Ads

Showing posts with label Computer Technology. Show all posts
Showing posts with label Computer Technology. Show all posts

Sunday, 13 September 2020

Web Design & Development Service

ElectronThemes
 

ElectronThemes is a web-based software company. We provide HTML Template, Dashboard Template, premium WordPress and ghost themes for our customers, and also we provide Theme Development, Plugin Development, Ghost Theme Development services. More Details

Wednesday, 5 July 2017

Digital Marketing Executive Zero Formula....

Introduction :-  The term digital marketing was first used in the 1990s,but digital marketing has roots in the mid-1980s,
when the SoftAd Group, now ChannelNet, developed advertising campaigns for automobile companies:
People sent in reader reply cards found in magazines and received in return floppy disks that contained multimedia content.
https://www.youtube.com/watch?v=mrO-e4CXK0MKnown as The Digital Marketing:-  Digital marketing became more sophisticated in the 2000s and the 2010s, when the proliferation of devices'
capability to access digital media at almost any given time led to great growth.
Statistics produced in 2012 and 2013 showed that digital marketing was still a growing field.
Digital marketing is often referred to as 'online marketing', 'internet marketing' or 'web marketing'.
The term digital marketing has grown in popularity over time, particularly in certain countries.
In the USA online marketing is still prevalent. In Italy, digital marketing is referred to as web marketing.
In the UK and worldwide, however, digital marketing has become the most common term,
especially after the year 2013. Digital media growth is estimated at 4.5
trillion online ads served annually with digital media spend at 48% growth in 2010.
An increasing portion of advertising stems from businesses employing Online Behavioural Advertising (OBA)
to tailor advertising for internet users, but OBA raises concern of consumer privacy and data protection.
A key objective is engaging digital marketing customers and allowing them to interact with the brand through
servicing and delivery of digital media. Information is easy to access at a fast rate through the use of digital communications.
 Users with access to the Internet can use many digital mediums, such as Facebook, YouTube, Forums, and Email etc.
Through Digital communications it creates a Multi-communication channel where information can be quickly exchanged
around the world by anyone without any regard to whom they are.

Comment of Digital Marketing:- 
There are a number of ways brands can use digital marketing to benefit their marketing efforts.
The use of digital marketing in the digital era not only allows for brands to market their products and services,
but also allows for online customer support through 24/7 services to make customers feel supported and valued.

Monday, 13 March 2017

ব্যবসা গুটিয়ে নিচ্ছে কম্পিউটার সোর্স!

