতর হাত দিবেন না
অনেকেরই চুলে বারবার আঙুল দেওয়ার অভ্যাস আছে। হয়তো কোনো প্রেজেন্টেশন দিচ্ছেন অথবা কোনো অফিসিয়াল মিটিংয়ে আছেন তখন চুলের ভিতর ভুলেও হাত দিবেন না। এতে অন্যের মনোযোগ নষ্ট হতে পারে এবং আপনাকেও অন্যমনস্ক মনে হবে। তাই অফিসে চুল পরিপাটি করে বেঁধে আসার চেষ্টা করুন।
ইমেইলে শুধু ‘সরি’ লিখবেন না
অনেক সময় কাজ দেরিতে শেষ হতে পারে। এ ক্ষেত্রে ক্লায়েন্টকে শুধু ‘আই এম সরি’ এই কথাটি না লেখাই ভালো। এর পরিবর্তে ‘আই অ্যাপোলোজাইস ফর...’ এভাবে মেইল পাঠাতে পারেন। এটা ফরমাল উপায়ে দুঃখিত হওয়া বোঝায়।
অফিসে রাগ করে ব্যক্তিগত বিষয়ে কথা বলবেন না
অফিসে অনেক বিষয়েই আপনার রাগ হতে পারে। তবে সাবধান, সহকর্মীর ব্যক্তিগত কোনো বিষয় নিয়ে কথা বলবেন না। এটা কোনো পেশাদারি আচরণ না।
অফিসে পরিপাটি পোশাক পরুন
কোনো পার্টি পোশাক অথবা বাসায় পরার মতো পোশাক অফিসে না পরাই ভালো। সবসময় পরিপাটি পোশাক পরে অফিসে আসার চেষ্টা করুন। আর অতিরিক্ত মেকআপও এড়িয়ে চলুন।
অন্যের কথার মাঝে কথা না বলাই ভালো
অফিস কোনো কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস না, যেখানে বন্ধুদের কথার মাঝে যা ইচ্ছে তাই বলতে পারবেন। অফিসে অন্যের কথার মাঝে কথা না বলাই ভালো। আগে কথা শুনুন, এরপর উত্তর দিন।
কোনো মেইল পাঠানোর আগে বারবার পড়ুন
যখন আপনি কোনো মেইল লিখবেন তখন বারবার পড়ে দেখুন ঠিক আছে কি না। সেটা সহকর্মীকে হোক, বসকে হোক কিংবা ক্লায়েন্টকে হোক। ভুল থাকলে সেই মেইল কখনোই পাঠাবেন না। প্রয়োজন হলে অন্যের সাহায্য নিন। তবুও সঠিক মেইল পাঠানোর চেষ্টা করুন।
অফিসে অযথা ঝামেলায় জড়াবেন না
সহকর্মীর সঙ্গে খুব বেশি বন্ধুত্বও ভালো না আবার শত্রুতাও ভালো না। কোনো বিষয়ে অযথা ঝামেলায় জড়াবেন না। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানলে এতে দুজনেরই ক্ষতি হতে পারে। তাই সবসময় ঝামেলা এড়িয়ে চলার চেষ্টা করুন।
৯টি শারীরিক ভঙ্গির কারণে ভুল বোঝাবুঝি
কথা বলার সময় শারীরিক অঙ্গভঙ্গি আমরা সবাই করি। একেকজন একেকভাবে হাত
নাড়েন, কেউ হয়তো মাথা নাড়ান, কেউ হয়তো আনমনেই হাত রেখে দেন গালে। এই বিষয়টি
হয়তো আমরা খুব গুরুত্ব দিয়ে দেখি না, কিন্তু দেখা উচিত। ইনডিপেনডেন্টের
একটি প্রতিবেদন বলছে, আপনার অসচেতন কিছু অঙ্গভঙ্গির মানুষজন আপনাকে ভুল
বুঝতে পারে।
১. মাথা বারবার পেছনের দিকে নাড়ানো
এর মানে হলো, আপনি কোনো জিনিসই সহজে মেনে নিতে চান না। কাজেই কোনো বিষয়ে আপনি মেনে নেওয়ার কথা বললেও আসলে বিষয়টি মানতে পারছেন না।
২. চোখে চোখ না রেখে কথা শুনে যাওয়া
এর মানে অনেকেই ধরে নিতে পারে যে আপনি তাঁর কথা মোটেও মনোযোগ দিয়ে শুনছেন না। প্রেমিকার সামনে এমন আচরণ ভুলেও করবেন না!
