আজকাল অফিসে নারী-পুরুষ সমানভাবে কাজ করছেন। নারীরা পুরুষদের থেকে কোনো
অংশেই কম নয়। এমনকি অফিসের বড় বড় পদেও নারীরা তাঁদের জায়গা করে নিয়েছেন।
চেষ্টা আর যোগ্যতা থাকলে সাফল্য আসবেই। তবে এর সঙ্গে মেনে চলতে হবে কিছু
আদবকেতা। নারীদের জন্য কর্মক্ষেত্রে এগুলো মেনে চলা খুবই জরুরি।
অফিসে নারীরা কী করবেন, কী করবেন না তার একটি তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে
জীবনধারাবিষয়ক আইডিভা ওয়েসাইটে। আপনি চাইলে এই পরামর্শগুলো একবার দেখে নিতে
পারেন।
সবসময় নিজের পুরো নাম বলবেন
অফিসে যখন নিজেকে পরিচয় করিয়ে দিবেন তখন অবশ্যই নিজের পুরো নাম বলবেন।
পরিবার বা বন্ধুরা কী নামে ডাকে সেগুলো অফিসে না বলাই ভালো। অফিসের সহকর্মী
হোক কিংবা বাইরের ক্লায়েন্ট হোক, সবার কাছেই নিজের পুরো নাম বলবেন।
দাঁড়িয়ে হাত মেলান
আপনি যদি ডেস্কে বসে থাকেন, তখন কেউ একজন আপনার সঙ্গে পরিচিত হতে এলে
তখন অবশ্যই দাঁড়িয়ে তাঁর সঙ্গে হাত মেলাবেন এবং ছোট করে নিজের পরিচয় দেবেন।
ইমেইলে নিজের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি রাখুন
নিজের ইমেইলে ছোট করে হলেও পরিচয় লিখে রাখুন। নাম, পদবি, কোন সংস্থা ও
কোন বিভাগে কাজ করছেন তা লিখে রাখুন। যাতে, যার কাছেই মেইল পাঠান সে আপনার
পরিচয় জানতে পারে এবং সেই অনুযায়ী সাড়া দেয়।
অফিসে থাকা অবস্থায় বারবার চুলের ভিতর হাত দিবেন না
অনেকেরই চুলে বারবার আঙুল দেওয়ার অভ্যাস আছে। হয়তো কোনো প্রেজেন্টেশন
দিচ্ছেন অথবা কোনো অফিসিয়াল মিটিংয়ে আছেন তখন চুলের ভিতর ভুলেও হাত দিবেন
না। এতে অন্যের মনোযোগ নষ্ট হতে পারে এবং আপনাকেও অন্যমনস্ক মনে হবে। তাই
অফিসে চুল পরিপাটি করে বেঁধে আসার চেষ্টা করুন।
ইমেইলে শুধু ‘সরি’ লিখবেন না
অনেক সময় কাজ দেরিতে শেষ হতে পারে। এ ক্ষেত্রে ক্লায়েন্টকে শুধু ‘আই এম
সরি’ এই কথাটি না লেখাই ভালো। এর পরিবর্তে ‘আই অ্যাপোলোজাইস ফর...’ এভাবে
মেইল পাঠাতে পারেন। এটা ফরমাল উপায়ে দুঃখিত হওয়া বোঝায়।
অফিসে রাগ করে ব্যক্তিগত বিষয়ে কথা বলবেন না
অফিসে অনেক বিষয়েই আপনার রাগ হতে পারে। তবে সাবধান, সহকর্মীর ব্যক্তিগত কোনো বিষয় নিয়ে কথা বলবেন না। এটা কোনো পেশাদারি আচরণ না।
অফিসে পরিপাটি পোশাক পরুন
কোনো পার্টি পোশাক অথবা বাসায় পরার মতো পোশাক অফিসে না পরাই ভালো। সবসময়
পরিপাটি পোশাক পরে অফিসে আসার চেষ্টা করুন। আর অতিরিক্ত মেকআপও এড়িয়ে
চলুন।
অন্যের কথার মাঝে কথা না বলাই ভালো
অফিস কোনো কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস না, যেখানে বন্ধুদের কথার
মাঝে যা ইচ্ছে তাই বলতে পারবেন। অফিসে অন্যের কথার মাঝে কথা না বলাই ভালো।
আগে কথা শুনুন, এরপর উত্তর দিন।
কোনো মেইল পাঠানোর আগে বারবার পড়ুন
যখন আপনি কোনো মেইল লিখবেন তখন বারবার পড়ে দেখুন ঠিক আছে কি না। সেটা
সহকর্মীকে হোক, বসকে হোক কিংবা ক্লায়েন্টকে হোক। ভুল থাকলে সেই মেইল কখনোই
পাঠাবেন না। প্রয়োজন হলে অন্যের সাহায্য নিন। তবুও সঠিক মেইল পাঠানোর
চেষ্টা করুন।
অফিসে অযথা ঝামেলায় জড়াবেন না
সহকর্মীর সঙ্গে খুব বেশি বন্ধুত্বও ভালো না আবার শত্রুতাও ভালো না। কোনো
বিষয়ে অযথা ঝামেলায় জড়াবেন না। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানলে এতে দুজনেরই
ক্ষতি হতে পারে। তাই সবসময় ঝামেলা এড়িয়ে চলার চেষ্টা করুন।
Ads
Showing posts with label Life History. Show all posts
Showing posts with label Life History. Show all posts
Monday, 3 April 2017
যে কথাগুলো অফিসে বলা ঠিক না!
অফিসে সব কথা সব সময় বলা ঠিক না। এমনকি কিছু কথা আছে যা অফিসে বলা
একেবারেই বলা ঠিক না। এই কথাগুলো আপনার অভিধান থেকে মুছে ফেলাই ভালো। এই
কথাগুলোর অর্থ ব্যক্তিগত জীবনে একরকম আর কর্মক্ষেত্রে অন্যরকম। তাই এগুলো
বলা থেকে বিরত থাকুন।
কোন কথাগুলো অফিসে বলা ঠিক না, তার একটি তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে জীবনধারা বিষয়ক আইডিভা ওয়েবসাইটে। আপনি চাইলে এই পরামর্শগুলো একবার দেখে নিতে পারেন।
হয়তো, হতেও পারে- এ কথা অফিসে বলা যাবে না। যে বিষয়টাতে আপনার মধ্যে অনিশ্চয়তা কাজ করছে, সেটি অফিসে প্রকাশ না করাই ভালো। এতে আপনার যোগ্যতা নিয়েও কথা উঠতে পারে।
সত্যি বলছি- এই কথাটা ভুলেও অফিসে বলা যাবে না। কারণ এর মানে দাঁড়ায়, আপনি প্রায়ই মিথ্যা বলেন। নিজেকে অযথা মিথ্যুক বানাবেন কেন বলুন?
খুব সুন্দর, খুব ভালো- এই কথাগুলো অফিসে একটু এড়িয়ে যান। ভালো বা সৌন্দর্য প্রকাশ করার মতো অনেক কথাই আছে যা এর পরিবর্তে বলা যায়।
অনেক সময় মেইলের উত্তরে আমরা ‘পরে জানাচ্ছি’ কথাটি বলি। এই কথাটির নেতিবাচক প্রভাব পড়ে অন্যের ওপর। তাই এমন উত্তর না দেওয়াই ভালো।
আশ্চর্য! -অফিসে এমন কিছু ঘটে না যার জন্য আপনাকে এতটা অবাক হয়ে এই কথাটি বলতে হবে। এই ধরনের কথা অফিসে না বলাই ভালো।
সত্যি? -এই কথা বলার মানে আপনি কথাটি বিশ্বাস করছেন না। আবার এমন হতে পারে যে আপনি বিষয়টি আগে চিন্তা করেননি। অথচ মুখ ফসকে বলে ফেলেছেন ‘সত্যি?’। ভুল বোঝাবুঝি এড়াতে এই শব্দটিকেই এড়িয়ে চলুন।
কখনোই না- এই কথাটি বলার সময় সাবধান। কারণ এটি খুবই নেতিবাচক একটি কথা। নেতিবাচক কথা অফিসে না বলাই ভালো।
কোন কথাগুলো অফিসে বলা ঠিক না, তার একটি তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে জীবনধারা বিষয়ক আইডিভা ওয়েবসাইটে। আপনি চাইলে এই পরামর্শগুলো একবার দেখে নিতে পারেন।
হয়তো, হতেও পারে- এ কথা অফিসে বলা যাবে না। যে বিষয়টাতে আপনার মধ্যে অনিশ্চয়তা কাজ করছে, সেটি অফিসে প্রকাশ না করাই ভালো। এতে আপনার যোগ্যতা নিয়েও কথা উঠতে পারে।
সত্যি বলছি- এই কথাটা ভুলেও অফিসে বলা যাবে না। কারণ এর মানে দাঁড়ায়, আপনি প্রায়ই মিথ্যা বলেন। নিজেকে অযথা মিথ্যুক বানাবেন কেন বলুন?
খুব সুন্দর, খুব ভালো- এই কথাগুলো অফিসে একটু এড়িয়ে যান। ভালো বা সৌন্দর্য প্রকাশ করার মতো অনেক কথাই আছে যা এর পরিবর্তে বলা যায়।
অনেক সময় মেইলের উত্তরে আমরা ‘পরে জানাচ্ছি’ কথাটি বলি। এই কথাটির নেতিবাচক প্রভাব পড়ে অন্যের ওপর। তাই এমন উত্তর না দেওয়াই ভালো।
আশ্চর্য! -অফিসে এমন কিছু ঘটে না যার জন্য আপনাকে এতটা অবাক হয়ে এই কথাটি বলতে হবে। এই ধরনের কথা অফিসে না বলাই ভালো।
সত্যি? -এই কথা বলার মানে আপনি কথাটি বিশ্বাস করছেন না। আবার এমন হতে পারে যে আপনি বিষয়টি আগে চিন্তা করেননি। অথচ মুখ ফসকে বলে ফেলেছেন ‘সত্যি?’। ভুল বোঝাবুঝি এড়াতে এই শব্দটিকেই এড়িয়ে চলুন।
কখনোই না- এই কথাটি বলার সময় সাবধান। কারণ এটি খুবই নেতিবাচক একটি কথা। নেতিবাচক কথা অফিসে না বলাই ভালো।
অনুষ্ঠানের আদবকেতা জানেন তো?
কোনো অনুষ্ঠানে দাওয়াত খেতে গেলে কিছু বিষয় সব সময় মেনে চলা উচিত, সেটা
যেকোনো ধরনের অনুষ্ঠানই হোক না কেন। এই আদবকেতাগুলো আপনার ব্যক্তিত্বকে
প্রকাশ করবে। ব্রাইটসাইড ওয়েবসাইটে অনুষ্ঠানের আদবকেতার একটি তালিকা প্রকাশ
করা হয়েছে। আপনি চাইলে এই পরামর্শগুলো একবার দেখে নিতে পারেন।
রেস্তোরাঁয়
১. ছেলেরা আগে রেস্তোরাঁর দরজা খুলে মেয়েকে প্রথমে ঢুকতে বলবেন। কোনো টেবিল যদি আপনার নামে রিজার্ভ করে রাখা থাকে, তাহলে সেটি সবার আগে খুঁজে বের করুন।
২. খুব উচ্চ স্বরে হাসাহাসি করবেন না। কোনো কথা বলতে হলে কানের কাছে গিয়ে বলার চেষ্টা করুন, তবে অবশ্যই সে যদি আপনার পরিচিত কেউ হয়।
৩. আপনি যদি সবাইকে দাওয়াত দেন, তাহলে অবশ্যই বিলটা আপনি দেবেন। আর তাঁদের সামনে বসে বিলের পরিমাণ গুনে দেখবেন না, এটা খুবই অভদ্রতা।
৪. আপনাকে কেউ দাওয়াত দিলে আগ বাড়িয়ে আপনি বিল দেওয়ার জন্য জোরাজুরি করবেন না। সে আপনাকে কখনোই বিল দিতে দেবে না। তাই অযথা কথা বাড়িয়ে লাভ নেই।
খাবার টেবিলে
১. খাবার খাওয়ার সময় অনেক বেশি খাবার প্লেটে নেবেন না। অল্প অল্প করে খাবার নেওয়ার চেষ্টা করুন।
২. চামচ দিয়ে খাওয়ার অভ্যাস না থাকলে একটু দেরিতে খাওয়া শুরু করুন। দেখুন, অন্যরা কোন হাতে কী চামচ নিচ্ছে। এবার ধীরে ধীরে খাওয়ার চেষ্টা করুন।
৩. খাওয়ার সময় ফোনে কথা বলবেন না। এটা খুবই অভদ্রতা। পারলে ফোন বন্ধ করে রাখুন।
৪. সবার সঙ্গে একসঙ্গে খেতে বসুন। খাওয়া শেষ হলেও হুট করে উঠে যাবেন না। টেবিলের সবার খাওয়া শেষ হলে উঠুন।
৫. দাওয়াতে খাওয়ার সময় দেরি করে আসবেন না। যখন আসতে বলবে, ঠিক তখনই আসার চেষ্টা করুন।
কথা বলার সময়
১. কোনো অনুষ্ঠানে গেলে পারিবারিক বিষয়ে আলাপ না করাই বুদ্ধিমানের কাজ।