https://www.youtube.com/watch?v=4o-aRApkkiY
দেশের শীর্ষ কম্পিউটার আমদানি ও বিপণন প্রতিষ্ঠান কম্পিউটার সোর্স লিমিটেড ব্যবসা গুটিয়ে নিচ্ছে বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে। ব্যাংক থেকে শত শত কোটি টাকা কম্পিউটার ব্যবসা করার নামে ঋণ নিয়ে সেই টাকায় টাঙ্গাইল, কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় কয়েক শত একর জমি ক্রয় এবং নিজেদের অনেক শো-রুম ক্রয়ের ফলে বিনিয়োগ করার নগদ টাকা সংকটে পড়েছে প্রতিষ্ঠানটি। ইতোমধ্যে দেশজুড়ে কম্পিউটার সোর্সের ৪৭টি শো-রুমের মধ্যে নোয়াখালী, চট্টগ্রাম (পাঁচটার মধ্যে ৩টা বন্ধ), ফেনীসহ ২৫টি বন্ধ হয়ে গেছে। অবশিষ্ট যে ২২টি শো-রুম চালু রয়েছে সেগুলোও বন্ধের পথে।
২০১২ সাল পরবর্তী কম্পিউটার সোর্স বেশ কয়েকটি ফ্ল্যাগশিপ শো-রুম চালু করেছিল প্রতিষ্ঠানটি। এর মধ্যে সবচেয়ে চোখে পড়ার মতো ছিল ধানমন্ডি-১৬ (পুরাতন-২৭)-এর শো-রুম। ৭ হাজার স্কয়ার ফিট এই শো-রুম চালু করার পর তারা লোকসানে পড়ে যায়। প্রতি মাসে লাখ লাখ টাকা খরচ হলেও আয়ের খাতায় ছিল শূন্য। ফলে এই শো-রুমটিও বন্ধ করে দেয় তারা। বৃহস্পতিবার তাদের সেই শো-রুমে যাওয়ার পর দেখা যায়, আগের সেই বিশাল শো-রুম আর নেই, সেখানে এখন স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক লিমিটেড একটি শাখা চালু হয়েছে। আর পাশে ছোট একটি কক্ষে চলে গেছে কম্পিউটার সোর্স।
অসংখ্য শো-রুম বন্ধের মধ্যে গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে ব্যাংকের কাছে শত কোটি টাকা ঋণ নিয়ে ফেরত দিতে না পারার কারণে নতুন নামে ব্যবসা শুরু করতে যাচ্ছে কম্পিউটার সোর্স। নতুন এই প্রতিষ্ঠানের নাম দেওয়া হয়েছে 'স্টুডিও ম্যাশন লিমিটেড'। যদিও কম্পিউটার সোর্স একই সাথে ‘সিএসএম’ (কম্পিউটার সোর্স মেশিন) নামে একটি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে এবং ‘সেভাল ইলেক্ট্রনিক্স লিমিটেড’ নামে আরও একটি প্রতিষ্ঠান সিঙ্গাপুরে পরিচালনা করছে। সম্প্রতি জানা গেছে, কম্পিউটার সোর্সের কাছে প্রোডাক্ট ও সার্ভিস নেওয়া হলে 'স্টুডিও ম্যাশন লিমিটেড' নামে ইনভয়েস (ক্রয় রশিদ) দেওয়া হচ্ছে।
স্টুডিও ম্যাশন লিমিটেডের নামে দেওয়া ইনভয়েসে ঠিকানা দেওয়া বিটিএমসি ভবন, লেভেল-২, ৭-৯ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা। টেলিফোন নম্বর দেওয়া হয়েছে ৯১৪১৫৭৭, ৯১২৭৫৯২, ৯১১৮৬৯৭। ওয়েবসাইটের ঠিকানায় দেওয়া আছে www.studiomasonbd.com এই ঠিকানা। তবে ওয়েবসাইটে গিয়ে দেখা গেছে সাইটটি এখনও চালু হয়নি। জানা গেছে, এই একই ঠিকানাতে কম্পিউটার সোর্সের কর্পোরেট ডিল করা হয়। এখান থেকেই স্টুডিও ম্যাশন লিমিটেড নামের নতুন এই প্রতিষ্ঠান যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছে। কম্পিউটার সোর্সের একজন কর্মকর্তা বলছেন, ‘এখানে সোর্সের যেসব প্রোডাক্টে ওয়ারেন্টি নেই সেগুলোর সার্ভিস দেওয়া হয়’। তবে সোর্স নতুন নামে ব্যবসা করার উদ্দেশ্য কী, তা ব্যাখ্যা করতে পারেননি।
১৯৯৩ সাল থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কম্পিউটার সামগ্রী বাজারজাত শুরু করে প্রতিষ্ঠানটি। প্রায় তিন দশক ধরে ব্যবসা করতে গিয়ে কয়েক দফায় বিভিন্ন কারণে ব্যবসায় প্রভাব পড়লেও ২০১২ সালের পর থেকে অর্থনৈতিক সংকটে রয়েছে কম্পিউটার সোর্স। নিজেদের অনেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করার পাশাপাশি গত এক বছরেই অন্তত দুই শতাধিক কর্মী ছাঁটাই করেছে তারা।  এসব বিষয়ের সত্যতা স্বীকার করেছেন কম্পিউটার সোর্সের পরিচালক (ডিস্ট্রিবিউশন সেলস) এ ইউ খান জুয়েল। তিনি বলছেন, ‘আমাদের সম্পত্তি ক্রয় করা ঠিক হয়নি। আমাদের ব্যবসায় নগদ টাকার প্রয়োজন।’