৩. কথা বলার সময় নিজের মুখ নিজে স্পর্শ করা
এর মানে হতে পারে আপনি আসলে যা বলছেন, তা বানিয়ে বলছেন, এটি মোটেও সত্য নয়।
৪. কথা বলার সময় হাত পকেটে রাখা
আপনি আসলে কোনো একটা বিষয় লুকোতে চাইছেন, গোপন করতে চাইছেন।
৫. খুব ধীরে শারীরিক প্রতিক্রিয়া দেখানো
আপনি আসল কথাটা বলতে চাইছেন না। আপনার উদ্দেশ্য এক, কথা আরেক!
৬. সামনের দিকে হাত বেঁধে রাখা
আপনি কোনো একটা বিষয় লুকোতে চাইছেন, ভয় পাচ্ছেন।
৭. মুষ্টিবদ্ধ হাত
আপনি আপনার ক্ষমতা, আগ্রাসন প্রকাশ করতে চাইছেন কথার আড়ালে।
৮. একদিকে ঘাড় নাড়ানো
আপনি কোনো বিষয়ে মিথ্যে কথা বলছেন।
৯. বেশি দূরে সরে যাওয়া
আপনি পুরো বিষয়টি এড়িয়ে যেতে চান।
১. মাথা বারবার পেছনের দিকে নাড়ানো
এর মানে হলো, আপনি কোনো জিনিসই সহজে মেনে নিতে চান না। কাজেই কোনো বিষয়ে আপনি মেনে নেওয়ার কথা বললেও আসলে বিষয়টি মানতে পারছেন না।
২. চোখে চোখ না রেখে কথা শুনে যাওয়া
এর মানে অনেকেই ধরে নিতে পারে যে আপনি তাঁর কথা মোটেও মনোযোগ দিয়ে শুনছেন না। প্রেমিকার সামনে এমন আচরণ ভুলেও করবেন না!
৩. কথা বলার সময় নিজের মুখ নিজে স্পর্শ করা
এর মানে হতে পারে আপনি আসলে যা বলছেন, তা বানিয়ে বলছেন, এটি মোটেও সত্য নয়।
৪. কথা বলার সময় হাত পকেটে রাখা
আপনি আসলে কোনো একটা বিষয় লুকোতে চাইছেন, গোপন করতে চাইছেন।
৫. খুব ধীরে শারীরিক প্রতিক্রিয়া দেখানো
আপনি আসল কথাটা বলতে চাইছেন না। আপনার উদ্দেশ্য এক, কথা আরেক!
৬. সামনের দিকে হাত বেঁধে রাখা
আপনি কোনো একটা বিষয় লুকোতে চাইছেন, ভয় পাচ্ছেন।
৭. মুষ্টিবদ্ধ হাত
আপনি আপনার ক্ষমতা, আগ্রাসন প্রকাশ করতে চাইছেন কথার আড়ালে।
৮. একদিকে ঘাড় নাড়ানো
আপনি কোনো বিষয়ে মিথ্যে কথা বলছেন।
৯. বেশি দূরে সরে যাওয়া
আপনি পুরো বিষয়টি এড়িয়ে যেতে চান।
ইন্টারভিউতে নারীরা পোশাক বাছাইয়ে সাবধান!