২. অপরিচিত কারো সঙ্গে কথা বলার সময় বোঝার চেষ্টা করুন, সে আপনার সঙ্গে কথা বলতে আগ্রহী কি না।
৩. উচ্চ স্বরে কাউকে ডাকবেন না। কথা বলতে হলে তার কাছে গিয়ে কথা বলুন।
৪. অন্যের কথা মন দিয়ে শুনুন। তার কথা শেষ হওয়ার আগেই কথা বলা শুরু করবেন না।
৫. কারো কোনো কথায় মন খারাপ হলে কোনোভাবেই উত্তেজিত হবেন না।
হাত মেলানোর সময়
১. যখন কেউ আপনাকে পরিচয় করিয়ে দেবে, তখনই হাত মেলাবেন। আগ বাড়িয়ে আপনি অপরিচিত কারো সঙ্গে হাত মেলাতে যাবেন না।
২. হাত মেলানোর সময় কখনোই জোরে হাতে চাপ দেবেন না। এটা খুবই অভদ্রতা।
৩. হঠাৎ করে কোনো মেয়ের সঙ্গে হাত মেলাতে যাবেন না। সে বিরক্ত হতে পারে।
দরজায় যা করবেন
১. দরজা থেকে প্রথমে মেয়েদের আগে যেতে দিন। অপরিচিত কোনো মেয়ে থাকলেও এমনটা করবেন।
২. ভিড় থাকলে অযথা দরজার সামনে গিয়ে ঠেলাঠেলি করবেন না। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। ভিড় কমলে পরে ঢোকার চেষ্টা করুন।
৩. যেখানে এন্ট্রি লেখা, সেখান থেকে ঢুকুন। আর যেখানে এক্সিট লেখা থাকবে, সেখান থেকে বের হবেন।
রেস্তোরাঁয়
১. ছেলেরা আগে রেস্তোরাঁর দরজা খুলে মেয়েকে প্রথমে ঢুকতে বলবেন। কোনো টেবিল যদি আপনার নামে রিজার্ভ করে রাখা থাকে, তাহলে সেটি সবার আগে খুঁজে বের করুন।
২. খুব উচ্চ স্বরে হাসাহাসি করবেন না। কোনো কথা বলতে হলে কানের কাছে গিয়ে বলার চেষ্টা করুন, তবে অবশ্যই সে যদি আপনার পরিচিত কেউ হয়।
৩. আপনি যদি সবাইকে দাওয়াত দেন, তাহলে অবশ্যই বিলটা আপনি দেবেন। আর তাঁদের সামনে বসে বিলের পরিমাণ গুনে দেখবেন না, এটা খুবই অভদ্রতা।
৪. আপনাকে কেউ দাওয়াত দিলে আগ বাড়িয়ে আপনি বিল দেওয়ার জন্য জোরাজুরি করবেন না। সে আপনাকে কখনোই বিল দিতে দেবে না। তাই অযথা কথা বাড়িয়ে লাভ নেই।
খাবার টেবিলে
১. খাবার খাওয়ার সময় অনেক বেশি খাবার প্লেটে নেবেন না। অল্প অল্প করে খাবার নেওয়ার চেষ্টা করুন।
২. চামচ দিয়ে খাওয়ার অভ্যাস না থাকলে একটু দেরিতে খাওয়া শুরু করুন। দেখুন, অন্যরা কোন হাতে কী চামচ নিচ্ছে। এবার ধীরে ধীরে খাওয়ার চেষ্টা করুন।
৩. খাওয়ার সময় ফোনে কথা বলবেন না। এটা খুবই অভদ্রতা। পারলে ফোন বন্ধ করে রাখুন।
৪. সবার সঙ্গে একসঙ্গে খেতে বসুন। খাওয়া শেষ হলেও হুট করে উঠে যাবেন না। টেবিলের সবার খাওয়া শেষ হলে উঠুন।
৫. দাওয়াতে খাওয়ার সময় দেরি করে আসবেন না। যখন আসতে বলবে, ঠিক তখনই আসার চেষ্টা করুন।
কথা বলার সময়
১. কোনো অনুষ্ঠানে গেলে পারিবারিক বিষয়ে আলাপ না করাই বুদ্ধিমানের কাজ।
২. অপরিচিত কারো সঙ্গে কথা বলার সময় বোঝার চেষ্টা করুন, সে আপনার সঙ্গে কথা বলতে আগ্রহী কি না।
৩. উচ্চ স্বরে কাউকে ডাকবেন না। কথা বলতে হলে তার কাছে গিয়ে কথা বলুন।
৪. অন্যের কথা মন দিয়ে শুনুন। তার কথা শেষ হওয়ার আগেই কথা বলা শুরু করবেন না।
৫. কারো কোনো কথায় মন খারাপ হলে কোনোভাবেই উত্তেজিত হবেন না।
হাত মেলানোর সময়
১. যখন কেউ আপনাকে পরিচয় করিয়ে দেবে, তখনই হাত মেলাবেন। আগ বাড়িয়ে আপনি অপরিচিত কারো সঙ্গে হাত মেলাতে যাবেন না।
২. হাত মেলানোর সময় কখনোই জোরে হাতে চাপ দেবেন না। এটা খুবই অভদ্রতা।
৩. হঠাৎ করে কোনো মেয়ের সঙ্গে হাত মেলাতে যাবেন না। সে বিরক্ত হতে পারে।
দরজায় যা করবেন
১. দরজা থেকে প্রথমে মেয়েদের আগে যেতে দিন। অপরিচিত কোনো মেয়ে থাকলেও এমনটা করবেন।
২. ভিড় থাকলে অযথা দরজার সামনে গিয়ে ঠেলাঠেলি করবেন না। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। ভিড় কমলে পরে ঢোকার চেষ্টা করুন।
৩. যেখানে এন্ট্রি লেখা, সেখান থেকে ঢুকুন। আর যেখানে এক্সিট লেখা থাকবে, সেখান থেকে বের হবেন।
যে ১০ অভ্যাস অন্যের জন্য বিরক্তিকর
কিছু মানুষ আছেন, যাঁরা এমন আচরণ করেন, যা অন্যের বিরক্তির কারণ হয়ে
দাঁড়ায়। আর এঁদের সঙ্গে হয়তো আপনাকে হরহামেশাই ওঠবস করতে হয়। চলুন,
ব্রাইটসাইড ওয়েবসাইটের এই তালিকা থেকে মানুষের কিছু অভ্যাস জেনে নেওয়া যাক,
যা শুধু বিরক্তির উদ্রেক করে।
১. প্লেন বা বাসের সিটে যখন কেউ খুব আয়েশ করে বসে, তখন সে অন্যের বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। কারণ, নিজে আরাম করে বসার জন্য হয়তো সে সামনের সিটে পা দিয়ে ধাক্কা দেয় কিংবা অনেকটা পেছনে হেলান দিয়ে বসে। এতে অন্য যাত্রীদের বসতে কষ্ট হয়। এমন মানুষ যাত্রাপথে থাকলে বিরক্তির উদ্রেক হয়।
২. আপনি যখন কম্পিউটারে কোনো কাজ করবেন, তখন কেউ এসে পেছনে যদি দাঁড়িয়ে থাকে, তাহলে তো বিরক্ত হবেনই। এই অভ্যাস অনেকেরই রয়েছে, যাঁরা পেছনে দাঁড়িয়ে অন্যের কাজ দেখতে পছন্দ করেন।
৩. সিনেমায় কী হচ্ছে না হচ্ছে, সেগুলো যদি জোরে জোরে কেউ সিনেমা হলে বলতে থাকে, তাহলে বিরক্ত না হয়ে উপায় আছে বলুন? এমন জ্ঞানী মানুষের সঙ্গে সিনেমা হলে দেখা হলে সেই সময়টা আপনাকে প্রচুর ধৈর্য ধরতে হবে।
৪. অনেক সময় কোনো কিছুর জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে থাকলে কেউ কেউ আছেন অন্যের শরীরের সঙ্গে ঘেঁষে দাঁড়াতে পছন্দ করেন। আপনি যতই বিরক্ত হোন না কেন, তিনি এভাবেই দাঁড়িয়ে থাকবেন।
৫. আপনি কথা বলতে থাকলে যখন কিছুক্ষণ পরপর কেউ ‘কী?’ বলে তাঁর প্রতিক্রিয়া দেখাবেন, তখন তো বিরক্ত লাগবেই। একবার-দুবার হলে ঠিক আছে। প্রতিবারই এমনটা করতে থাকলে আপনি নিশ্চয়ই তাঁর সঙ্গে কথা বলার আগ্রহ হারিয়ে ফেলবেন।
৬. যখন কেউ ঘরে ঢুকে খুব জোরে দরজা আটকায়, তখন অন্যরা খুবই বিরক্ত হয়। এই অভ্যাস যাঁদের আছে, তাঁরা শুধু বাসা নয়, যেকোনো জায়গায় গেলেই একই আচরণ করে।
৭. হঠাৎ করে আপনার গায়ে কফি পরে গেল কিংবা সিঁড়ি থেকে নামতে গিয়ে আপনি পড়ে গেলেন। তখন আপনাকে সাহায্য করা তো দূরের কথা, উল্টো কেউ একজন হাসতে শুরু করল। এ ধরনের মানুষদের কার পছন্দ হবে বলুন?
৮. যখন অজানা কোনো মানুষ আপনার দিকে একটানা তাকিয়ে থাকবে, তখন ভালো লাগার থেকে অস্বস্তিই বেশি লাগবে। আর এটা বিরক্তকরও বটে।
৯. যখন কেউ সঙ্গীকে সময় দেওয়ার বদলে নিজের স্মার্টফোনকে বেশি সময় দেয়, তখন বিরক্তির পাশাপাশি আফসোসও কাজ করে।
১০. আপনি কোনো সমস্যায় পড়লে যখন কেউ বলে, ‘আমি আগেই বলেছিলাম, এটা করার দরকার নেই’, তখন আপনার বিরক্তির পরিমাণ কয়েকগুণ বেড়ে যাবে, তাই না?
১. প্লেন বা বাসের সিটে যখন কেউ খুব আয়েশ করে বসে, তখন সে অন্যের বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। কারণ, নিজে আরাম করে বসার জন্য হয়তো সে সামনের সিটে পা দিয়ে ধাক্কা দেয় কিংবা অনেকটা পেছনে হেলান দিয়ে বসে। এতে অন্য যাত্রীদের বসতে কষ্ট হয়। এমন মানুষ যাত্রাপথে থাকলে বিরক্তির উদ্রেক হয়।
২. আপনি যখন কম্পিউটারে কোনো কাজ করবেন, তখন কেউ এসে পেছনে যদি দাঁড়িয়ে থাকে, তাহলে তো বিরক্ত হবেনই। এই অভ্যাস অনেকেরই রয়েছে, যাঁরা পেছনে দাঁড়িয়ে অন্যের কাজ দেখতে পছন্দ করেন।
৩. সিনেমায় কী হচ্ছে না হচ্ছে, সেগুলো যদি জোরে জোরে কেউ সিনেমা হলে বলতে থাকে, তাহলে বিরক্ত না হয়ে উপায় আছে বলুন? এমন জ্ঞানী মানুষের সঙ্গে সিনেমা হলে দেখা হলে সেই সময়টা আপনাকে প্রচুর ধৈর্য ধরতে হবে।
৪. অনেক সময় কোনো কিছুর জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে থাকলে কেউ কেউ আছেন অন্যের শরীরের সঙ্গে ঘেঁষে দাঁড়াতে পছন্দ করেন। আপনি যতই বিরক্ত হোন না কেন, তিনি এভাবেই দাঁড়িয়ে থাকবেন।
৫. আপনি কথা বলতে থাকলে যখন কিছুক্ষণ পরপর কেউ ‘কী?’ বলে তাঁর প্রতিক্রিয়া দেখাবেন, তখন তো বিরক্ত লাগবেই। একবার-দুবার হলে ঠিক আছে। প্রতিবারই এমনটা করতে থাকলে আপনি নিশ্চয়ই তাঁর সঙ্গে কথা বলার আগ্রহ হারিয়ে ফেলবেন।
৬. যখন কেউ ঘরে ঢুকে খুব জোরে দরজা আটকায়, তখন অন্যরা খুবই বিরক্ত হয়। এই অভ্যাস যাঁদের আছে, তাঁরা শুধু বাসা নয়, যেকোনো জায়গায় গেলেই একই আচরণ করে।
৭. হঠাৎ করে আপনার গায়ে কফি পরে গেল কিংবা সিঁড়ি থেকে নামতে গিয়ে আপনি পড়ে গেলেন। তখন আপনাকে সাহায্য করা তো দূরের কথা, উল্টো কেউ একজন হাসতে শুরু করল। এ ধরনের মানুষদের কার পছন্দ হবে বলুন?
৮. যখন অজানা কোনো মানুষ আপনার দিকে একটানা তাকিয়ে থাকবে, তখন ভালো লাগার থেকে অস্বস্তিই বেশি লাগবে। আর এটা বিরক্তকরও বটে।
৯. যখন কেউ সঙ্গীকে সময় দেওয়ার বদলে নিজের স্মার্টফোনকে বেশি সময় দেয়, তখন বিরক্তির পাশাপাশি আফসোসও কাজ করে।
১০. আপনি কোনো সমস্যায় পড়লে যখন কেউ বলে, ‘আমি আগেই বলেছিলাম, এটা করার দরকার নেই’, তখন আপনার বিরক্তির পরিমাণ কয়েকগুণ বেড়ে যাবে, তাই না?
১০টি আধুনিক আদবকেতা, জানেন তো?