এ ইউ খান জুয়েল বলেন, ‘অর্ধেক বন্ধ হয়েছে ঠিক আছে কিন্তু দেখুন আমাদের গুলশানে দুটি অফিস ছিল বা উত্তরায় দুটি অফিস ছিল এমন আরও কিছু অফিস আমাদের ছিল। তবে কিছু অফিস আমাদের কেবি স্কয়ারে নিয়ে এসেছি। সব কর্পোরেট অফিস একত্রিত করেছি। আমরা রিটেইলে ব্যবসা করলে ক্যাশ করতে পারি কিন্তু কর্পোরেটে যে ব্যবসা করা হচ্ছে সেখানে এখনও আমাদের ১৪০ কোটি টাকা বাকি পড়ে আছে।’ গত কয়েক বছরে কম্পিউটার সোর্সের যে ২২টি শো-রুম বন্ধ হয়েছে। সেখান থেকে প্রায় ৫০/৬০ জন কর্মী ছাঁটাই করা হয়েছে বলে তিনি জানান। তবে কর্মী ছাঁটাই দেখে অন্যান্য বিভাগের সব মিলে দুই শতাধিক কর্মী চাকরি ছেড়েছে বলেও তিনি জানান।
কম্পিউটার সোর্সের একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার বলেন, ‘আমরা এখন সরাসরি রিটেইল না থাকার জন্য চেষ্টা করছি। এ জন্য কিছু কিছু সেলস সেন্টার বন্ধ হয়েছে। এ ছাড়া আমাদের সেলস সেন্টার বন্ধ করার জন্য ব্যবসায়ীরা আন্দোলনে নেমেছিল। ব্যবসায়ীরা দাবি করেছে কম্পিউটার মার্কেটে যেন কম্পিউটার সোর্স না থাকে। এসব কিছুর প্রেক্ষাপটে সেলস সেন্টারগুলো বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। তবে আমাদের কোনো ডিস্ট্রিবিউশন বন্ধ হয়নি।’ তিনি দাবি করেন, ‘ব্যবসার প্রয়োজনে অনেক কিছু পরিবর্তন করা হয়। ঠিক একইভাবে এটা আমাদের বিজনেস প্লানের একটি অংশ।’
সেলসে এখন কেন থাকবেন না? জানতে চাইলে এই কর্মকর্তা বলেন, ‘দেখুন আমরা কোনো সেলস কোম্পানি না। ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি। খুলনা ও বরিশালে কম্পিউটার সোর্স অফিসে হামলাও চালানো হয়েছিল। আগে প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন নাকি ব্যবসা করবেন? আমরা নিরাপত্তার কথা আগে চিন্তা করেছি। আর আমরা কিছু সেলস সেন্টার বন্ধ করলেও এখন বড় পরিসরে এগিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি। আগামী ১৩ মার্চ বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে লজিটেকের নতুন বাংলা কী-বোর্ড চালু হবে। আমরা ব্যবসা বন্ধ করে দিলে এসব নতুন করে চালু করছি কেন?’
নিজেদের ব্যবসার করুণ অবস্থার কারণে বিভিন্ন সময় নানা মুখী উদ্যোগ নিয়েছে কম্পিউটার সোর্স। এর মধ্যে অনলাইনে পণ্য বিক্রি করা এবং সম্প্রতি হার্ডওয়্যারের ব্যবসার পাশাপাশি ‘ইনফোটেক’ নামের নতুন একটি সফটওয়্যার উইং চালু করেছে। এ ব্যাপারে এ ইউ খান জুয়েল বলেন, ‘অনলাইনে আমরা প্রোডাক্ট বিক্রির ঘোষণা দিয়েছি কিন্তু ভালো রেসপন্স পাচ্ছি না। আর সফটওয়্যার ব্যবসা শুরু করেছি কারণ এখন এ ব্যবসার চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে।’
তবে বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির (বিসিসি) কার্যনির্বাহী কমিটির একজন নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘ক ব্যাংকম্পিউটার সোর্সের কাছে কয়েকশত কোটি টাকা পাওনা রয়েছে। ব্যাংক তাদের লেনদেন স্থগিত করেছে। কম্পিউটার ব্যবসায়ীদের আন্দোলনের কারণে তারা ব্যবসা বন্ধ করেনি। মার্কেটে টাকা মেরে দেওয়ার কোনো কারণও নেই। তাদের কর্মীদের ওপর কোনো হামলা হয়নি। আন্দোলন হয়েছে তিন বছর আগে। তাহলে এখন ব্যবসা বন্ধ করার কারণ কি? তাদের প্রায় সব আউটলেট বন্ধ। গত রোজার ঈদের আগে থেকেই ব্যবসা বন্ধের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘ডিস্ট্রিবিউটর হয়েও যখন কম্পিউটার সোর্স সারা দেশে শো-রুম খুলছিল তখন খুচরা পর্যায়ের ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অনেক মার্কেটে ব্যবসায়ীরা রীতিমত আন্দোলনে নেমেছেন। তখন এসব কিছুই তোয়াক্কা করেনি প্রতিষ্ঠানটি। যতদিনে উপলব্ধি হয়েছে ততদিনে বাজারে অনেক খুচরা পর্যায়ের ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে গেছেন। দেশজুড়ে যখন এসব শো-রুম করা হয় তখন স্থানীয় ডিলার ও খুচরা ব্যবসায়ীরা তীব্র আপত্তি করেছিল। আর এখন তা অপ্রয়োজনীয় মনে করছে, প্রচুর লোক ছাঁটাই করছে। বাজারে এর ফলে অস্থিরতা সৃষ্টি হবে।
Collected..preo