হতে পারে চাকরিটির জন্য আপনি অনেক বেশি যোগ্য, সঠিক কর্মী তবু আপনার
চাকরিটি না হওয়ার আশঙ্কা থাকতে পারে। যদি আপনি পোশাক বাছাইয়ে ভুল করেন।
ইন্টারভিউ বোর্ডে যাঁরা ছিলেন, তাদের হয়তো বিষয়টি ভালো লাগেনি। তাদের কাছে
আপনাকে মার্জিত মনে হয়নি। মনে রাখবেন, চাকরি পাওয়ার জন্য যোগ্যতার পাশাপাশি
ব্যক্তিত্বের বহিঃপ্রকাশও অনেক বেশি জরুরি।
নারীরা এ ক্ষেত্রে রিডার্স ডাইজেস্টের এই পরামর্শগুলো একবার দেখে নিতে পারেন, যা আপনার ইন্টারভিউতে কাজে লাগবে।
১. যে কোম্পানিতে ইন্টারভিউ দিতে যাচ্ছেন সেখানখার পরিবেশ সম্বন্ধে আগেই ধারণা নিয়ে নিন। কোন ধরনের পোশাক সচরাচর সেই অফিসে পরা হয়, সেটা জানার চেষ্টা করুন। সাধারণত মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিগুলোতে পশ্চিমা পোশাকে কোনো ধরাবাঁধা নিয়ম থাকে না। আবার অনেক অফিসে এ ধরনের পোশাকের ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। যে অফিসের যেমন পরিবেশ, সেখানে তেমনই পোশাক পরে যান, যদি সেই পোশাকে আপনি স্বাচ্ছন্দ্য অনুভব করেন।
২. খুব বেশি হাইহিল ইন্টারভিউর সময় না পরাই ভালো। কারণ যখন আপনি ইন্টারভিউর রুমে ঢুকবেন তখন হাইহিলের কারণে হাঁটার সময় শব্দ হতে পারে। যা আপনার ব্যক্তিত্বের ওপর প্রভাব ফেলবে। আবার একেবারে ফ্লাট জুতা আপনার পোশাকের সঙ্গে বেমানান লাগতে পারে। তাই পোশাক অনুযায়ী জুতা বাছাই করুন।
৩. পুরোনো পোশাক না পরাই ভালো। ইন্টারভিউ উপলক্ষে পারলে নতুন পোশাক কিনে ফেলুন। কারণ পুরোনো পোশাক এখন আপনার শরীরে ফিট নাও হতে পারে। এই পোশাক পরে আপনি ইন্টারভিউতে অস্বস্তি বোধ করতে পারেন।
৪. যে রঙের পোশাক আপনাকে মানায় সেটা বাছাই করুন। অনেক সময় উজ্জ্বল রং খুব চোখে লাগে। তাই হালকা রং বাছাইয়ের চেষ্টা করুন। আর পরিপাটি থাকুন। এতে আপনাকে অনেক স্মার্ট লাগবে।
৫. গলায় ভারী গয়না ভুলেও পরবেন না। এতে যিনি ইন্টারভিউ নেবেন, তাঁর মনোযোগ নষ্ট হতে পারে। তাই কানে ছোট দুল পরুন এবং গলা খালি রাখুন। আর হাতে ঘড়ি ছাড়া কিছু না পরাই ভালো।
৬. প্রিন্টের পোশাকের থেকে একরঙা পোশাক ইন্টারভিউতে পরা ভালো। কারণ প্রিন্টের পোশাক অনেক বেশি চোখে লাগে। আর একরঙা পোশাকে আপনাকে বেশ মার্জিত লাগবে।
৭. ভুলেও পার্টি পোশাক বাছাই করবেন না। হতে পারে পোশাকটা পরলে আপনাকে অনেক সুন্দর লাগে। কিন্তু এটা অফিসের জন্য একেবারেই মানানসই নয়।