ছোট ছোট কিছু আদবেকেতা আছে যা সব ক্ষেত্রেই মেনে চলা উচিত। আধুনিক এই
আদবকেতাগুলো আপনার জীবনকে আরও সহজ করতে সাহায্য করবে। জানতে চান, সেগুলো কী
কী? তাহলে ব্রাইটসাইড ওয়েবসাইটের এই তালিকাটি এক নজরে দেখে নিতে পারেন।
১. কখনোই ফোন না করে কারো বাসায় দেখা করতে যাবেন না। সারপ্রাইজ দিতে চাইলেও আগে ফোন করে জানুন তিনি কোন পরিস্থিতিতে আছেন। আপনার যাওয়ার বিষয়টি গোপন রেখেই তার খোঁজখবর আগে নিন।
২. কোনো মিটিং বা অনুষ্ঠানে গেলে কখনোই হাতের ব্যাগ কোলের ওপর বা টেবিলের ওপর রাখবেন না। ব্যাগ পায়ের কাছে রাখাটাই ভদ্রতা।
৩. শিশুদের রুমে ঢোকার আগে দারজায় টোকা দিন। এটা ভাববেন না যে আপনি ছোট হবেন। আপনার এই অভ্যাসের কারণে আপনার সন্তানও শিখবে যে, বাবা মায়ের রুমে ঢোকার আগে দরজায় টোকা দিতে হবে।
৪. গাড়ির সবচেয়ে সম্মানজনক আসন হলো চালকের পেছনে। আর এটা মেয়েদের জন্যই বেশি ভালো। এতে গাড়ির চালক দ্রুত গাড়ির দরজা খুলে দিতে পারেন।
৫. এই পোশাকটি কোথা থেকে কিনেছেন? দাম কত? এমন প্রশ্ন করার পর কেউ যদি হেসে উত্তর দেয়, উপহার পেয়েছি। তাহলে এখানেই প্রশ্ন করা বন্ধ করে দিন। তার বলার আগ্রহ থাকলে সে নিজেই অন্য তথ্য দেবে।
৬. নয়টি জিনিস সবার কাছ থেকে গোপন রাখাটাই ভালো। আর তা হলো- বয়স, টাকা-পয়সা, পারিবারিক কলহ, ধর্ম, শারীরিক সমস্যা, প্রেম, উপহার, সুনাম ও অপমান।
৭. সিনেমা হল, থিয়েটার কিংবা কনসার্টে নিজের সিটের কাছে যাওয়ার সময় যারা বসে আছে তাদের দিকে সম্মুখ দিক দিয়ে যান। কখনোই উল্টোভাবে হেঁটে যাবেন না।
৮. লিফটে উঠার সময় মনে রাখুন আপনি যদি আগে নামতে চান তাহলে সবার শেষ উঠে সামনের দিকে দাঁড়ান। পিছন থেকে সবার আগে নামাটা অন্যের জন্য বিরক্তিকর।
৯. কেউ যদি আগে থেকেই রেস্তোরাঁয় যাওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানায় তাহলে স্বাভাববিকভাবেই সে বিল দেবে। তবে কেউ যদি বলে, চলেন কোনো রেস্তোরাঁ থেকে খেয়ে আসি তাহলে ভেবে নেবেন আপনাকেও বিল দিতে হতে পারে। সে দাওয়াত দিচ্ছে, এটা না ভাবাই বুদ্ধিমানের কাজ।
১০. অফিস বা অন্য কারো বাসায় যাওয়ার পর ভেজা ছাতা খুলে শুকানোর চেষ্টা করবেন না। ভেজা থাকলেও ছাতা বন্ধ করে রাখুন।
১. কখনোই ফোন না করে কারো বাসায় দেখা করতে যাবেন না। সারপ্রাইজ দিতে চাইলেও আগে ফোন করে জানুন তিনি কোন পরিস্থিতিতে আছেন। আপনার যাওয়ার বিষয়টি গোপন রেখেই তার খোঁজখবর আগে নিন।
২. কোনো মিটিং বা অনুষ্ঠানে গেলে কখনোই হাতের ব্যাগ কোলের ওপর বা টেবিলের ওপর রাখবেন না। ব্যাগ পায়ের কাছে রাখাটাই ভদ্রতা।
৩. শিশুদের রুমে ঢোকার আগে দারজায় টোকা দিন। এটা ভাববেন না যে আপনি ছোট হবেন। আপনার এই অভ্যাসের কারণে আপনার সন্তানও শিখবে যে, বাবা মায়ের রুমে ঢোকার আগে দরজায় টোকা দিতে হবে।
৪. গাড়ির সবচেয়ে সম্মানজনক আসন হলো চালকের পেছনে। আর এটা মেয়েদের জন্যই বেশি ভালো। এতে গাড়ির চালক দ্রুত গাড়ির দরজা খুলে দিতে পারেন।
৫. এই পোশাকটি কোথা থেকে কিনেছেন? দাম কত? এমন প্রশ্ন করার পর কেউ যদি হেসে উত্তর দেয়, উপহার পেয়েছি। তাহলে এখানেই প্রশ্ন করা বন্ধ করে দিন। তার বলার আগ্রহ থাকলে সে নিজেই অন্য তথ্য দেবে।
৬. নয়টি জিনিস সবার কাছ থেকে গোপন রাখাটাই ভালো। আর তা হলো- বয়স, টাকা-পয়সা, পারিবারিক কলহ, ধর্ম, শারীরিক সমস্যা, প্রেম, উপহার, সুনাম ও অপমান।
৭. সিনেমা হল, থিয়েটার কিংবা কনসার্টে নিজের সিটের কাছে যাওয়ার সময় যারা বসে আছে তাদের দিকে সম্মুখ দিক দিয়ে যান। কখনোই উল্টোভাবে হেঁটে যাবেন না।
৮. লিফটে উঠার সময় মনে রাখুন আপনি যদি আগে নামতে চান তাহলে সবার শেষ উঠে সামনের দিকে দাঁড়ান। পিছন থেকে সবার আগে নামাটা অন্যের জন্য বিরক্তিকর।
৯. কেউ যদি আগে থেকেই রেস্তোরাঁয় যাওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানায় তাহলে স্বাভাববিকভাবেই সে বিল দেবে। তবে কেউ যদি বলে, চলেন কোনো রেস্তোরাঁ থেকে খেয়ে আসি তাহলে ভেবে নেবেন আপনাকেও বিল দিতে হতে পারে। সে দাওয়াত দিচ্ছে, এটা না ভাবাই বুদ্ধিমানের কাজ।
১০. অফিস বা অন্য কারো বাসায় যাওয়ার পর ভেজা ছাতা খুলে শুকানোর চেষ্টা করবেন না। ভেজা থাকলেও ছাতা বন্ধ করে রাখুন।
বিশ্বজুড়ে বিয়ের যত অদ্ভুত রীতি

‘যস্মিন দেশে যদাচার’ বলে একটা কথা রয়েছে। এসব কথা তো আর এমনি এমনি তৈরি
হয়নি। একদেশে যেটা রীতিমত আবশ্যকীয় কাজ, সেটাই দেখবেন আরেক দেশে রীতিমত
অপরাধ! এই যেমন বিয়ের কথাই ধরুন।পৃথিবীর প্রতিটি দেশেই বিয়ের ক্ষেত্রে বিশেষ কিছু নিয়ম-কানুন অনুসরণ করা হয়। এক্ষেত্রে এক দেশের কায়দার সাথে অন্যদেশের কায়দা একদমই মেলে না। একইসাথে, কিছু কিছু দেশ আছে যাদের বিয়ের রীতিনীতি একেবারেই অদ্ভুত। এসব নিয়ম শুনলে হয়তো আপনার হাসি পাবে, আবার রীতিমত আক্কেল গুড়ুমও হয়ে যেতে পারে। ব্লুগ্যাপ ওয়েবসাইটে মিললো এমনই কিছু বিয়ের রীতি-কথা
পোল্যান্ডে বিয়ের পার্টিতে বউয়ের সঙ্গে নাচার জন্য অতিথিদের মোটা অঙ্কের
টাকা দিতে হয়। সেই টাকা জমিয়ে নবদম্পতির হানিমুনের জন্য খরচ করা হয়।স্কটল্যান্ড
স্কটল্যান্ডে বর ও বউ বিয়ের আগে ঘরের বাইরে বসে থাকে আর তাদের ওপর ছাই,
পালক, ময়দা ও গুড় মেশানো অ্যালকোহল ঢেলে দেওয়া হয়। আর এই কাজটি তাঁদের
পরিবার ও বন্ধুরা স্বাচ্ছন্দ্যের সঙ্গেই করে থাকেন।অস্ট্রেলিয়া
অস্ট্রেলিয়ায় বিয়ের সময় অতিথিরা বর ও বউকে রংবেরঙের পাথর ও মার্বেল
উপহার দিয়ে থাকেন। এমনকি বিয়ের সময় তাঁরা অতিথিদের একটি বড় কাচের বাটিতে
পাথরগুলো রাখতে বলেন, যা পরবর্তীতে নতুন দম্পত্তিরা তাঁদের ঘরের একটি বিশেষ
জায়গায় রেখে দেন। যাতে তাঁরা সব সময় অনুভব করেন তাঁদের পরিবার ও বন্ধুদের
সাহায্য এবং দোয়ার কথা।
জার্মানি
জার্মানিতে বিয়ের আগের দিন রাতে বর-বউয়ের পরিবার ও বন্ধুরা তাদের ঘরের
বাইরে কাঁচের জিনিস ছুড়ে ফেলেন। নতুন দম্পত্তিরা সেই ভাঙা কাঁচের টুকরাগুলো
ঝাড়ু দিয়ে নতুন ঘরে প্রবেশ করেন। বিয়েতে জার্মানির আরো একটি মজার রীতি
হলো, বিয়ের পর নতুন দম্পতি সবার সামনে একটি কাঠের টুকরোকে একসঙ্গে কেটে
দেখাবেন। এটি দিয়ে তাঁরা প্রমাণ করেন দুজন সমানভাবে কাজ ভাগাভাগি করে নেবেন
এবং তাঁদের মধ্যে বোঝাপাড়া অনেক ভালো।
নতুন দম্পতির ঘরে বর এবং বউয়ের বাবা-মা তাঁদের বাসা থেকে আগুন নিয়ে
আসেন। সেই আগুন দিয়ে তাঁরা তাঁদের নতুন ঘরের ফায়ার প্লেসের আগুন ধরান।
ছোটবেলা থেকে তারা যে আগুনের আঁচে অভ্যস্ত, সে রকম আগুন দিয়েই তারা তাদের
নতুন জীবন শুরু করে। গুয়েতেমালা
গুয়েতেমালায় বরের মা নতুন দম্পতিকে স্বাগত জানাতে বিয়ের পার্টিতে একটি সাদা রঙের ঘণ্টা ভাঙেন, যা নতুন দম্পতির সুখময় জীবনের উদ্দেশ্যে করা হয়ে থাকে।
কোরিয়া
কোরিয়ায় বিয়ের সময় বর তাঁর শ্বাশুড়িকে একজোড়া পুতুল হাঁস উপহার দিয়ে থাকেন। এই উপহারটি দিয়ে বর বউয়ের প্রতি তাঁর উদ্দেশ্য এবং আনুগত্য প্রকাশ করেন।
জাপান
জাপানে বিয়ের সময় বর ও বউ তিনটি কাপের পানীয় থেকে তিনবার চুমুক দেন। এরপর তাঁদের বাবা-মা একইভাবে সেই কাপগুলোতে চুমুক দেন। জাপানিদের বিশ্বাস এতে পরিবারের মধ্যে বন্ধন পাকাপোক্ত হয়।
ফিলিপাইন
দীর্ঘ, শান্তিময় ও ছন্দময় জীবনের উদ্দেশ্যে ফিলিপাইনে বিয়ের দিন বর ও বউ একই সঙ্গে দুটি কবুতর আকাশে ছেড়ে দেন। তাঁরা মনে করেন, কবুতরের সঙ্গে সঙ্গে তাঁদের জীবনের দুঃখ-কষ্টও দূর হয়ে যাবে।
Sunday, 2 April 2017
বন্ধু নাকি প্রেমিক, কীভাবে বুঝবেন?
দৈনন্দিন জীবনে নানা প্রয়োজনে একসঙ্গে চলার কারণে বিপরীত লিঙ্গের কোনো
বন্ধুর সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হতে পারে। আর এ কারণে সম্পর্কটি শুধুই বন্ধুত্ব
নাকি প্রেম, তা নিয়ে অনেক সময় মনের মধ্যে এক ধরনের সংশয় তৈরি হয়। কিছু
লক্ষণ রয়েছে, যা পর্যবেক্ষণ করলে সহজেই বুঝতে পারবেন, যার সঙ্গে চলছেন তিনি
বন্ধু নাকি প্রেমিক।
এ ক্ষেত্রে জীবনধারাবিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাইয়ে প্রকাশিত লক্ষণগুলো একনজরে দেখে নিতে পারেন।
১. আপনার প্রতি বেশি মনোযোগী
তিনি যদি নিজে থেকে কথা বলতে আগ্রহী হন, আপনার যেকোনো প্রয়োজন পূরণে সব সময় সোচ্চার থাকেন অথবা আপনার কোনো প্রকার জোর দাবি ছাড়াই পর্যাপ্ত সময় দেন, তাহলে বুঝবেন তিনি আপনাকে ভালোবাসেন।
২. নিয়মিত যোগাযোগ রাখা
তিনি কি নিয়মিত ফোন করেন? অথবা আপনি ফোন করলে কি দ্রুত প্রতিক্রিয়া পান? যদি উত্তর হয়—হ্যাঁ, তাহলে তাঁকে প্রেমিক বলতে পারেন।
৩. সম্পর্ক নিয়ে সচেতন থাকা
লক্ষ করুন, তিনি শুধু ঘুরতে কিংবা সময় কাটাতে পছন্দ করেন নাকি ভবিষ্যৎ নিয়েও সচেতন। ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা না থাকলে বুঝতে হবে তিনি শুধু আপনার বন্ধু।
৪. অন্যদিকে তাকানো পরিহার করা
যখন দেখবেন আশপাশে সুন্দর কোনো মেয়ে থাকার পরও তিনি অন্যত্র তাকাচ্ছেন না, তখন বুঝবেন তিনি আপনার প্রেমিক।
৫. মনের কথা বুঝতে পারা
আপনার কী পছন্দ, কী অপছন্দ এসব যদি তিনি বুঝতে পারেন, তাহলে তাঁকে প্রেমিক বললে ভুল হবে না।
৬. মন্দ দিক গ্রহণ করা
ভুলত্রুটি নিয়ে মানুষ। তাই আপনার মন্দ দিকগুলো মেনে নিয়ে যদি তিনি আপনার সঙ্গে থাকেন, তাহলে বুঝবেন তিনি আপনার প্রেমে পড়েছেন।
এ ক্ষেত্রে জীবনধারাবিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাইয়ে প্রকাশিত লক্ষণগুলো একনজরে দেখে নিতে পারেন।