Sunday, 12 March 2017

ক্ষতিগ্রস্ত চুলের যত্নে চার পরামর্শ

কম যত্ন নেওয়া, সূর্যের অতি বেগুণি রশ্মির প্রভাব, পরিবেশ দূষণ ইত্যাদি বিভিন্ন কারণে চুলের ক্ষতি হয়। আর রুক্ষ, শুষ্ক চুল কার ভালো লাগে বলুন! চুলের ক্ষতি কমাতে এবং চুল ভালো রাখতে কিছু পরামর্শ জানিয়েছে জীবনধারা বিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাই।
https://www.youtube.com/watch?v=_xBihnEvjX4১. কন্ডিশনার
চুলে কন্ডিশনার ব্যবহারের সময় শেষভাগ অর্থাৎ আগার দিকে বেশি গুরুত্ব দিন। আর চুলের ক্ষতি কমাতে শ্যাম্পুর পর অবশ্যই কন্ডিশনার ব্যবহার করুন।
২. শ্যাম্পু
শ্যাম্পু করার আগে জট ছাড়াতে অবশ্যই চুল আঁচড়ে নেবেন। চুলে শ্যাম্পু করার সময় আগার দিকে শ্যাম্পু কম ব্যবহার করুন। কারণ, চুলের আগা এমনিতেই একটু শুষ্ক থাকে। আর চুলের আগায় বেশি শ্যাম্পু ব্যবহার করলে চুল রুক্ষ হয়ে যায়।
৩. ট্রিম
চুলের ক্ষতি কমাতে নিয়মিত চুলে ট্রিম করুন। অন্য কথায় বলতে গেলে, মাঝেমধ্যেই চুলের আগা কাটুন। চুলের আগা ফেটে গেলে চুল বাড়তে অসুবিধা হয়।
৪. গরম তেলের ম্যাসাজ
চুলের ক্ষতি কমাতে তেল হালকা গরম করে ম্যাসাজ করুন। নারকেল বা কাঠবাদাম যে তেল আপনার পছন্দ, সেটিই ব্যবহার করুন। তেলের ম্যাসাজ মাথার তালুর রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়। এ ছাড়া চুলের রুক্ষতা প্রতিরোধে করতে পারেন হেয়ার স্পা।