নারীরা এ ক্ষেত্রে রিডার্স ডাইজেস্টের এই পরামর্শগুলো একবার দেখে নিতে পারেন, যা আপনার ইন্টারভিউতে কাজে লাগবে।
১. যে কোম্পানিতে ইন্টারভিউ দিতে যাচ্ছেন সেখানখার পরিবেশ সম্বন্ধে আগেই ধারণা নিয়ে নিন। কোন ধরনের পোশাক সচরাচর সেই অফিসে পরা হয়, সেটা জানার চেষ্টা করুন। সাধারণত মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিগুলোতে পশ্চিমা পোশাকে কোনো ধরাবাঁধা নিয়ম থাকে না। আবার অনেক অফিসে এ ধরনের পোশাকের ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। যে অফিসের যেমন পরিবেশ, সেখানে তেমনই পোশাক পরে যান, যদি সেই পোশাকে আপনি স্বাচ্ছন্দ্য অনুভব করেন।
২. খুব বেশি হাইহিল ইন্টারভিউর সময় না পরাই ভালো। কারণ যখন আপনি ইন্টারভিউর রুমে ঢুকবেন তখন হাইহিলের কারণে হাঁটার সময় শব্দ হতে পারে। যা আপনার ব্যক্তিত্বের ওপর প্রভাব ফেলবে। আবার একেবারে ফ্লাট জুতা আপনার পোশাকের সঙ্গে বেমানান লাগতে পারে। তাই পোশাক অনুযায়ী জুতা বাছাই করুন।
৩. পুরোনো পোশাক না পরাই ভালো। ইন্টারভিউ উপলক্ষে পারলে নতুন পোশাক কিনে ফেলুন। কারণ পুরোনো পোশাক এখন আপনার শরীরে ফিট নাও হতে পারে। এই পোশাক পরে আপনি ইন্টারভিউতে অস্বস্তি বোধ করতে পারেন।
৪. যে রঙের পোশাক আপনাকে মানায় সেটা বাছাই করুন। অনেক সময় উজ্জ্বল রং খুব চোখে লাগে। তাই হালকা রং বাছাইয়ের চেষ্টা করুন। আর পরিপাটি থাকুন। এতে আপনাকে অনেক স্মার্ট লাগবে।
৫. গলায় ভারী গয়না ভুলেও পরবেন না। এতে যিনি ইন্টারভিউ নেবেন, তাঁর মনোযোগ নষ্ট হতে পারে। তাই কানে ছোট দুল পরুন এবং গলা খালি রাখুন। আর হাতে ঘড়ি ছাড়া কিছু না পরাই ভালো।
৬. প্রিন্টের পোশাকের থেকে একরঙা পোশাক ইন্টারভিউতে পরা ভালো। কারণ প্রিন্টের পোশাক অনেক বেশি চোখে লাগে। আর একরঙা পোশাকে আপনাকে বেশ মার্জিত লাগবে।
৭. ভুলেও পার্টি পোশাক বাছাই করবেন না। হতে পারে পোশাকটা পরলে আপনাকে অনেক সুন্দর লাগে। কিন্তু এটা অফিসের জন্য একেবারেই মানানসই নয়।
অফিসের ওয়াশরুমে কী করবেন, কী করবেন না
অফিসের ওয়াশরুম সঠিকভাবে ব্যবহার করাটাও এক ধরনের ভদ্রতা। এখানে আপনাকে
সব সময়ই কিছু নিয়ম মেনে চলতে হবে। অফিসের ওয়াশরুমে কী করবেন আর কী করবেন
না, সে সম্বন্ধে কয়েকটি পরামর্শ দেওয়া হয়েছে ম্যানেজমেন্ট স্টাডি গাইড
ওয়েবসাইটে। এক নজরে দেখে নিন।
১. অনেকেই অফিসের ওয়াশরুমে ফ্লাশ করতে ভুলে যান। এই কাজটা করা ঠিক না। যত ব্যস্ততাই থাকুক না কেন, ওয়াশরুম নোংরা অবস্থায় রেখে যাবেন না।