১. আপনার প্রতি বেশি মনোযোগী
তিনি যদি নিজে থেকে কথা বলতে আগ্রহী হন, আপনার যেকোনো প্রয়োজন পূরণে সব সময় সোচ্চার থাকেন অথবা আপনার কোনো প্রকার জোর দাবি ছাড়াই পর্যাপ্ত সময় দেন, তাহলে বুঝবেন তিনি আপনাকে ভালোবাসেন।
২. নিয়মিত যোগাযোগ রাখা
তিনি কি নিয়মিত ফোন করেন? অথবা আপনি ফোন করলে কি দ্রুত প্রতিক্রিয়া পান? যদি উত্তর হয়—হ্যাঁ, তাহলে তাঁকে প্রেমিক বলতে পারেন।
৩. সম্পর্ক নিয়ে সচেতন থাকা
লক্ষ করুন, তিনি শুধু ঘুরতে কিংবা সময় কাটাতে পছন্দ করেন নাকি ভবিষ্যৎ নিয়েও সচেতন। ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা না থাকলে বুঝতে হবে তিনি শুধু আপনার বন্ধু।
৪. অন্যদিকে তাকানো পরিহার করা
যখন দেখবেন আশপাশে সুন্দর কোনো মেয়ে থাকার পরও তিনি অন্যত্র তাকাচ্ছেন না, তখন বুঝবেন তিনি আপনার প্রেমিক।
৫. মনের কথা বুঝতে পারা
আপনার কী পছন্দ, কী অপছন্দ এসব যদি তিনি বুঝতে পারেন, তাহলে তাঁকে প্রেমিক বললে ভুল হবে না।
৬. মন্দ দিক গ্রহণ করা
ভুলত্রুটি নিয়ে মানুষ। তাই আপনার মন্দ দিকগুলো মেনে নিয়ে যদি তিনি আপনার সঙ্গে থাকেন, তাহলে বুঝবেন তিনি আপনার প্রেমে পড়েছেন।
বিচ্ছেদের কারণে যা শিখতে পারবেন
বিচ্ছেদের স্বাদ কেউই নিতে চায় না। তবুও অনেককেই এ পরিস্থিতির মুখোমুখি
হতে হয়। যে মানুষটিকে নিয়ে সুখের এত স্মৃতি, এক নিমেষেই তাঁকে ভুলে যেতে
হবে! যে প্রিয় মানুষটির মুখ না দেখলে দিনটাই বৃথা যেত, সেই মানুষটিকে না
দেখে সারা জীবন কাটাতে হবে। এটা মেনে নেওয়া যতটা সহজ মনে করছেন, আসলে ততটা
সহজ নয়। তবুও পরিস্থিতি সামলে এগিয়ে যেতে হয় সবাইকে। কিছু কষ্ট, রাগ আর
অতৃপ্ততা মনের মধ্যে সারা জীবন পুষে রেখে মানুষকে বেঁচে থাকতে হয়। তবে
বিচ্ছেদ কষ্ট দেওয়ার পাশাপাশি আপনাকে অনেক কিছু শিখিয়েও যায়, যা পরবর্তী
সময়ে আপনাকে কোনো না কোনোভাবে সাহায্য করবে।বিচ্ছেদের কারণে আপনি কী কী শিখতে পারবেন, তার একটি তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে টাইমস অব ইন্ডিয়ায়। একনজরে দেখে নিতে পারেন।
১. আপনি বাস্তবতার মুখোমুখি হতে পারবেন। সম্পর্ক করার আগে আপনি সম্ভবত অনেক কিছুই চিন্তা করে রেখেছিলেন যে রোমান্টিক ডেট হবে, ছোট ছোট ঝগড়া হবে, উপহার দেওয়া-নেওয়া ইত্যাদি। কিন্তু যখন আপনি সম্পর্কে জড়িয়ে যান, তখন আন্দাজ করতে পারেন এগুলো শুধু সিনেমাতেই হয়। তাই সম্পর্কে বিচ্ছেদের পর আপনি বাস্তবতা উপলব্ধি করতে পারবেন। আর পরবর্তী সম্পর্কে জড়ানোর সময় এগুলো আপনি আগে থেকেই হিসাব করে নিতে পারবেন।
২. মানসিকভাবে অনেকটা শক্ত হবেন আপনি। সম্পর্কে থাকাবস্থায় সঙ্গীর প্রতি আপনি যতটা মানসিকভাবে দুর্বল ছিলেন, এখন ঠিক ততটাই শক্ত হয়েছেন। যখন সম্পর্কে ছিলেন, তখন ভাবতেন, কীভাবে এই মানুষটিকে ছাড়া থাকবেন। আর বিচ্ছেদের পর আপনি বুঝতে পারবেন, আপনার হাতেই আপনার সুখ। আপনি মানসিকভাবে অনেকটা বড় হয়ে যাবেন এবং এখন আর অকারণে না পাওয়ার কষ্টটা আপনাকে তাড়া করবে না।
৩. সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, আপনি বুঝতে পারবেন পৃথিবীতে কিছুই স্থায়ী নয়। মানুষ আবেগ নিয়ে বড় হয়। অনেক সময় পরিস্থিতি সবকিছু বদলে দেয়, মানুষও বদলে যায়। সব সময় মনে রাখবেন, কোনো কিছু ভালো দিয়ে শুরু হওয়ার মানে এই নয় যে তা ভালোভাবে শেষ হবে।
৪. সত্যিকারের ভালোবাসা শুধু একবারই হয়, আপনার এ ধারণা বদলে যাবে। বিচ্ছেদের পর আপনি আবারও প্রেমে পড়বেন। আবার নতুন করে শুরু করবেন। আপনি বুঝতে শিখবেন, সময় থেমে থাকে না এবং সব ক্ষতই একটা সময় সেরে যায়।
৫. পরিস্থিতি সামলে নিতে শিখবেন। প্রিয়জনকে হারিয়ে টিকে থাকার যুদ্ধে আপনি জিতে যাবেন। হয়তো কিছুদিন আপনার অনেক কষ্ট হবে। কিন্তু একটা সময় আপনি শিখতে পারবেন, প্রিয়জন ছাড়াও কষ্টের সময় পার হয়ে যায়।
যে কারণে সম্পর্কে বিচ্ছেদ বাড়ছে
আজকাল সম্পর্কে বিচ্ছেদের হার প্রতিনিয়ত বাড়ছে। মেলবন্ধন কমে যাওয়া,
যোগাযোগের অভাব, ব্যস্ততাসহ নানা কারণে বিচ্ছেদের হার বাড়ছে। অনেকেই মনের
ভালোবাসার চেয়ে বাহ্যিক সৌন্দর্যের পেছনে ছুটছেন। অনেকেই আবার শুধু
সামাজিকতা রক্ষার্থে সম্পর্কে জড়ায়, যার স্থায়িত্ব কম হয়।কী কী কারণে সম্পর্কে বিচ্ছেদ বাড়ছে তা জানিয়েছে জীবনধারা বিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাই। চলুন দেখে নেওয়া যাক কী সেগুলো।
১. সবার জীবনে কোনো না কোনো স্বপ্ন থাকে। সেই স্বপ্ন পূরণের জন্য কঠোর পরিশ্রম করতে হয়। ফলে জীবন অনেক ব্যস্ততাপূর্ণ হয়ে ওঠে। সাফল্যের পেছনে ছুটতে গিয়ে ভালো সম্পর্কের অগ্রাধিকার কমে যায়।
২. অনেক সময় বাইরের মানুষদের গুরুত্ব দেওয়ার কারণে এমন মানুষদের উপেক্ষা করা হয়, যারা আপনাকে বোঝে এবং সব সময় পাশে থাকে।
৩. বাইরে কাজ করার কারণে অনেক আকর্ষণীয় মানুষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। তাই অনেক ক্ষেত্রে নিজ সঙ্গীকে ভুলে অন্য সম্পর্কে লিপ্ত হয়।
৪. তথ্যপ্রযুক্তি আমাদের জন্য কল্যাণকর হলেও, তা অনেক সময় ক্ষতির কারণ হয়। যেই সময়টুকু নিজের সঙ্গীকে দেওয়া প্রয়োজন, সেই সময়টুকু অনেকেই মোবাইল, কম্পিউটার নিয়ে ব্যস্ত থাকে। ফলে ধীরে ধীরে সম্পর্কে দূরত্ব বাড়ে।
৫. সঙ্গীকে অন্যের সঙ্গে তুলনা করা ঠিক নয়। তুলনা করা হলে সঙ্গীর মনে আপনার প্রতি বিরূপ ধারণা জন্মাতে থাকে। এর পরিণতি বিচ্ছেদে রূপ নিতে পারে।
Saturday, 1 April 2017
আলোচিত ১০ আবেদনময়ী ফ্যাশন মডেল....
বিশ্বের ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রিতে তো মডেলের কমতি নেই। কিন্তু এতসব মডেলের
ভিড়ে যাঁরা আকর্ষণীয় অবয়বের পাশাপাশি সৌন্দর্যের মাপকাঠিতেও তুঙ্গে, সেরার
তালিকায় তাঁদের নামই উঠে আসে বারবার। ওয়ান্ডার্সলিস্ট ওয়েবসাইটের যাচাইয়ে
এমনই ১০ সেরা ফ্যাশন মডেলকে নিয়ে এই আয়োজন।বার রেফিলি
সেরা ফ্যাশন মডেলের তালিকায় সবার ওপরে রয়েছে ইসরায়েলের মডেল বার রেফিলি। এই অনিয়মিত অভিনেত্রী ২০১২ সালে ‘ম্যাক্সিম হট ১০০’ জন মডেলের তালিকায় প্রথম হয়েছিলেন। তিনি শুধু দুর্দান্ত মডেলই নন, পেশাদারভাবে তিনি একজন ফ্যাশন ডিজাইনারও বটে!
ইরিনা শায়েক
২০০৭ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত স্পোর্টস ইলাস্ট্রেটেড সুইমিংস্যুট ম্যাগাজিনের মডেল হিসেবে বেশ পরিচিতি পেয়েছেন রাশিয়ান মডেল ইরিনা শায়েক। এই আবেদনময়ী মডেল ‘ইনটিমিসিমি’ নামে নারীদের একটি পোশাকের নামডাকওয়ালা ব্র্যান্ডের মডেল হিসেবে লম্বা সময় পার করেছেন।
বিয়াঙ্কা বল্টি
এল'অফিশিয়ালের কভার ছবি দিয়ে ইতালিয়ান মডেল বিয়াঙ্কা বেশ জনপ্রিয় হন। ভোগ, হারপার্স বাজার, ডব্লিউ, কসমোপলিটান, ম্যারি ক্লেয়ারে কাজ করেছেন তিনি। প্লেবয় ম্যাগাজিনেও কাজ করেছেন এই নীলনয়না এই মডেল।
আদ্রিয়ানা লিমা
ব্রাজিলের মডেল ও অভিনেত্রী আদ্রিয়ানা লিমা ২০০০ সালের ভিক্টোরিয়া'স সিক্রেট অ্যাঞ্জেল হয়ে সবার নজর কাড়েন। ২০০৩ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত ‘মেবেলাইন’ প্রসাধনীর মডেল ছিলেন এই সুন্দরী মডেল।
নিনা আগদাল
ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রিতে নতুন হলেও ড্যানিশ মডেল নিনা আগদাল অনেক দ্রুতই জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন। আকর্ষণীয় দেহাবয়বের পাশাপাশি সুন্দর মুখশ্রীর কারণে দ্রুতই তিনি নামীদামি কিছু পোশাকের ব্র্যান্ডের প্রচারে যুক্ত হন।
ক্যানডিস সোয়ানপোল
দক্ষিণ আফ্রিকার মডেল ক্যানডিস সোয়ানপোল ২০১৩ সালে স্পোর্টস সুইম ক্যাটালগে জায়গা করে নেন। আর হ্যাঁ, ভিক্টোরিয়া’স সিক্রেট নাকি ক্যানডিসকে ছাড়া কল্পনাই করা যায় না! ২০১২ সালে ফোর্বসের সেরা আয় করা মডেলদের তালিকায় দশম স্থানে তাঁর নাম রয়েছে।
লারা স্টোন
লারা স্টোন একজন ডাচ মডেল। ২০১২ সালে ফোর্বসের সেরা আয়কারী মডেলে তালিকায় অষ্টম স্থানে তাঁর নাম রয়েছে। ওজন, শরীর ও দাঁতের কারণে এই ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রিতে তাঁকে বেশ বেগ পেতে হয়েছিল। কিন্তু এই সমস্যা থেকে বের হয়ে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছিলেন। বর্তমানে তিনি অন্তর্বাসের মডেল হিসেবে সেরা তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন।
কেট আপটন
এতে কোনো সন্দেহ নেই যে নারীদের অন্তর্বাসের মডেল হিসেবে কেট আপটন সব সময়ই সেরা। ২০১১ সালে স্পোর্টস ইলাস্ট্রেটেড সুইমিংস্যুটের মডেল হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের এই মডেল ও অভিনেত্রী সবার নজরে আসেন।
রোজি হান্টিংটন-হুইটলি
ভিক্টোরিয়া'স সিক্রেট মডেল রোজি হান্টিংটন-হুইটলি এ তালিকায় নবম স্থানে রয়েছেন। এই ব্রিটিশ মডেল ও অভিনেত্রী ভিক্টোরিয়া'স সিক্রেট ও বার্বারির অন্তর্বাসের মডেল হিসেবে কাজ করে পরিচিত হন। এ ছাড়া ২০১১ সালে 'ট্রান্সফরমারস : ডার্ক অব দ্য মুন'-এ অভিনয় করেও সবার নজরে আসেন এই ফ্যাশন মডেল।
নাতালিয়া ভাদিয়ানোভা
রাশিয়ান মডেল ও অভিনেত্রী নাতালিয়া ২০১২ সালে ফোর্বসের সেরা আয়কারী মডেলের তালিকায় তৃতীয় অবস্থানে রয়েছেন। সুন্দর শরীরের অধিকারী হওয়ায় ফ্রান্সের বেশিরভাগ নারীর অন্তর্বাসের ব্র্যান্ডের ডিজাইনারদের নজরে সব সময়ই থাকবেন নাতালিয়া।
Monday, 13 March 2017
ব্যবসা গুটিয়ে নিচ্ছে কম্পিউটার সোর্স!