Wednesday, 8 March 2017

ঘাড়ের বলিরেখা দূর করার তিন উপায়

https://www.youtube.com/watch?v=h6mkt-nOsIoসূর্যের অতিবেগুণী রশ্মির প্রভাব, ঘুমের সময় ভুল অঙ্গবিন্যাস, ধূমপান ও হরমোনের ভারসাম্যহীনতা ইত্যাদি বিভিন্ন কারণে ঘাড়ে বলিরেখা পড়ে। তবে বলিরেখার চিকিৎসা খুব দ্রুত করতে হবে। বলিরেখা দূর করার জন্য ঘাড়ের ত্বকের যত্ন নেওয়া প্রয়োজন। কিছু ঘরোয়া উপায় রয়েছে যেগুলো বলিরেখা কমাতে কাজ করে।
ঘাড়ের বলিরেখা কমাতে কিছু ঘরোয়া উপায়ের কথা জানিয়েছে জীবনধারা বিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাইয়ের স্বাস্থ্য বিভাগ।
কলা
কলার মধ্যে রয়েছে উচ্চ পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এটি ত্বকের বলিরেখা কমাতে কাজ করে। একটি কলা চটকে নিন। এর মধ্যে সামান্য মধু মেশান। এরপর ঘাড়ে ম্যাসাজ করুন। ১০ মিনিট পর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
কাঠবাদামের তেল
কাঠবাদামের তেলের মধ্যেও রয়েছে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট। এটি বয়সের ছাপ কমাতে সাহায্য করে। কয়েক ফোঁটা কাঠবাদামের তেল গরম করুন। এর পর ঘাড়ে ম্যাসাজ করুন। ঘাড়ের বলিরেখা দূর করার জন্য দিনে দুই থেকে তিনবার এভাবে ম্যাসাজ করুন।
পেঁপে
ঘাড়ের বলিরেখা দূর করার আরেকটি অন্যতম উপায় হলো পেঁপের ব্যবহার। পেঁপের মধ্যে রয়েছে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট। এটি ঘাড়ের বলিরেখা দূর করতে খুব উপকারী। কয়েক টুকরো পেঁপে চটকে নিন। এর মধ্যে সামান্য মধু ও লেবু দিন। উপাদানগুলো ভালোভাবে মিশিয়ে ঘাড়ে লাগান। এই মাস্ক দিনে দুই থেকে তিনবার লাগান। এতে বলিরেখা সহজেই দূর হবে।