২. ওয়াশরুমে ঢোকার পর অবশ্যই দরজা ভালো করে লাগাবেন। না হলে বিব্রতকর অবস্থায় পড়তে পারেন। ভুলে যাবেন না, এটা বাসা না। আর বাসায়ও ওয়াশরুমের দরজার বিষয়ে সচেতন থাকা উচিত।
৩. কেউ যদি আগে থেকেই ওয়াশরুমে থেকে থাকে তাহলে বারবার দরজা টোকা দিবেন না। এটা খুবই অস্বস্তিকর এবং লজ্জাজনকও বটে। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। এই ভদ্রতাজ্ঞান সবার মধ্যেই থাকা জরুরি।
৪. অনেক সময়ই নারী কর্মীরা তাদের হ্যান্ডব্যাগ নিয়ে ওয়াশরুমে ঢুকে প্রয়োজনের চেয়ে অনেক বেশি সময় ব্যয় করে। এতে অন্য সহকর্মীরা বিরক্ত হতে পারে। যতটা সম্ভব ওয়াশরুম থেকে দ্রুত বেরিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করুন।
৫. কমোডের বসার জায়গা পানি দিয়ে ভেজাবেন না। আর যদি ভিজে যায় তাহলে নিজ দায়িত্বে মুছে ফেলুন। কারণ আপনার পর যিনি ওয়াশরুমে যাবেন তাঁর জন্য এটা খুবই অস্বস্তিকর। আর ওয়াশরুমের মেঝেতে যেন পানি না পড়ে সেদিকে খেয়াল রাখুন। না হলে যেকোনো দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
৬. ওয়াশরুম নোংরা থাকলে কিংবা ফ্লাশ কাজ না করলে কর্মীদের ডেকে ঠিক করতে বলুন। অন্য সময়ে আপনিও ওয়াশরুমে গেলে এমন বিব্রতকর অবস্থায় পড়তে পারেন।
৭. কমোডে টিস্যু ফেলার অভ্যাস অনেকেরই আছে। এই অভ্যাস ত্যাগ করুন। কারণ অনেক সময়ই কমোডে টিস্যু ফেলার জন্য পাইপ জ্যাম হয়ে যেতে পারে। তাই এই বিষয়ে সচেতন থাকা জরুরি।
৮. অফিসের ওয়াশরুমের কল ছেড়ে রাখবেন না। ওয়াশরুম থেকে বের হওয়ার সময় ভালো করে এই বিষয়টি খেয়াল করুন। পানির অপচয় না করাই ভালো, সেটা বাসা হোক কিংবা অফিস।
৯. অফিসের ওয়াশরুমে কখনোই ধূমপান করবেন না। এটা অন্য সহকর্মীদের জন্য বিব্রতকর। এমনকি যারা ধূমপান করেন না তাদের জন্যও বিষয়টি ক্ষতিকর।
১০. অফিসের ওয়াশরুমে সহকর্মীর সঙ্গে মজা করতে গিয়ে বাইরে থেকে লাইট বন্ধ করে দেবেন না। অফিসে এই ধরনের আচরণ একমদই মানায় না।
১. অনেকেই অফিসের ওয়াশরুমে ফ্লাশ করতে ভুলে যান। এই কাজটা করা ঠিক না। যত ব্যস্ততাই থাকুক না কেন, ওয়াশরুম নোংরা অবস্থায় রেখে যাবেন না।
২. ওয়াশরুমে ঢোকার পর অবশ্যই দরজা ভালো করে লাগাবেন। না হলে বিব্রতকর অবস্থায় পড়তে পারেন। ভুলে যাবেন না, এটা বাসা না। আর বাসায়ও ওয়াশরুমের দরজার বিষয়ে সচেতন থাকা উচিত।