দেশের শীর্ষ কম্পিউটার আমদানি ও বিপণন প্রতিষ্ঠান কম্পিউটার সোর্স
লিমিটেড ব্যবসা গুটিয়ে নিচ্ছে বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে। ব্যাংক থেকে শত শত
কোটি টাকা কম্পিউটার ব্যবসা করার নামে ঋণ নিয়ে সেই টাকায় টাঙ্গাইল,
কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় কয়েক শত একর জমি ক্রয় এবং নিজেদের অনেক
শো-রুম ক্রয়ের ফলে বিনিয়োগ করার নগদ টাকা সংকটে পড়েছে
প্রতিষ্ঠানটি। ইতোমধ্যে দেশজুড়ে কম্পিউটার সোর্সের ৪৭টি শো-রুমের মধ্যে
নোয়াখালী, চট্টগ্রাম (পাঁচটার মধ্যে ৩টা বন্ধ), ফেনীসহ ২৫টি বন্ধ হয়ে গেছে।
অবশিষ্ট যে ২২টি শো-রুম চালু রয়েছে সেগুলোও বন্ধের পথে।
২০১২ সাল পরবর্তী কম্পিউটার সোর্স বেশ কয়েকটি ফ্ল্যাগশিপ শো-রুম চালু করেছিল প্রতিষ্ঠানটি। এর মধ্যে সবচেয়ে চোখে পড়ার মতো ছিল ধানমন্ডি-১৬ (পুরাতন-২৭)-এর শো-রুম। ৭ হাজার স্কয়ার ফিট এই শো-রুম চালু করার পর তারা লোকসানে পড়ে যায়। প্রতি মাসে লাখ লাখ টাকা খরচ হলেও আয়ের খাতায় ছিল শূন্য। ফলে এই শো-রুমটিও বন্ধ করে দেয় তারা। বৃহস্পতিবার তাদের সেই শো-রুমে যাওয়ার পর দেখা যায়, আগের সেই বিশাল শো-রুম আর নেই, সেখানে এখন স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক লিমিটেড একটি শাখা চালু হয়েছে। আর পাশে ছোট একটি কক্ষে চলে গেছে কম্পিউটার সোর্স।
অসংখ্য শো-রুম বন্ধের মধ্যে গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে ব্যাংকের কাছে শত কোটি টাকা ঋণ নিয়ে ফেরত দিতে না পারার কারণে নতুন নামে ব্যবসা শুরু করতে যাচ্ছে কম্পিউটার সোর্স। নতুন এই প্রতিষ্ঠানের নাম দেওয়া হয়েছে 'স্টুডিও ম্যাশন লিমিটেড'। যদিও কম্পিউটার সোর্স একই সাথে ‘সিএসএম’ (কম্পিউটার সোর্স মেশিন) নামে একটি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে এবং ‘সেভাল ইলেক্ট্রনিক্স লিমিটেড’ নামে আরও একটি প্রতিষ্ঠান সিঙ্গাপুরে পরিচালনা করছে। সম্প্রতি জানা গেছে, কম্পিউটার সোর্সের কাছে প্রোডাক্ট ও সার্ভিস নেওয়া হলে 'স্টুডিও ম্যাশন লিমিটেড' নামে ইনভয়েস (ক্রয় রশিদ) দেওয়া হচ্ছে।
স্টুডিও ম্যাশন লিমিটেডের নামে দেওয়া ইনভয়েসে ঠিকানা দেওয়া বিটিএমসি ভবন, লেভেল-২, ৭-৯ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা। টেলিফোন নম্বর দেওয়া হয়েছে ৯১৪১৫৭৭, ৯১২৭৫৯২, ৯১১৮৬৯৭। ওয়েবসাইটের ঠিকানায় দেওয়া আছে www.studiomasonbd.com এই ঠিকানা। তবে ওয়েবসাইটে গিয়ে দেখা গেছে সাইটটি এখনও চালু হয়নি। জানা গেছে, এই একই ঠিকানাতে কম্পিউটার সোর্সের কর্পোরেট ডিল করা হয়। এখান থেকেই স্টুডিও ম্যাশন লিমিটেড নামের নতুন এই প্রতিষ্ঠান যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছে। কম্পিউটার সোর্সের একজন কর্মকর্তা বলছেন, ‘এখানে সোর্সের যেসব প্রোডাক্টে ওয়ারেন্টি নেই সেগুলোর সার্ভিস দেওয়া হয়’। তবে সোর্স নতুন নামে ব্যবসা করার উদ্দেশ্য কী, তা ব্যাখ্যা করতে পারেননি।
১৯৯৩ সাল থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কম্পিউটার সামগ্রী বাজারজাত শুরু করে প্রতিষ্ঠানটি। প্রায় তিন দশক ধরে ব্যবসা করতে গিয়ে কয়েক দফায় বিভিন্ন কারণে ব্যবসায় প্রভাব পড়লেও ২০১২ সালের পর থেকে অর্থনৈতিক সংকটে রয়েছে কম্পিউটার সোর্স। নিজেদের অনেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করার পাশাপাশি গত এক বছরেই অন্তত দুই শতাধিক কর্মী ছাঁটাই করেছে তারা। এসব বিষয়ের সত্যতা স্বীকার করেছেন কম্পিউটার সোর্সের পরিচালক (ডিস্ট্রিবিউশন সেলস) এ ইউ খান জুয়েল। তিনি বলছেন, ‘আমাদের সম্পত্তি ক্রয় করা ঠিক হয়নি। আমাদের ব্যবসায় নগদ টাকার প্রয়োজন।’
এ ইউ খান জুয়েল বলেন, ‘অর্ধেক বন্ধ হয়েছে ঠিক আছে কিন্তু দেখুন আমাদের গুলশানে দুটি অফিস ছিল বা উত্তরায় দুটি অফিস ছিল এমন আরও কিছু অফিস আমাদের ছিল। তবে কিছু অফিস আমাদের কেবি স্কয়ারে নিয়ে এসেছি। সব কর্পোরেট অফিস একত্রিত করেছি। আমরা রিটেইলে ব্যবসা করলে ক্যাশ করতে পারি কিন্তু কর্পোরেটে যে ব্যবসা করা হচ্ছে সেখানে এখনও আমাদের ১৪০ কোটি টাকা বাকি পড়ে আছে।’ গত কয়েক বছরে কম্পিউটার সোর্সের যে ২২টি শো-রুম বন্ধ হয়েছে। সেখান থেকে প্রায় ৫০/৬০ জন কর্মী ছাঁটাই করা হয়েছে বলে তিনি জানান। তবে কর্মী ছাঁটাই দেখে অন্যান্য বিভাগের সব মিলে দুই শতাধিক কর্মী চাকরি ছেড়েছে বলেও তিনি জানান।
কম্পিউটার সোর্সের একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার বলেন, ‘আমরা এখন সরাসরি রিটেইল না থাকার জন্য চেষ্টা করছি। এ জন্য কিছু কিছু সেলস সেন্টার বন্ধ হয়েছে। এ ছাড়া আমাদের সেলস সেন্টার বন্ধ করার জন্য ব্যবসায়ীরা আন্দোলনে নেমেছিল। ব্যবসায়ীরা দাবি করেছে কম্পিউটার মার্কেটে যেন কম্পিউটার সোর্স না থাকে। এসব কিছুর প্রেক্ষাপটে সেলস সেন্টারগুলো বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। তবে আমাদের কোনো ডিস্ট্রিবিউশন বন্ধ হয়নি।’ তিনি দাবি করেন, ‘ব্যবসার প্রয়োজনে অনেক কিছু পরিবর্তন করা হয়। ঠিক একইভাবে এটা আমাদের বিজনেস প্লানের একটি অংশ।’
সেলসে এখন কেন থাকবেন না? জানতে চাইলে এই কর্মকর্তা বলেন, ‘দেখুন আমরা কোনো সেলস কোম্পানি না। ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি। খুলনা ও বরিশালে কম্পিউটার সোর্স অফিসে হামলাও চালানো হয়েছিল। আগে প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন নাকি ব্যবসা করবেন? আমরা নিরাপত্তার কথা আগে চিন্তা করেছি। আর আমরা কিছু সেলস সেন্টার বন্ধ করলেও এখন বড় পরিসরে এগিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি। আগামী ১৩ মার্চ বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে লজিটেকের নতুন বাংলা কী-বোর্ড চালু হবে। আমরা ব্যবসা বন্ধ করে দিলে এসব নতুন করে চালু করছি কেন?’
নিজেদের ব্যবসার করুণ অবস্থার কারণে বিভিন্ন সময় নানা মুখী উদ্যোগ নিয়েছে কম্পিউটার সোর্স। এর মধ্যে অনলাইনে পণ্য বিক্রি করা এবং সম্প্রতি হার্ডওয়্যারের ব্যবসার পাশাপাশি ‘ইনফোটেক’ নামের নতুন একটি সফটওয়্যার উইং চালু করেছে। এ ব্যাপারে এ ইউ খান জুয়েল বলেন, ‘অনলাইনে আমরা প্রোডাক্ট বিক্রির ঘোষণা দিয়েছি কিন্তু ভালো রেসপন্স পাচ্ছি না। আর সফটওয়্যার ব্যবসা শুরু করেছি কারণ এখন এ ব্যবসার চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে।’
তবে বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির (বিসিসি) কার্যনির্বাহী কমিটির একজন নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘ক ব্যাংকম্পিউটার সোর্সের কাছে কয়েকশত কোটি টাকা পাওনা রয়েছে। ব্যাংক তাদের লেনদেন স্থগিত করেছে। কম্পিউটার ব্যবসায়ীদের আন্দোলনের কারণে তারা ব্যবসা বন্ধ করেনি। মার্কেটে টাকা মেরে দেওয়ার কোনো কারণও নেই। তাদের কর্মীদের ওপর কোনো হামলা হয়নি। আন্দোলন হয়েছে তিন বছর আগে। তাহলে এখন ব্যবসা বন্ধ করার কারণ কি? তাদের প্রায় সব আউটলেট বন্ধ। গত রোজার ঈদের আগে থেকেই ব্যবসা বন্ধের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘ডিস্ট্রিবিউটর হয়েও যখন কম্পিউটার সোর্স সারা দেশে শো-রুম খুলছিল তখন খুচরা পর্যায়ের ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অনেক মার্কেটে ব্যবসায়ীরা রীতিমত আন্দোলনে নেমেছেন। তখন এসব কিছুই তোয়াক্কা করেনি প্রতিষ্ঠানটি। যতদিনে উপলব্ধি হয়েছে ততদিনে বাজারে অনেক খুচরা পর্যায়ের ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে গেছেন। দেশজুড়ে যখন এসব শো-রুম করা হয় তখন স্থানীয় ডিলার ও খুচরা ব্যবসায়ীরা তীব্র আপত্তি করেছিল। আর এখন তা অপ্রয়োজনীয় মনে করছে, প্রচুর লোক ছাঁটাই করছে। বাজারে এর ফলে অস্থিরতা সৃষ্টি হবে।
Collected..preo
২০১২ সাল পরবর্তী কম্পিউটার সোর্স বেশ কয়েকটি ফ্ল্যাগশিপ শো-রুম চালু করেছিল প্রতিষ্ঠানটি। এর মধ্যে সবচেয়ে চোখে পড়ার মতো ছিল ধানমন্ডি-১৬ (পুরাতন-২৭)-এর শো-রুম। ৭ হাজার স্কয়ার ফিট এই শো-রুম চালু করার পর তারা লোকসানে পড়ে যায়। প্রতি মাসে লাখ লাখ টাকা খরচ হলেও আয়ের খাতায় ছিল শূন্য। ফলে এই শো-রুমটিও বন্ধ করে দেয় তারা। বৃহস্পতিবার তাদের সেই শো-রুমে যাওয়ার পর দেখা যায়, আগের সেই বিশাল শো-রুম আর নেই, সেখানে এখন স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক লিমিটেড একটি শাখা চালু হয়েছে। আর পাশে ছোট একটি কক্ষে চলে গেছে কম্পিউটার সোর্স।
অসংখ্য শো-রুম বন্ধের মধ্যে গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে ব্যাংকের কাছে শত কোটি টাকা ঋণ নিয়ে ফেরত দিতে না পারার কারণে নতুন নামে ব্যবসা শুরু করতে যাচ্ছে কম্পিউটার সোর্স। নতুন এই প্রতিষ্ঠানের নাম দেওয়া হয়েছে 'স্টুডিও ম্যাশন লিমিটেড'। যদিও কম্পিউটার সোর্স একই সাথে ‘সিএসএম’ (কম্পিউটার সোর্স মেশিন) নামে একটি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে এবং ‘সেভাল ইলেক্ট্রনিক্স লিমিটেড’ নামে আরও একটি প্রতিষ্ঠান সিঙ্গাপুরে পরিচালনা করছে। সম্প্রতি জানা গেছে, কম্পিউটার সোর্সের কাছে প্রোডাক্ট ও সার্ভিস নেওয়া হলে 'স্টুডিও ম্যাশন লিমিটেড' নামে ইনভয়েস (ক্রয় রশিদ) দেওয়া হচ্ছে।
স্টুডিও ম্যাশন লিমিটেডের নামে দেওয়া ইনভয়েসে ঠিকানা দেওয়া বিটিএমসি ভবন, লেভেল-২, ৭-৯ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা। টেলিফোন নম্বর দেওয়া হয়েছে ৯১৪১৫৭৭, ৯১২৭৫৯২, ৯১১৮৬৯৭। ওয়েবসাইটের ঠিকানায় দেওয়া আছে www.studiomasonbd.com এই ঠিকানা। তবে ওয়েবসাইটে গিয়ে দেখা গেছে সাইটটি এখনও চালু হয়নি। জানা গেছে, এই একই ঠিকানাতে কম্পিউটার সোর্সের কর্পোরেট ডিল করা হয়। এখান থেকেই স্টুডিও ম্যাশন লিমিটেড নামের নতুন এই প্রতিষ্ঠান যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছে। কম্পিউটার সোর্সের একজন কর্মকর্তা বলছেন, ‘এখানে সোর্সের যেসব প্রোডাক্টে ওয়ারেন্টি নেই সেগুলোর সার্ভিস দেওয়া হয়’। তবে সোর্স নতুন নামে ব্যবসা করার উদ্দেশ্য কী, তা ব্যাখ্যা করতে পারেননি।
১৯৯৩ সাল থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কম্পিউটার সামগ্রী বাজারজাত শুরু করে প্রতিষ্ঠানটি। প্রায় তিন দশক ধরে ব্যবসা করতে গিয়ে কয়েক দফায় বিভিন্ন কারণে ব্যবসায় প্রভাব পড়লেও ২০১২ সালের পর থেকে অর্থনৈতিক সংকটে রয়েছে কম্পিউটার সোর্স। নিজেদের অনেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করার পাশাপাশি গত এক বছরেই অন্তত দুই শতাধিক কর্মী ছাঁটাই করেছে তারা। এসব বিষয়ের সত্যতা স্বীকার করেছেন কম্পিউটার সোর্সের পরিচালক (ডিস্ট্রিবিউশন সেলস) এ ইউ খান জুয়েল। তিনি বলছেন, ‘আমাদের সম্পত্তি ক্রয় করা ঠিক হয়নি। আমাদের ব্যবসায় নগদ টাকার প্রয়োজন।’
এ ইউ খান জুয়েল বলেন, ‘অর্ধেক বন্ধ হয়েছে ঠিক আছে কিন্তু দেখুন আমাদের গুলশানে দুটি অফিস ছিল বা উত্তরায় দুটি অফিস ছিল এমন আরও কিছু অফিস আমাদের ছিল। তবে কিছু অফিস আমাদের কেবি স্কয়ারে নিয়ে এসেছি। সব কর্পোরেট অফিস একত্রিত করেছি। আমরা রিটেইলে ব্যবসা করলে ক্যাশ করতে পারি কিন্তু কর্পোরেটে যে ব্যবসা করা হচ্ছে সেখানে এখনও আমাদের ১৪০ কোটি টাকা বাকি পড়ে আছে।’ গত কয়েক বছরে কম্পিউটার সোর্সের যে ২২টি শো-রুম বন্ধ হয়েছে। সেখান থেকে প্রায় ৫০/৬০ জন কর্মী ছাঁটাই করা হয়েছে বলে তিনি জানান। তবে কর্মী ছাঁটাই দেখে অন্যান্য বিভাগের সব মিলে দুই শতাধিক কর্মী চাকরি ছেড়েছে বলেও তিনি জানান।
কম্পিউটার সোর্সের একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার বলেন, ‘আমরা এখন সরাসরি রিটেইল না থাকার জন্য চেষ্টা করছি। এ জন্য কিছু কিছু সেলস সেন্টার বন্ধ হয়েছে। এ ছাড়া আমাদের সেলস সেন্টার বন্ধ করার জন্য ব্যবসায়ীরা আন্দোলনে নেমেছিল। ব্যবসায়ীরা দাবি করেছে কম্পিউটার মার্কেটে যেন কম্পিউটার সোর্স না থাকে। এসব কিছুর প্রেক্ষাপটে সেলস সেন্টারগুলো বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। তবে আমাদের কোনো ডিস্ট্রিবিউশন বন্ধ হয়নি।’ তিনি দাবি করেন, ‘ব্যবসার প্রয়োজনে অনেক কিছু পরিবর্তন করা হয়। ঠিক একইভাবে এটা আমাদের বিজনেস প্লানের একটি অংশ।’
সেলসে এখন কেন থাকবেন না? জানতে চাইলে এই কর্মকর্তা বলেন, ‘দেখুন আমরা কোনো সেলস কোম্পানি না। ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি। খুলনা ও বরিশালে কম্পিউটার সোর্স অফিসে হামলাও চালানো হয়েছিল। আগে প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন নাকি ব্যবসা করবেন? আমরা নিরাপত্তার কথা আগে চিন্তা করেছি। আর আমরা কিছু সেলস সেন্টার বন্ধ করলেও এখন বড় পরিসরে এগিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি। আগামী ১৩ মার্চ বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে লজিটেকের নতুন বাংলা কী-বোর্ড চালু হবে। আমরা ব্যবসা বন্ধ করে দিলে এসব নতুন করে চালু করছি কেন?’