Saturday, 4 March 2017

হতাশা দূর করতে সাহায্য করবে এই ৮টি খাবার

https://www.youtube.com/watch?v=h6mkt-nOsIo
হতাশাকে নীরব ঘাতক বলা হয়। এটি আমাদের মানসিক স্বাস্থ্যের পাশাপাশি শরীরের ওপরে ব্যাপক প্রভাব ফেলে। এটি একটি মানসিক অবস্থা যা আমাদের মন খারাপ করে এবং প্রতিদিনের কাজে আগ্রহ হারায়। বিভিন্ন কারণে একজন মানুষ ডিপ্রেশন বা হতাশায় ভুগতে পারেন।  হতাশা এমন একটি জিনিস যা মানুষকে তিলে তিলে শেষ করে দেয়।  লো বা হাই ব্লাড প্রেশার, হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক এমনকি ডায়াবেটিসও হতে পারে দীর্ঘদিন স্ট্রেস থাকার কারণে। তাই হতাশাকে বাড়তে না দিয়ে এটি প্রতিরোধ করা উচিত। কিছু খাবার আছে যা হতাশা কমাতে সাহায্য করে।  
১। টমেটো
হতাশা দূর করতে টমেটো বেশ কার্যকরী একটি খাবার। এর ফলিক অ্যাসিড এবং আলফা লিপোক অ্যাসিড হতাশা দূর করতে সাহায্য করে। গবেষণায় দেখা গেছে যারা হতাশায় ভুগে থাকেন তাদের নিয়মিত টমেটো খাওয়া হতাশা দূর করতে সাহায্য করে।
২। কাজুবাদাম
কাজুবাদাম জিঙ্কের অন্যতম উৎস। এক আউন্স কাজুবাদামে ১১% আরডিএ (RDA) পরিমাণ জিঙ্ক রয়েছে। অর্থাৎ জিঙ্কের দৈনিক চাহিদার ১১ শতাংশ দিতে পারে এক আউন্স কাজুবাদাম। শরীরে জিঙ্কের অভাব দেখা দিলে হতাশা, উদ্বেগ দেখা দেয়। আমাদের শরীর জিঙ্ক সংরক্ষণ করে রাখে না, তাই প্রতিদিন অল্প পরিমাণের হলেও জিঙ্ক খাওয়া উচিত। এটি আমাদের দুশ্চিন্তা দূর করে মন ভাল করে দেয়।
৩। মিষ্টি আলু
মিষ্টি আলুতে প্রচুর পরিমাণ বিটা ক্যারটিন এবং ভিটামিন বি৬ রয়েছে যা মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটায়। এটি হতাশা দূর করতেও বেশ কার্যকর।
৪। পেঁয়াজ এবং রসুন
অ্যান্টি ইনফ্লামেটরি, অ্যান্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ সবজি ক্যান্সার প্রতিরোধ করার পাশাপাশি আপনার মুড পরিবর্তন করতে সাহায্য করে। প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় পেঁয়াজ এবং রসুন রাখুন।
৫। অ্যাভাকাডো
অ্যাভাকাডো মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। এতে স্বাস্থ্যকর ফ্যাট, প্রোটিন, ভিটামিন বি, সি,ই এবং কে রয়েছে যা রক্তে চিনির মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।
৬।  ডার্ক চকলেট
ডার্ক চকলেট মন ভালো করে দেয়ার ক্ষমতা রাখে। ডার্ক চকলেটে থাকা পলিফেনল মানসিক অবস্থা উন্নত করে। এছাড়া এটা রক্তচাপ কমাতেও সাহায্য করে। খুব বেশি স্ট্রেস অথবা মন খারাপের সময় এক টুকরো ডার্ক চকলেট খান। আর দেখুন নিমিষে মন ভাল হয়ে গেছে।
৭। আপেল
মনোবিজ্ঞানী দূরে রাখতে চাইলে প্রতিদিন একটি করে আপেল খাওয়ার অভ্যাস করুন। বেরি, আপেলে প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টি অক্সিডেন্ট রয়েছে যা সেলুলার স্তরে ইনফ্লামেশন মেরামত করে থাকে। দ্রবণীয় আঁশ হওয়ার এটি রক্তে চিনির মাত্রা নিয়ন্ত্রণ রাখতে সাহায্য করে।  ছোটখাটো ক্ষুধা মেটাতে একটি আপেল খাওয়ার চেষ্টা করুন।
৮। পালংশাক
উচ্চ মাত্রার ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ এই পালং শাক ক্লান্ত বিষণ্ণতা দূর করে থাকে। এছাড়া এই শাক ভিটামিন এ, বি, সি এবং আয়রনের চমৎকার উৎস। সেই সাথে এতে থাকা প্রোটিন দেহের শক্তির মাত্রা বৃদ্ধি করে।
সূত্র: বোল্ড স্কাই