৩. কেউ যদি আগে থেকেই ওয়াশরুমে থেকে থাকে তাহলে বারবার দরজা টোকা দিবেন না। এটা খুবই অস্বস্তিকর এবং লজ্জাজনকও বটে। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। এই ভদ্রতাজ্ঞান সবার মধ্যেই থাকা জরুরি।
৪. অনেক সময়ই নারী কর্মীরা তাদের হ্যান্ডব্যাগ নিয়ে ওয়াশরুমে ঢুকে প্রয়োজনের চেয়ে অনেক বেশি সময় ব্যয় করে। এতে অন্য সহকর্মীরা বিরক্ত হতে পারে। যতটা সম্ভব ওয়াশরুম থেকে দ্রুত বেরিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করুন।
৫. কমোডের বসার জায়গা পানি দিয়ে ভেজাবেন না। আর যদি ভিজে যায় তাহলে নিজ দায়িত্বে মুছে ফেলুন। কারণ আপনার পর যিনি ওয়াশরুমে যাবেন তাঁর জন্য এটা খুবই অস্বস্তিকর। আর ওয়াশরুমের মেঝেতে যেন পানি না পড়ে সেদিকে খেয়াল রাখুন। না হলে যেকোনো দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
৬. ওয়াশরুম নোংরা থাকলে কিংবা ফ্লাশ কাজ না করলে কর্মীদের ডেকে ঠিক করতে বলুন। অন্য সময়ে আপনিও ওয়াশরুমে গেলে এমন বিব্রতকর অবস্থায় পড়তে পারেন।
৭. কমোডে টিস্যু ফেলার অভ্যাস অনেকেরই আছে। এই অভ্যাস ত্যাগ করুন। কারণ অনেক সময়ই কমোডে টিস্যু ফেলার জন্য পাইপ জ্যাম হয়ে যেতে পারে। তাই এই বিষয়ে সচেতন থাকা জরুরি।
৮. অফিসের ওয়াশরুমের কল ছেড়ে রাখবেন না। ওয়াশরুম থেকে বের হওয়ার সময় ভালো করে এই বিষয়টি খেয়াল করুন। পানির অপচয় না করাই ভালো, সেটা বাসা হোক কিংবা অফিস।
৯. অফিসের ওয়াশরুমে কখনোই ধূমপান করবেন না। এটা অন্য সহকর্মীদের জন্য বিব্রতকর। এমনকি যারা ধূমপান করেন না তাদের জন্যও বিষয়টি ক্ষতিকর।
১০. অফিসের ওয়াশরুমে সহকর্মীর সঙ্গে মজা করতে গিয়ে বাইরে থেকে লাইট বন্ধ করে দেবেন না। অফিসে এই ধরনের আচরণ একমদই মানায় না।
অফিসের পার্টিতে কী করবেন, কী করবেন না
অফিসের পার্টি অন্য সব পার্টির থেকে আলাদা। মনে রাখবেন, এ ধরনের
পার্টিতে আপনি যেসব আচরণ করবেন, তার প্রভাব পড়বে আপনার ক্যারিয়ারের ওপর।
তাই বেশ সচেতন থাকতে হবে আপনাকে। অফিসের পার্টিতে কী করবেন আর কী করবেন না,
সে সম্পর্কে কিছু পরামর্শ দেওয়া হয়েছে ম্যানেজমেন্ট স্টাডি গাইড
ওয়েবসাইটে। একনজরে দেখে নিন :
১. পার্টিতে সময়মতো পৌঁছানোর চেষ্টা করুন। আপনি দেরি করে পৌঁছালে আপনার বস বিরক্ত হতে পারে। পারলে পার্টি শুরু হওয়ার আগে যান এবং ভালো করে খেয়াল করুন সবকিছু ঠিকঠাক আছে কি না।