নিজেদের ব্যবসার করুণ অবস্থার কারণে বিভিন্ন সময় নানা মুখী উদ্যোগ নিয়েছে কম্পিউটার সোর্স। এর মধ্যে অনলাইনে পণ্য বিক্রি করা এবং সম্প্রতি হার্ডওয়্যারের ব্যবসার পাশাপাশি ‘ইনফোটেক’ নামের নতুন একটি সফটওয়্যার উইং চালু করেছে। এ ব্যাপারে এ ইউ খান জুয়েল বলেন, ‘অনলাইনে আমরা প্রোডাক্ট বিক্রির ঘোষণা দিয়েছি কিন্তু ভালো রেসপন্স পাচ্ছি না। আর সফটওয়্যার ব্যবসা শুরু করেছি কারণ এখন এ ব্যবসার চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে।’
তবে বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির (বিসিসি) কার্যনির্বাহী কমিটির একজন নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘ক ব্যাংকম্পিউটার সোর্সের কাছে কয়েকশত কোটি টাকা পাওনা রয়েছে। ব্যাংক তাদের লেনদেন স্থগিত করেছে। কম্পিউটার ব্যবসায়ীদের আন্দোলনের কারণে তারা ব্যবসা বন্ধ করেনি। মার্কেটে টাকা মেরে দেওয়ার কোনো কারণও নেই। তাদের কর্মীদের ওপর কোনো হামলা হয়নি। আন্দোলন হয়েছে তিন বছর আগে। তাহলে এখন ব্যবসা বন্ধ করার কারণ কি? তাদের প্রায় সব আউটলেট বন্ধ। গত রোজার ঈদের আগে থেকেই ব্যবসা বন্ধের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘ডিস্ট্রিবিউটর হয়েও যখন কম্পিউটার সোর্স সারা দেশে শো-রুম খুলছিল তখন খুচরা পর্যায়ের ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অনেক মার্কেটে ব্যবসায়ীরা রীতিমত আন্দোলনে নেমেছেন। তখন এসব কিছুই তোয়াক্কা করেনি প্রতিষ্ঠানটি। যতদিনে উপলব্ধি হয়েছে ততদিনে বাজারে অনেক খুচরা পর্যায়ের ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে গেছেন। দেশজুড়ে যখন এসব শো-রুম করা হয় তখন স্থানীয় ডিলার ও খুচরা ব্যবসায়ীরা তীব্র আপত্তি করেছিল। আর এখন তা অপ্রয়োজনীয় মনে করছে, প্রচুর লোক ছাঁটাই করছে। বাজারে এর ফলে অস্থিরতা সৃষ্টি হবে।
Collected..preo
Sunday, 12 March 2017
ক্ষতিগ্রস্ত চুলের যত্নে চার পরামর্শ
কম যত্ন নেওয়া, সূর্যের অতি বেগুণি রশ্মির প্রভাব, পরিবেশ দূষণ ইত্যাদি
বিভিন্ন কারণে চুলের ক্ষতি হয়। আর রুক্ষ, শুষ্ক চুল কার ভালো লাগে বলুন!
চুলের ক্ষতি কমাতে এবং চুল ভালো রাখতে কিছু পরামর্শ জানিয়েছে জীবনধারা
বিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাই।
১. কন্ডিশনার
চুলে কন্ডিশনার ব্যবহারের সময় শেষভাগ অর্থাৎ আগার দিকে বেশি গুরুত্ব দিন। আর চুলের ক্ষতি কমাতে শ্যাম্পুর পর অবশ্যই কন্ডিশনার ব্যবহার করুন।
২. শ্যাম্পু
শ্যাম্পু করার আগে জট ছাড়াতে অবশ্যই চুল আঁচড়ে নেবেন। চুলে শ্যাম্পু করার সময় আগার দিকে শ্যাম্পু কম ব্যবহার করুন। কারণ, চুলের আগা এমনিতেই একটু শুষ্ক থাকে। আর চুলের আগায় বেশি শ্যাম্পু ব্যবহার করলে চুল রুক্ষ হয়ে যায়।
৩. ট্রিম
চুলের ক্ষতি কমাতে নিয়মিত চুলে ট্রিম করুন। অন্য কথায় বলতে গেলে, মাঝেমধ্যেই চুলের আগা কাটুন। চুলের আগা ফেটে গেলে চুল বাড়তে অসুবিধা হয়।
৪. গরম তেলের ম্যাসাজ
চুলের ক্ষতি কমাতে তেল হালকা গরম করে ম্যাসাজ করুন। নারকেল বা কাঠবাদাম যে তেল আপনার পছন্দ, সেটিই ব্যবহার করুন। তেলের ম্যাসাজ মাথার তালুর রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়। এ ছাড়া চুলের রুক্ষতা প্রতিরোধে করতে পারেন হেয়ার স্পা।
১. কন্ডিশনারচুলে কন্ডিশনার ব্যবহারের সময় শেষভাগ অর্থাৎ আগার দিকে বেশি গুরুত্ব দিন। আর চুলের ক্ষতি কমাতে শ্যাম্পুর পর অবশ্যই কন্ডিশনার ব্যবহার করুন।
২. শ্যাম্পু
শ্যাম্পু করার আগে জট ছাড়াতে অবশ্যই চুল আঁচড়ে নেবেন। চুলে শ্যাম্পু করার সময় আগার দিকে শ্যাম্পু কম ব্যবহার করুন। কারণ, চুলের আগা এমনিতেই একটু শুষ্ক থাকে। আর চুলের আগায় বেশি শ্যাম্পু ব্যবহার করলে চুল রুক্ষ হয়ে যায়।
৩. ট্রিম
চুলের ক্ষতি কমাতে নিয়মিত চুলে ট্রিম করুন। অন্য কথায় বলতে গেলে, মাঝেমধ্যেই চুলের আগা কাটুন। চুলের আগা ফেটে গেলে চুল বাড়তে অসুবিধা হয়।
৪. গরম তেলের ম্যাসাজ
চুলের ক্ষতি কমাতে তেল হালকা গরম করে ম্যাসাজ করুন। নারকেল বা কাঠবাদাম যে তেল আপনার পছন্দ, সেটিই ব্যবহার করুন। তেলের ম্যাসাজ মাথার তালুর রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়। এ ছাড়া চুলের রুক্ষতা প্রতিরোধে করতে পারেন হেয়ার স্পা।
Wednesday, 8 March 2017
ঘাড়ের বলিরেখা দূর করার তিন উপায়
সূর্যের অতিবেগুণী রশ্মির প্রভাব, ঘুমের সময় ভুল অঙ্গবিন্যাস, ধূমপান ও
হরমোনের ভারসাম্যহীনতা ইত্যাদি বিভিন্ন কারণে ঘাড়ে বলিরেখা পড়ে। তবে
বলিরেখার চিকিৎসা খুব দ্রুত করতে হবে। বলিরেখা দূর করার জন্য ঘাড়ের ত্বকের
যত্ন নেওয়া প্রয়োজন। কিছু ঘরোয়া উপায় রয়েছে যেগুলো বলিরেখা কমাতে কাজ করে।ঘাড়ের বলিরেখা কমাতে কিছু ঘরোয়া উপায়ের কথা জানিয়েছে জীবনধারা বিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাইয়ের স্বাস্থ্য বিভাগ।
কলা
কলার মধ্যে রয়েছে উচ্চ পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এটি ত্বকের বলিরেখা কমাতে কাজ করে। একটি কলা চটকে নিন। এর মধ্যে সামান্য মধু মেশান। এরপর ঘাড়ে ম্যাসাজ করুন। ১০ মিনিট পর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
কাঠবাদামের তেল
কাঠবাদামের তেলের মধ্যেও রয়েছে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট। এটি বয়সের ছাপ কমাতে সাহায্য করে। কয়েক ফোঁটা কাঠবাদামের তেল গরম করুন। এর পর ঘাড়ে ম্যাসাজ করুন। ঘাড়ের বলিরেখা দূর করার জন্য দিনে দুই থেকে তিনবার এভাবে ম্যাসাজ করুন।
পেঁপে
ঘাড়ের বলিরেখা দূর করার আরেকটি অন্যতম উপায় হলো পেঁপের ব্যবহার। পেঁপের মধ্যে রয়েছে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট। এটি ঘাড়ের বলিরেখা দূর করতে খুব উপকারী। কয়েক টুকরো পেঁপে চটকে নিন। এর মধ্যে সামান্য মধু ও লেবু দিন। উপাদানগুলো ভালোভাবে মিশিয়ে ঘাড়ে লাগান। এই মাস্ক দিনে দুই থেকে তিনবার লাগান। এতে বলিরেখা সহজেই দূর হবে।
Saturday, 4 March 2017
হতাশা দূর করতে সাহায্য করবে এই ৮টি খাবার
হতাশাকে নীরব ঘাতক বলা হয়। এটি আমাদের মানসিক
স্বাস্থ্যের পাশাপাশি শরীরের ওপরে ব্যাপক প্রভাব ফেলে। এটি একটি মানসিক
অবস্থা যা আমাদের মন খারাপ করে এবং প্রতিদিনের কাজে আগ্রহ হারায়। বিভিন্ন
কারণে একজন মানুষ ডিপ্রেশন বা হতাশায় ভুগতে পারেন। হতাশা এমন একটি জিনিস যা মানুষকে তিলে তিলে শেষ করে দেয়। লো বা হাই ব্লাড প্রেশার, হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক এমনকি ডায়াবেটিসও হতে পারে দীর্ঘদিন স্ট্রেস থাকার কারণে। তাই হতাশাকে বাড়তে না দিয়ে এটি প্রতিরোধ করা উচিত। কিছু খাবার আছে যা হতাশা কমাতে সাহায্য করে।
১। টমেটো
হতাশা দূর করতে টমেটো বেশ কার্যকরী একটি খাবার। এর ফলিক অ্যাসিড এবং আলফা লিপোক অ্যাসিড হতাশা দূর করতে সাহায্য করে। গবেষণায় দেখা গেছে যারা হতাশায় ভুগে থাকেন তাদের নিয়মিত টমেটো খাওয়া হতাশা দূর করতে সাহায্য করে।
২। কাজুবাদাম
কাজুবাদাম জিঙ্কের অন্যতম উৎস। এক আউন্স কাজুবাদামে ১১% আরডিএ (RDA) পরিমাণ জিঙ্ক রয়েছে। অর্থাৎ জিঙ্কের দৈনিক চাহিদার ১১ শতাংশ দিতে পারে এক আউন্স কাজুবাদাম। শরীরে জিঙ্কের অভাব দেখা দিলে হতাশা, উদ্বেগ দেখা দেয়। আমাদের শরীর জিঙ্ক সংরক্ষণ করে রাখে না, তাই প্রতিদিন অল্প পরিমাণের হলেও জিঙ্ক খাওয়া উচিত। এটি আমাদের দুশ্চিন্তা দূর করে মন ভাল করে দেয়।
৩। মিষ্টি আলু
মিষ্টি আলুতে প্রচুর পরিমাণ বিটা ক্যারটিন এবং ভিটামিন বি৬ রয়েছে যা মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটায়। এটি হতাশা দূর করতেও বেশ কার্যকর।
৪। পেঁয়াজ এবং রসুন
অ্যান্টি ইনফ্লামেটরি, অ্যান্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ সবজি ক্যান্সার প্রতিরোধ করার পাশাপাশি আপনার মুড পরিবর্তন করতে সাহায্য করে। প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় পেঁয়াজ এবং রসুন রাখুন।
৫। অ্যাভাকাডো
অ্যাভাকাডো মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। এতে স্বাস্থ্যকর ফ্যাট, প্রোটিন, ভিটামিন বি, সি,ই এবং কে রয়েছে যা রক্তে চিনির মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।
৬। ডার্ক চকলেট
ডার্ক চকলেট মন ভালো করে দেয়ার ক্ষমতা রাখে। ডার্ক চকলেটে থাকা পলিফেনল মানসিক অবস্থা উন্নত করে। এছাড়া এটা রক্তচাপ কমাতেও সাহায্য করে। খুব বেশি স্ট্রেস অথবা মন খারাপের সময় এক টুকরো ডার্ক চকলেট খান। আর দেখুন নিমিষে মন ভাল হয়ে গেছে।
৭। আপেল
মনোবিজ্ঞানী দূরে রাখতে চাইলে প্রতিদিন একটি করে আপেল খাওয়ার অভ্যাস করুন। বেরি, আপেলে প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টি অক্সিডেন্ট রয়েছে যা সেলুলার স্তরে ইনফ্লামেশন মেরামত করে থাকে। দ্রবণীয় আঁশ হওয়ার এটি রক্তে চিনির মাত্রা নিয়ন্ত্রণ রাখতে সাহায্য করে। ছোটখাটো ক্ষুধা মেটাতে একটি আপেল খাওয়ার চেষ্টা করুন।
৮। পালংশাক
উচ্চ মাত্রার ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ এই পালং শাক ক্লান্ত বিষণ্ণতা দূর করে থাকে। এছাড়া এই শাক ভিটামিন এ, বি, সি এবং আয়রনের চমৎকার উৎস। সেই সাথে এতে থাকা প্রোটিন দেহের শক্তির মাত্রা বৃদ্ধি করে।
সূত্র: বোল্ড স্কাই
১। টমেটো
হতাশা দূর করতে টমেটো বেশ কার্যকরী একটি খাবার। এর ফলিক অ্যাসিড এবং আলফা লিপোক অ্যাসিড হতাশা দূর করতে সাহায্য করে। গবেষণায় দেখা গেছে যারা হতাশায় ভুগে থাকেন তাদের নিয়মিত টমেটো খাওয়া হতাশা দূর করতে সাহায্য করে।
২। কাজুবাদাম
কাজুবাদাম জিঙ্কের অন্যতম উৎস। এক আউন্স কাজুবাদামে ১১% আরডিএ (RDA) পরিমাণ জিঙ্ক রয়েছে। অর্থাৎ জিঙ্কের দৈনিক চাহিদার ১১ শতাংশ দিতে পারে এক আউন্স কাজুবাদাম। শরীরে জিঙ্কের অভাব দেখা দিলে হতাশা, উদ্বেগ দেখা দেয়। আমাদের শরীর জিঙ্ক সংরক্ষণ করে রাখে না, তাই প্রতিদিন অল্প পরিমাণের হলেও জিঙ্ক খাওয়া উচিত। এটি আমাদের দুশ্চিন্তা দূর করে মন ভাল করে দেয়।
৩। মিষ্টি আলু
মিষ্টি আলুতে প্রচুর পরিমাণ বিটা ক্যারটিন এবং ভিটামিন বি৬ রয়েছে যা মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটায়। এটি হতাশা দূর করতেও বেশ কার্যকর।
৪। পেঁয়াজ এবং রসুন
অ্যান্টি ইনফ্লামেটরি, অ্যান্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ সবজি ক্যান্সার প্রতিরোধ করার পাশাপাশি আপনার মুড পরিবর্তন করতে সাহায্য করে। প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় পেঁয়াজ এবং রসুন রাখুন।
৫। অ্যাভাকাডো
অ্যাভাকাডো মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। এতে স্বাস্থ্যকর ফ্যাট, প্রোটিন, ভিটামিন বি, সি,ই এবং কে রয়েছে যা রক্তে চিনির মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।
৬। ডার্ক চকলেট