২. পোশাকের বিষয়ে সাবধান! অনেকে পার্টির কথা শুনলেই হয় জমকালো সাজ দেয়, নয়তো ওয়েস্টার্ন আউটফিটে হাজির হয়। ভুলে যাবেন না এটা অফিসের পার্টি। তাই আপনি যা ইচ্ছা তাই পরতে পারেন না। মনে রাখবেন, সাধারণ সাজপোশাকই আপনাকে অসাধারণভাবে উপস্থাপন করবে।
৩. অফিসের পার্টিতে বাচ্চাদের না নিয়ে যাওয়াটাই বুদ্ধিমানের কাজ। এমনকি পরিবারে অন্য সদস্যদেরও নেবেন না। এতে আপনার সহকর্মীরা বিরক্ত হতে পারেন। কারণ, এটা কোনো পারিবারিক অনুষ্ঠান নয়। আর আপনার পরিবারের মানুষের সামনে অন্য সহকর্মীদের অস্বস্তি লাগতে পারে।
৪. পার্টিতে ভদ্রতা ও শালীনতা বজায় রাখুন। কারণ, এ ধরনের অনুষ্ঠানের আচরণই আপনার ব্যক্তিত্বকে উপস্থাপন করবে। আর আপনার বসও এই পার্টিতে আছে, এটা ভুলে গেলে তো চলবে না।
৫. বসের সঙ্গে সম্পর্ক ঝালাইয়ের ভালো উপায় হলো এ ধরনের পার্টি। তাই বসের দিকে খেয়াল রাখুন। নিজেকে বসের সামনে ভিন্নভাবে উপস্থাপনের সুযোগ পাবেন এখানে, যা পরে আপনার কাজে লাগতে পারে।
৬. সব সহকর্মীর সঙ্গেই আনন্দ করার চেষ্টা করুন। এ ধরনের পার্টিতে কাউকেই এড়িয়ে চলবেন না। কারণ, এ বিষয়টা অন্যদের চোখে লাগতে পারে। হতে পারে আপনি কোনো সহকর্মীকে পছন্দ করেন না। তবুও তাঁর সঙ্গে ভালোভাবে মেশার চেষ্টা করুন। আর কোনো এক কোনায় দাঁড়িয়ে থাকবেন না। এ ধরনের আচরণ আপনার ব্যক্তিত্বের ওপর অনেক বড় প্রভাব ফেলবে।
৭. হতে পারে পার্টিতে অনেক ধরনের অ্যালকোহলের ব্যবস্থা আছে। তবুও যতটা পারুন এগুলো এড়িয়ে চলুন। কারণ, অফিসের পার্টিতে অতিরিক্ত অ্যালকোহল পান করে মাতলামি করাটা আপনার ক্যারিয়ারের জন্যই ক্ষতিকর। এমনকি এ জন্য আপনি চাকরিও হারাতে পারেন।
৮. খাবার নেওয়ার সময় ভদ্রভাবে লাইনে দাঁড়ান। আগে নিতে গিয়ে পরিবেশ নষ্ট করবেন না। অবশ্যই আপনি খাবার নেওয়ার সুযোগ পাবেন। এমনটা ভাবার কোনো সুযোগ নেই যে আপনি আর পরে খাবার পাবেন না। তাই ঠেলাঠেলি না করে চুপচাপ খাবার নেওয়ার চেষ্টা করুন।
৯. প্লেটে অনেক বেশি খাবার নেবেন না। এতে অন্য সহকর্মীদের কাছে আপনি হাসির পাত্র হতে পারেন। কম কম করে খাবার নিন। একসঙ্গে অনেক খাবার না নিয়ে পরে গিয়ে আবার খাবার নিয়ে আসুন।
১০. অফিসের পার্টিতে নাচানাচি না করাটাই ভালো। হয়তো গান বা নাচের ব্যবস্থা থাকতে পারে পার্টিতে। তবুও এগুলো এড়িয়ে চলুন। এটা আপনার ব্যক্তিত্বের জন্যই ভালো।
১. পার্টিতে সময়মতো পৌঁছানোর চেষ্টা করুন। আপনি দেরি করে পৌঁছালে আপনার বস বিরক্ত হতে পারে। পারলে পার্টি শুরু হওয়ার আগে যান এবং ভালো করে খেয়াল করুন সবকিছু ঠিকঠাক আছে কি না।