ডার্ক চকলেট মন ভালো করে দেয়ার ক্ষমতা রাখে। ডার্ক চকলেটে থাকা পলিফেনল মানসিক অবস্থা উন্নত করে। এছাড়া এটা রক্তচাপ কমাতেও সাহায্য করে। খুব বেশি স্ট্রেস অথবা মন খারাপের সময় এক টুকরো ডার্ক চকলেট খান। আর দেখুন নিমিষে মন ভাল হয়ে গেছে।
৭। আপেল
মনোবিজ্ঞানী দূরে রাখতে চাইলে প্রতিদিন একটি করে আপেল খাওয়ার অভ্যাস করুন। বেরি, আপেলে প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টি অক্সিডেন্ট রয়েছে যা সেলুলার স্তরে ইনফ্লামেশন মেরামত করে থাকে। দ্রবণীয় আঁশ হওয়ার এটি রক্তে চিনির মাত্রা নিয়ন্ত্রণ রাখতে সাহায্য করে। ছোটখাটো ক্ষুধা মেটাতে একটি আপেল খাওয়ার চেষ্টা করুন।
৮। পালংশাক
উচ্চ মাত্রার ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ এই পালং শাক ক্লান্ত বিষণ্ণতা দূর করে থাকে। এছাড়া এই শাক ভিটামিন এ, বি, সি এবং আয়রনের চমৎকার উৎস। সেই সাথে এতে থাকা প্রোটিন দেহের শক্তির মাত্রা বৃদ্ধি করে।
সূত্র: বোল্ড স্কাই
যে খাবারগুলো নিয়ন্ত্রণ করবে কোলেস্টেরল
বর্তমান সময়ে সাধারণ একটি শারীরিক সমস্যা হলো কোলেস্টেরল। কোলেস্টেরল রক্তের মাঝে প্রাপ্ত এক ধরনের ফ্যাট। মস্তিস্ক, ত্বক, এবং
অন্যান্য অঙ্গের বৃদ্ধি এবং সঠিক ভাবে কাজ করার জন্য দেহে কোলেস্টেরলের
প্রয়োজন হয়। তবে এই উপাদানটি প্রয়োজনের তুলনায় দেহে যদি বেশি হয়ে যায় তখন
তা নানা সমস্যার সৃষ্টি করে। সেন্টার ফর ডিজিস কন্ট্রোল এন্ড প্রিভেনশন (CDC) এর
জরিপ অনুযায়ী এক তৃতীয়াংশ আমেরিকান প্রাপ্ত বয়স্করা হাই কোলেস্টেরল বা
“খারাপ কোলেস্টেরল” সমস্যায় ভুগে থাকেন। উচ্চ কোলেস্টেরল হৃদ স্বাস্থ্যের
জন্য ক্ষতিকর। কোলেস্টেরলকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়, লো-ডেনসিটি লিপোপ্রোটিন, ভেরি-লো-ডেনসিটি লিপোপ্রোটিন এবং হাই-ডেনসিটি- লিপোপ্রোটিন। লো-ডেনসিটি-লিপোপ্রোটিন এবং ভেরি-লো-ডেনসিটি-লিপোপ্রোটিন স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। তবে হাই-ডেনসিটি-লিপোপ্রোটিন স্বাস্থ্যের জন্য উপকারি।
বিভিন্ন কারনে রক্তে কোলেস্টেরলের পরিমাণ বৃদ্ধি পেতে পারে। সময়মত নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে এর কারণে দেখা দিতে পারে নানান অসুখ। কিছু খাবার আছে যা কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করবে। জেনে নিন সেই খাবারের তালিকাটি।
১। ওটমিল
সকালের নাস্তায় ওটমিল খাবারটি রাখুন। এটি রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। এর ফাইবার দীর্ঘক্ষণ পেট ভরিয়ে রাখে এবং ইমশোনাল ইটিং থেকে বিরত রাখে।
২। কমলার রস
তাজা কমলার রস কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে থাকে। এক গবেষণায় দেখা গেছে দিনে ৩ গ্লাস কমলার রস এক মাসের মধ্যে এচডিএল এর লেভল শতকরা ২১ পারসেন্ট এবং এলডিএল বা এচডিএল এর মাত্রা ১৩ পারসেন্ট পর্যন্ত কমিয়ে দিয়ে থাকে। আপনি যদি কোলেস্টেরলের রোগী হয়ে থাকেন তবে নিয়মিত কমলার রস পান করুন।
৩। কাঠবাদাম
স্বাস্থ্যকর হালকা খাবার হিসেবে কাঠাবাদাম অতুলনীয়। এতে রয়েছে মোনোস্যাচুরেটেড ফ্যাট এবং ফাইবার যা খারাপ কোলেস্টেরল দূর করে ভালো কোলেস্টেরল বৃদ্ধি করে থাকে। প্রতিদিন এক মুঠো কাঠাবাদাম খাওয়ার চেষ্টা করুন।
৪। গ্রিন টি
দিন কয়েক কাপ গ্রিন টি পান করা হতে পারে খারাপ কোলেস্টেরল কমানোর সবচাইতে সহজ একটি উপায়।
৫। অলিভ অয়েল
স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন করার জন্য অলিভ অয়েলের বিকল্প নাই। এটি খাবারের স্বাদ মান অটুট রেখে শরীরের কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। প্রতিদিনকার খাবারে অলিভ অয়েল ব্যবহার করুন।
৬। রসুন
রসুন শুধু হৃদস্বাস্থ্যের জন্য ভালো তা কিন্তু নয় এটি রক্তে কোলেস্টেরল মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। দুই তিনটি কাঁচা রসুন প্রতিদিন খালি পেটে খাওয়ার চেষ্টা করুন। এছাড়া রান্নায় রসুন ব্যবহার করুন।
৭। ডার্ক চকলেট
আমেরিকান জার্নাল অফ ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশন ২০১৩ সালে গবেষণায় দেখেছে যে, ডার্ক চকলেটে থাকা উপাদান রক্ত কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে। খুব বেশি পরিমাণে নয় এক বা দুটি ছোট টুকরো ডার্ক চকলেট প্রতিদিন খাওয়ার চেষ্টা করুন।
এছাড়া অ্যাভোকাডো, সয়াবিন, মাছ, স্ট্রবেরি, ব্রোকলি ইত্যাদি খাবার রক্তে কোলেস্টেরলে নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে।
সূত্র: টপ টেন হোম রিমিডিস
বিভিন্ন কারনে রক্তে কোলেস্টেরলের পরিমাণ বৃদ্ধি পেতে পারে। সময়মত নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে এর কারণে দেখা দিতে পারে নানান অসুখ। কিছু খাবার আছে যা কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করবে। জেনে নিন সেই খাবারের তালিকাটি।
১। ওটমিল
সকালের নাস্তায় ওটমিল খাবারটি রাখুন। এটি রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। এর ফাইবার দীর্ঘক্ষণ পেট ভরিয়ে রাখে এবং ইমশোনাল ইটিং থেকে বিরত রাখে।
২। কমলার রস
তাজা কমলার রস কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে থাকে। এক গবেষণায় দেখা গেছে দিনে ৩ গ্লাস কমলার রস এক মাসের মধ্যে এচডিএল এর লেভল শতকরা ২১ পারসেন্ট এবং এলডিএল বা এচডিএল এর মাত্রা ১৩ পারসেন্ট পর্যন্ত কমিয়ে দিয়ে থাকে। আপনি যদি কোলেস্টেরলের রোগী হয়ে থাকেন তবে নিয়মিত কমলার রস পান করুন।
৩। কাঠবাদাম
স্বাস্থ্যকর হালকা খাবার হিসেবে কাঠাবাদাম অতুলনীয়। এতে রয়েছে মোনোস্যাচুরেটেড ফ্যাট এবং ফাইবার যা খারাপ কোলেস্টেরল দূর করে ভালো কোলেস্টেরল বৃদ্ধি করে থাকে। প্রতিদিন এক মুঠো কাঠাবাদাম খাওয়ার চেষ্টা করুন।
৪। গ্রিন টি
দিন কয়েক কাপ গ্রিন টি পান করা হতে পারে খারাপ কোলেস্টেরল কমানোর সবচাইতে সহজ একটি উপায়।
৫। অলিভ অয়েল
স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন করার জন্য অলিভ অয়েলের বিকল্প নাই। এটি খাবারের স্বাদ মান অটুট রেখে শরীরের কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। প্রতিদিনকার খাবারে অলিভ অয়েল ব্যবহার করুন।
৬। রসুন
রসুন শুধু হৃদস্বাস্থ্যের জন্য ভালো তা কিন্তু নয় এটি রক্তে কোলেস্টেরল মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। দুই তিনটি কাঁচা রসুন প্রতিদিন খালি পেটে খাওয়ার চেষ্টা করুন। এছাড়া রান্নায় রসুন ব্যবহার করুন।
৭। ডার্ক চকলেট
আমেরিকান জার্নাল অফ ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশন ২০১৩ সালে গবেষণায় দেখেছে যে, ডার্ক চকলেটে থাকা উপাদান রক্ত কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে। খুব বেশি পরিমাণে নয় এক বা দুটি ছোট টুকরো ডার্ক চকলেট প্রতিদিন খাওয়ার চেষ্টা করুন।
এছাড়া অ্যাভোকাডো, সয়াবিন, মাছ, স্ট্রবেরি, ব্রোকলি ইত্যাদি খাবার রক্তে কোলেস্টেরলে নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে।
সূত্র: টপ টেন হোম রিমিডিস
সাগরতলে লাল ড্রাগন!
ড্রাগন দেখা গেছে! তাও সমুদ্রের গভীরে। এতদিন ড্রাগন ছিল চীন-জাপানের
উপকথায়। তবে এবার অস্ট্রেলিয়ায় সমুদ্রের ১৬৪ ফুট গভীরে পাঠানো ক্যামেরায়
ধরা পড়েছে ড্রাগনের মতো সামুদ্রিক প্রাণী
বিশেষজ্ঞদের দাবি, সি ড্রাগন নামে একটি সামুদ্রিক প্রাণীর অস্তিত্ব আগেই ধরা পড়েছে। কিন্তু এবার ধরা পড়ল লাল রঙের সি ড্রাগন। প্রাণীটির পুরো শরীর লাল। একটা লেজও আছে। লেজ নাড়িয়ে প্রাণীটি গভীর সমুদ্রে ভেসে বেড়ায়। লাল বর্ণের কারণে বিশেষজ্ঞরা এর নাম দিয়েছে রুবি সি ড্রাগন।
মেইল অনলাইন জানিয়েছে, অস্ট্রেলিয়ার পশ্চিমাঞ্চলে গভীর সমুদ্রে ভাসিয়ে দেওয়া ক্যামেরায় লাল রঙের ওই সি ড্রাগন ধরা পড়ে।
সমুদ্র নিয়ে গবেষণা করেন অধ্যাপক গ্রেগ রাউস। তিনি বলেন, ‘এর আগে দুই ধরনের সি ড্রাগন পেয়েছি আমরা। কিন্তু আমাদের ধারণা ছিল না তৃতীয় আরো একধরনের সি ড্রাগন পাওয়া যাবে।’
ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, রঙে ও চলাফেরায় অন্য দুই প্রকার সি ড্রাগনের চেয়ে এটা আলাদা। সি ড্রাগন প্রথম দেখা যায় ১৯১৯ সালে। বিশেষজ্ঞরা এর নাম দিয়েছেন সাধারণ সি ড্রাগন। যার গায়ের রং হলুদ ও বেগুনি।
পরে যে ধরনের সি ড্রাগন দেখা যায় তা সবুজ ও কমলা রঙের। তবে সবুজের আধিক্যই বেশি। সহজেই সবুজ পাতার মধ্যে অদৃশ্য হয়ে যাওয়ার ক্ষমতা রাখে। অর্থাৎ বোঝাই যায় না আসলে পাতা কোনটা আর সি ড্রাগন কোনটা। এ কারণে একে ‘লিফি’ সি ড্রাগনও বলেন বিশেষজ্ঞরা।
ওই দুই প্রকার সি ড্রাগনের সঙ্গে সদ্য চোখে পড়া সি ড্রাগনের কিছুটা পার্থক্য আছে। লাল সি ড্রাগনের লেজ আছে তা নাড়াচাড়া করতে পারে ওই প্রাণী। সাধারণ ও লিফি সি ড্রাগনেরও লেজ আছে তবে তা নড়াচড়া করে না। আর ওই দুই সি ড্রাগন এত গভীর সমুদ্রে থাকে না। কিন্তু আবাস হিসেবে গভীর সমুদ্রই পছন্দ লাল সি ড্রাগনের!
রঙের পাশাপাশি দেহের গড়ন ও জীবনধারণ আলাদা হওয়ায় লাল সি ড্রাগন চোখে পড়ার পর রীতিমতো বিস্মিত হয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ার বিশেষজ্ঞ নেরিদা উইলসন বলেন, এখনো অনেক কিছু আছে যা আমাদের চোখে পড়েনি।’
বিশেষজ্ঞদের দাবি, সি ড্রাগন নামে একটি সামুদ্রিক প্রাণীর অস্তিত্ব আগেই ধরা পড়েছে। কিন্তু এবার ধরা পড়ল লাল রঙের সি ড্রাগন। প্রাণীটির পুরো শরীর লাল। একটা লেজও আছে। লেজ নাড়িয়ে প্রাণীটি গভীর সমুদ্রে ভেসে বেড়ায়। লাল বর্ণের কারণে বিশেষজ্ঞরা এর নাম দিয়েছে রুবি সি ড্রাগন।
মেইল অনলাইন জানিয়েছে, অস্ট্রেলিয়ার পশ্চিমাঞ্চলে গভীর সমুদ্রে ভাসিয়ে দেওয়া ক্যামেরায় লাল রঙের ওই সি ড্রাগন ধরা পড়ে।
সমুদ্র নিয়ে গবেষণা করেন অধ্যাপক গ্রেগ রাউস। তিনি বলেন, ‘এর আগে দুই ধরনের সি ড্রাগন পেয়েছি আমরা। কিন্তু আমাদের ধারণা ছিল না তৃতীয় আরো একধরনের সি ড্রাগন পাওয়া যাবে।’
ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, রঙে ও চলাফেরায় অন্য দুই প্রকার সি ড্রাগনের চেয়ে এটা আলাদা। সি ড্রাগন প্রথম দেখা যায় ১৯১৯ সালে। বিশেষজ্ঞরা এর নাম দিয়েছেন সাধারণ সি ড্রাগন। যার গায়ের রং হলুদ ও বেগুনি।
পরে যে ধরনের সি ড্রাগন দেখা যায় তা সবুজ ও কমলা রঙের। তবে সবুজের আধিক্যই বেশি। সহজেই সবুজ পাতার মধ্যে অদৃশ্য হয়ে যাওয়ার ক্ষমতা রাখে। অর্থাৎ বোঝাই যায় না আসলে পাতা কোনটা আর সি ড্রাগন কোনটা। এ কারণে একে ‘লিফি’ সি ড্রাগনও বলেন বিশেষজ্ঞরা।
ওই দুই প্রকার সি ড্রাগনের সঙ্গে সদ্য চোখে পড়া সি ড্রাগনের কিছুটা পার্থক্য আছে। লাল সি ড্রাগনের লেজ আছে তা নাড়াচাড়া করতে পারে ওই প্রাণী। সাধারণ ও লিফি সি ড্রাগনেরও লেজ আছে তবে তা নড়াচড়া করে না। আর ওই দুই সি ড্রাগন এত গভীর সমুদ্রে থাকে না। কিন্তু আবাস হিসেবে গভীর সমুদ্রই পছন্দ লাল সি ড্রাগনের!
রঙের পাশাপাশি দেহের গড়ন ও জীবনধারণ আলাদা হওয়ায় লাল সি ড্রাগন চোখে পড়ার পর রীতিমতো বিস্মিত হয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ার বিশেষজ্ঞ নেরিদা উইলসন বলেন, এখনো অনেক কিছু আছে যা আমাদের চোখে পড়েনি।’
ভিনগ্রহী লুকাচ্ছে নাসা?
যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা ভিনগ্রহীদের (এলিয়ন) লুকিয়ে
রাখছে বলে অভিযোগ করেছে ইউএফও (ভিনগ্রহী যান) বিশ্বাসীরা। সোমবার
যুক্তরাজ্যের সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইল এ খবর জানিয়েছে।খবরে বলা হয়েছে, ষড়যন্ত্র তাত্ত্বিকদের দল সুরক্ষা-১০ এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও আপলোড করেছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, নাসার এক নভোচারী মহাকাশ থেকে পৃথিবীর দৃশ্য ধারণ করার সময় একটি ‘রসহস্যময়’ আলো ধরা পড়ে। কিন্তু ওই নভোচারী তখন ক্যামেরার সামনে হাত দিয়ে তা গোপন করার চেষ্টা করেন।
ইউএফও বিশ্বাসী দলের অভিযোগ, মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা এলিয়েনদের তথ্য-প্রমাণ গোপন করছে।
তাদের অভিযোগ, যখন উজ্জ্বল আলোটি দেখা যায়, তখন ওই নভোচারী ক্যামেরার সামনে তার হাত দিয়ে তা গোপন করেন। একই ধরনের আরো একটি ঘটনা লুকানো হয়েছে। যখন দেখা যায়, একটি আলো পৃথিবী অতিক্রম করছিল, ঠিক তখনই ওই নভোচারী নিজের হাতে ক্যামেরার ঢাকনা লাগিয়ে দেন।
এদিকে, ভিডিও আপলোডের পর এক মন্তব্যকারী লিখেছেন, ‘সেখানে অবিশ্বাস্য কিছু ক্লিপস রয়েছে, যা এর আগে আমি কখনোই দেখিনি। কীভাবে একজন এমন দৃশ্য ঢেকে রাখতে পারে?’
নাসার ইউটিউব চ্যানেল ব্যবহারকারী কোল্ড পাইরোর আপলোড করা ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, একটি সাদা আলোর কণিকা অন্ধকার থেকে পৃথিবীর দিকে আসছে। নাসার অফিশিয়াল চ্যানেল দেখতে পায় যে, ইউএফওটি ক্যামেরার ফ্রেমের মধ্যে চলে আসছে তখন দ্রুত এটি কাট করা হয়।
প্রথমবারের মতো তোলা হবে কৃষ্ণগহ্বরের ছবি
সাজিটারিয়াস এ-স্টারের ছবি তুলতে প্রস্তুত ইভেন্ট হোরাইজন টেলিস্কোপ বা
ইএইচটি। এপ্রিলের ৫ থেকে ১৪ তারিখ পর্যন্ত এই ভার্চুয়াল টেলিস্কোপ আমাদের
ছায়াপথের কেন্দ্রে থাকা ব্ল্যাকহোল বা কৃষ্ণগহ্বরটির ছবি তোলার কাজ করবে।
দুই দশক ধরে এই টেলিস্কোপ নির্মাণের কাজ চলেছে। ইএনগ্যাজেটের একটি
প্রতিবেদন জানাচ্ছে এ তথ্য।ইভেন্ট হোরাইজন টেলিস্কোপ বা ইএইচটি মূলত বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা শক্তিশালী রেডিও টেলিস্কোপের সন্নিবেশ। ‘ভেরি-লং-বেসলাইন ইন্টারফেরোমেট্রি’ পদ্ধতির মাধ্যমে সারা পৃথিবীকে পরিবেষ্টন করে রাখা টেলিস্কোপগুলো একটি একক টেলিস্কোপ হিসেবে কাজ করবে। সাজিটারিয়াস এ-স্টারকে পর্যবেক্ষণ করতে খুবই শক্তিশালী টেলিস্কোপের দরকার, কারণ দূরত্বের হিসাবে পৃথিবী থেকে কৃষ্ণগহ্বরটির ফারাক অনেক বেশি। ২৬ হাজার আলোকবর্ষের কৃষ্ণবিবরের ওজন আমাদের সূর্যের চার কোটি গুণ! পৃথিবী থেকে চাঁদের মাঝে একটি আঙুরকে দেখার সঙ্গে সাজিটারিয়াসকে খুঁজে বের করার তুলনা দিয়েছেন বিজ্ঞানীরা।
ছবি তোলার এই কর্মযজ্ঞে বেশ ভালোমতো প্রস্তুতি নিচ্ছে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন অবজারভেটরি। অতি সূক্ষ্ম দিনক্ষণ গণনার জন্য ব্যবহার করা হবে পারমাণবিক ঘড়ি। একই সঙ্গে বিপুল পরিমাণ ডাটা সংগ্রহের জন্য রাখা হয়েছে প্রচুর স্টোরেজ ব্যবস্থা, যা কি না প্রায় ১০ হাজার ল্যাপটপের ধারণক্ষমতার সমান। সারা বিশ্ব থেকে এসব হার্ডড্রাইভ নিয়ে যাওয়া হবে এমআইটির হ্যাস্ট্যাক অবজারভেটরিতে। সংগৃহীত এইসব ডাটা দীর্ঘ পর্যালোচনা করে সেখান থেকে পূর্ণাঙ্গ ফল পাওয়া যাবে।
গবেষকরা জানাচ্ছেন, ২০১৮ সালের শুরুর আগে মনুষ্যজাতির তোলা প্রথম কৃষ্ণগহ্বরের ছবি পাওয়া যাবে না। কেমন হবে কৃষ্ণগহ্বরের ছবি, তার একটি নমুনা তৈরি করেছে কম্পিউটার সিমুলেশনের মাধ্যমে।
আইনস্টাইনের থিওরি অব রিলেটিভিটি থেকে ধারণা করা যায়, কালো একটি বিন্দুর পাশে অর্ধচন্দ্রাকার আলোর ছটা হিসেবেই দেখা যাবে ব্ল্যাকহোলকে। মূলত কোনো কৃষ্ণগহ্বরকে সরাসরি দেখা বা ছবি তোলা অসম্ভব। তবে তার ঘটনা দিগন্ত বা ইভেন্ট হোরাইজনের পাশে থাকা আলোকরশ্মির ছবি তোলা সম্ভব। এই আলোকরশ্মির মাধ্যমেই কৃষ্ণগহ্বরের অবস্থান নিশ্চিত করা যায়।
ল্যাপটপ পরিষ্কারের সহজ তিন উপায়
ঘর বা অফিসে সবচেয়ে বেশি ময়লা হওয়ার তালিকার মধ্যে যেই জিনিসটি রয়েছে,
সেটি হলো ল্যাপটপ। ল্যাপটপের ধুলা থেকে বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যাও হতে
পারে। সপ্তাহে একদিন অন্তত ভালোভাবে ল্যাপটপ ও এর কিবোর্ড পরিষ্কার করা
উচিত। ল্যাপটপ পরিষ্কারের তিনটি সহজ পদ্ধতি জানিয়েছে টাইমস অব ইন্ডিয়া।ল্যাপটপ পরিষ্কারের ক্ষেত্রে ডিসটিলড ওয়াটার বা পরিশোষিত পানি ব্যবহার করুন। ভালোভাবে পরিষ্কারের জন্য ঘরে তৈরি দ্রবণ ব্যবহার করতে পারেন। যেমন : পানির মধ্যে সাদা ভিনেগার মিশিয়ে পরিষ্কার করতে পারেন। অ্যালকোহল ব্যবহার করা যাবে না। অ্যামোনিয়া ব্যবহার করা যেতে পারে।
দ্রবণ তৈরি করার পর একে ছোট কনটেইনারের মধ্যে ঢালুন। এমন কনটেইনার নিন, যেটি দিয়ে স্প্রে করা যায়। এরপর ল্যাপটপে দ্রবণটি স্প্রে করুন।
একটি নরম কাপড় নিন। হালকাভাবে কাপড়টি দিয়ে ল্যাপটপ পরিষ্কার করুন। খেয়াল রাখুন, যেন আঙুলের চাপ না পড়ে। ধীরে ধীরে বৃত্তাকারভাবে কাপড়টি দিয়ে ল্যাপটপ পরিষ্কার করুন। এভাবে পরিষ্কার করলে ল্যাপটপ অনেক দিন ভালো ও সুন্দর থাকবে।
আঙুরের প্যাক গরমে ত্বক সতেজ রাখে
গরমের সময় ত্বক মলিন ও প্রাণহীন হয়ে যায়। আর সূর্যের রশ্মির কারণে ত্বক
কালচে ও রুক্ষ হয়। এ সময় ত্বকের পরিচর্যায় আঙুর অবশ্যই রাখবেন। এই ফলের
সঙ্গে আরো কয়েকটি প্রাকৃতিক উপাদান মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে মুখে লাগান।
বোল্ডস্কাই ওয়েবসাইটের জীবনধারা বিভাগে আঙুর দিয়ে তৈরি একটি প্যাকের
পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। একনজরে দেখে নিন।
যা যা লাগবে
আঙুর ৮/১০টি, বেসন দুই চা চামচ, টক দই বা ফ্রেশ ক্রিম দুই চা চামচ, মধু এক চা চামচ, হলুদের গুঁড়া এক চা চামচ।
যেভাবে তৈরি করবেন
প্রথমে একটি বাটিতে আঙুর নিয়ে কাঁটা চামচ দিয়ে থেঁতলে নিন। এবার হাত দিয়ে চটকে এর রস বের করে নিন। এর মধ্যে বেসন দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন। এখন এতে হলুদ গুঁড়া, মধু ও টক দই দিয়ে ঘন প্যাক তৈরি করুন। এই প্যাক মুখে, ঘাড়ে ও গলায় লাগিয়ে শুকানো পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। এরপর ধুয়ে ফেলুন।
ত্বকে আঙুরের উপকারিতা
১. আঙুরের বিচি ত্বককে সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি থেকে রক্ষা করে। এটি ত্বকে প্রকৃতিক সানস্ক্রিনের কাজ করে।
২. চেহারার বয়সের ছাপ দূর করে তারুণ্য ধরে রাখে আঙুর।
৩. ত্বকের রুক্ষতা দূর করে সতেজ রাখতে সাহায্য করে।
ত্বকে টক দইয়ের উপকারিতা
১. টক দইয়ের ল্যাকটিক এসিড ত্বকের বলিরেখা দূর করে।
২. ত্বকের মরা কোষ দূর করতে এটি বেশ কার্যকর।
৩. টক দইয়ের অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস কালচে দাগ দূর করে ত্বক উজ্জ্বল করে।
ত্বকে হলুদের উপকারিতা
১. হলুদের অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান ব্রণ ও সংক্রমণ দূর করে।
২. হলুদের প্রদাহবিরোধী উপাদান ত্বকের চুলকানি দূর করে।
৩. মেছতা ও কালো দাগ দূর করতে হলুদ সাহায্য করে।
ত্বকে মধুর উপকারিতা
১. ত্বক নরম ও মসৃণ রাখতে সাহায্য করে।
২. দীর্ঘক্ষণ ত্বক সতেজ রাখে।
৩. ত্বকের রুক্ষতা দূর করে আর্দ্রতা ধরে রাখে।
ত্বকে বেসনের উপকারিতা
১. বেসন ত্বকের অতিরিক্ত তেলতেলে ভাব দূর করে।
২. ত্বকের যেকোনো দাগ দূর করতে সাহায্য করে।
৩. কালচে দাগ দূর করে ত্বক উজ্জ্বল করতে সাহায্য করে।
যা যা লাগবে
আঙুর ৮/১০টি, বেসন দুই চা চামচ, টক দই বা ফ্রেশ ক্রিম দুই চা চামচ, মধু এক চা চামচ, হলুদের গুঁড়া এক চা চামচ।
যেভাবে তৈরি করবেন
প্রথমে একটি বাটিতে আঙুর নিয়ে কাঁটা চামচ দিয়ে থেঁতলে নিন। এবার হাত দিয়ে চটকে এর রস বের করে নিন। এর মধ্যে বেসন দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন। এখন এতে হলুদ গুঁড়া, মধু ও টক দই দিয়ে ঘন প্যাক তৈরি করুন। এই প্যাক মুখে, ঘাড়ে ও গলায় লাগিয়ে শুকানো পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। এরপর ধুয়ে ফেলুন।
ত্বকে আঙুরের উপকারিতা
১. আঙুরের বিচি ত্বককে সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি থেকে রক্ষা করে। এটি ত্বকে প্রকৃতিক সানস্ক্রিনের কাজ করে।
২. চেহারার বয়সের ছাপ দূর করে তারুণ্য ধরে রাখে আঙুর।
৩. ত্বকের রুক্ষতা দূর করে সতেজ রাখতে সাহায্য করে।
ত্বকে টক দইয়ের উপকারিতা
১. টক দইয়ের ল্যাকটিক এসিড ত্বকের বলিরেখা দূর করে।
২. ত্বকের মরা কোষ দূর করতে এটি বেশ কার্যকর।
৩. টক দইয়ের অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস কালচে দাগ দূর করে ত্বক উজ্জ্বল করে।
ত্বকে হলুদের উপকারিতা
১. হলুদের অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান ব্রণ ও সংক্রমণ দূর করে।
২. হলুদের প্রদাহবিরোধী উপাদান ত্বকের চুলকানি দূর করে।
৩. মেছতা ও কালো দাগ দূর করতে হলুদ সাহায্য করে।
ত্বকে মধুর উপকারিতা
১. ত্বক নরম ও মসৃণ রাখতে সাহায্য করে।
২. দীর্ঘক্ষণ ত্বক সতেজ রাখে।
৩. ত্বকের রুক্ষতা দূর করে আর্দ্রতা ধরে রাখে।
ত্বকে বেসনের উপকারিতা
১. বেসন ত্বকের অতিরিক্ত তেলতেলে ভাব দূর করে।
২. ত্বকের যেকোনো দাগ দূর করতে সাহায্য করে।
৩. কালচে দাগ দূর করে ত্বক উজ্জ্বল করতে সাহায্য করে।
Subscribe to:
Posts (Atom)
-
https://www.kalerkantho.com/online/lifestyle/2020/11/14/975592স্ট্রোক এমন একটি রোগ, যা মস্তিষ্কের অভ্যন্তরে এবং এর ভেতরের ধমনিগুলোকে প্রভাবি...
-
Apple announces “One More Thing” before the holiday season, Uber lets you reserve rides 30 days in advance and Spotify makes another podcas...
-
An aspect of video calls that many of us take for granted is the way they can switch between feeds to highlight whoever’s speaking. Great — ...
-
Bipolar Transistor Basics In the Diode tutorials we saw that simple diodes are made up from two pieces of semiconductor material,...