২. পোশাকের বিষয়ে সাবধান! অনেকে পার্টির কথা শুনলেই হয় জমকালো সাজ দেয়, নয়তো ওয়েস্টার্ন আউটফিটে হাজির হয়। ভুলে যাবেন না এটা অফিসের পার্টি। তাই আপনি যা ইচ্ছা তাই পরতে পারেন না। মনে রাখবেন, সাধারণ সাজপোশাকই আপনাকে অসাধারণভাবে উপস্থাপন করবে।
৩. অফিসের পার্টিতে বাচ্চাদের না নিয়ে যাওয়াটাই বুদ্ধিমানের কাজ। এমনকি পরিবারে অন্য সদস্যদেরও নেবেন না। এতে আপনার সহকর্মীরা বিরক্ত হতে পারেন। কারণ, এটা কোনো পারিবারিক অনুষ্ঠান নয়। আর আপনার পরিবারের মানুষের সামনে অন্য সহকর্মীদের অস্বস্তি লাগতে পারে।
৪. পার্টিতে ভদ্রতা ও শালীনতা বজায় রাখুন। কারণ, এ ধরনের অনুষ্ঠানের আচরণই আপনার ব্যক্তিত্বকে উপস্থাপন করবে। আর আপনার বসও এই পার্টিতে আছে, এটা ভুলে গেলে তো চলবে না।
৫. বসের সঙ্গে সম্পর্ক ঝালাইয়ের ভালো উপায় হলো এ ধরনের পার্টি। তাই বসের দিকে খেয়াল রাখুন। নিজেকে বসের সামনে ভিন্নভাবে উপস্থাপনের সুযোগ পাবেন এখানে, যা পরে আপনার কাজে লাগতে পারে।
৬. সব সহকর্মীর সঙ্গেই আনন্দ করার চেষ্টা করুন। এ ধরনের পার্টিতে কাউকেই এড়িয়ে চলবেন না। কারণ, এ বিষয়টা অন্যদের চোখে লাগতে পারে। হতে পারে আপনি কোনো সহকর্মীকে পছন্দ করেন না। তবুও তাঁর সঙ্গে ভালোভাবে মেশার চেষ্টা করুন। আর কোনো এক কোনায় দাঁড়িয়ে থাকবেন না। এ ধরনের আচরণ আপনার ব্যক্তিত্বের ওপর অনেক বড় প্রভাব ফেলবে।
৭. হতে পারে পার্টিতে অনেক ধরনের অ্যালকোহলের ব্যবস্থা আছে। তবুও যতটা পারুন এগুলো এড়িয়ে চলুন। কারণ, অফিসের পার্টিতে অতিরিক্ত অ্যালকোহল পান করে মাতলামি করাটা আপনার ক্যারিয়ারের জন্যই ক্ষতিকর। এমনকি এ জন্য আপনি চাকরিও হারাতে পারেন।
৮. খাবার নেওয়ার সময় ভদ্রভাবে লাইনে দাঁড়ান। আগে নিতে গিয়ে পরিবেশ নষ্ট করবেন না। অবশ্যই আপনি খাবার নেওয়ার সুযোগ পাবেন। এমনটা ভাবার কোনো সুযোগ নেই যে আপনি আর পরে খাবার পাবেন না। তাই ঠেলাঠেলি না করে চুপচাপ খাবার নেওয়ার চেষ্টা করুন।
৯. প্লেটে অনেক বেশি খাবার নেবেন না। এতে অন্য সহকর্মীদের কাছে আপনি হাসির পাত্র হতে পারেন। কম কম করে খাবার নিন। একসঙ্গে অনেক খাবার না নিয়ে পরে গিয়ে আবার খাবার নিয়ে আসুন।
১০. অফিসের পার্টিতে নাচানাচি না করাটাই ভালো। হয়তো গান বা নাচের ব্যবস্থা থাকতে পারে পার্টিতে। তবুও এগুলো এড়িয়ে চলুন। এটা আপনার ব্যক্তিত্বের জন্যই ভালো।
Subscribe to:
Posts (Atom)

