যে খাবারগুলো নিয়ন্ত্রণ করবে কোলেস্টেরল

https://www.youtube.com/watch?v=4o-aRApkkiY
বর্তমান সময়ে সাধারণ একটি শারীরিক সমস্যা হলো কোলেস্টেরল। কোলেস্টেরল রক্তের মাঝে প্রাপ্ত এক ধরনের ফ্যাট। মস্তিস্ক, ত্বক, এবং অন্যান্য অঙ্গের বৃদ্ধি এবং সঠিক ভাবে কাজ করার জন্য দেহে কোলেস্টেরলের প্রয়োজন হয়। তবে এই উপাদানটি প্রয়োজনের তুলনায় দেহে যদি বেশি হয়ে যায় তখন তা নানা সমস্যার সৃষ্টি করে। সেন্টার ফর ডিজিস কন্ট্রোল এন্ড প্রিভেনশন (CDC) এর জরিপ অনুযায়ী এক তৃতীয়াংশ আমেরিকান প্রাপ্ত বয়স্করা হাই কোলেস্টেরল বা “খারাপ কোলেস্টেরল” সমস্যায় ভুগে থাকেন। উচ্চ কোলেস্টেরল হৃদ স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। কোলেস্টেরলকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়, লো-ডেনসিটি লিপোপ্রোটিন, ভেরি-লো-ডেনসিটি লিপোপ্রোটিন এবং হাই-ডেনসিটি- লিপোপ্রোটিন। লো-ডেনসিটি-লিপোপ্রোটিন এবং ভেরি-লো-ডেনসিটি-লিপোপ্রোটিন স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। তবে হাই-ডেনসিটি-লিপোপ্রোটিন স্বাস্থ্যের জন্য উপকারি।  
বিভিন্ন কারনে রক্তে কোলেস্টেরলের পরিমাণ বৃদ্ধি পেতে পারে। সময়মত নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে এর কারণে দেখা দিতে পারে নানান অসুখ। কিছু খাবার আছে যা কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করবে। জেনে নিন সেই খাবারের তালিকাটি।
১। ওটমিল
সকালের নাস্তায় ওটমিল খাবারটি রাখুন। এটি রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। এর ফাইবার দীর্ঘক্ষণ পেট ভরিয়ে রাখে এবং ইমশোনাল ইটিং থেকে বিরত রাখে।
২। কমলার রস
তাজা কমলার রস কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে থাকে। এক গবেষণায় দেখা গেছে দিনে ৩ গ্লাস কমলার রস এক মাসের মধ্যে এচডিএল এর লেভল শতকরা ২১ পারসেন্ট এবং এলডিএল বা এচডিএল এর মাত্রা ১৩ পারসেন্ট পর্যন্ত কমিয়ে দিয়ে থাকেআপনি যদি কোলেস্টেরলের রোগী হয়ে থাকেন তবে নিয়মিত কমলার রস পান করুন।
৩। কাঠবাদাম
স্বাস্থ্যকর হালকা খাবার হিসেবে কাঠাবাদাম অতুলনীয়। এতে রয়েছে মোনোস্যাচুরেটেড ফ্যাট এবং ফাইবার যা খারাপ কোলেস্টেরল দূর করে ভালো কোলেস্টেরল বৃদ্ধি করে থাকে। প্রতিদিন এক মুঠো কাঠাবাদাম খাওয়ার চেষ্টা করুন।
৪। গ্রিন টি
দিন কয়েক কাপ গ্রিন টি পান করা হতে পারে খারাপ কোলেস্টেরল কমানোর সবচাইতে সহজ একটি উপায়।

৫। অলিভ অয়েল
স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন করার জন্য অলিভ অয়েলের বিকল্প নাই। এটি খাবারের স্বাদ মান অটুট রেখে শরীরের কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। প্রতিদিনকার খাবারে অলিভ অয়েল ব্যবহার করুন।
৬। রসুন
রসুন শুধু হৃদস্বাস্থ্যের জন্য ভালো তা কিন্তু নয় এটি রক্তে কোলেস্টেরল মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। দুই তিনটি কাঁচা রসুন প্রতিদিন খালি পেটে খাওয়ার চেষ্টা করুন। এছাড়া রান্নায় রসুন ব্যবহার করুন।
৭। ডার্ক চকলেট
আমেরিকান জার্নাল অফ ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশন ২০১৩ সালে গবেষণায় দেখেছে যে, ডার্ক চকলেটে থাকা উপাদান রক্ত কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে। খুব বেশি পরিমাণে নয় এক বা দুটি ছোট টুকরো ডার্ক চকলেট প্রতিদিন খাওয়ার চেষ্টা করুন।
এছাড়া অ্যাভোকাডো, সয়াবিন, মাছ, স্ট্রবেরি, ব্রোকলি ইত্যাদি খাবার রক্তে কোলেস্টেরলে নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে।
সূত্র: টপ টেন হোম রিমিডিস

সাগরতলে লাল ড্রাগন!

https://www.youtube.com/watch?v=4o-aRApkkiY
ড্রাগন দেখা গেছে! তাও সমুদ্রের গভীরে। এতদিন ড্রাগন ছিল চীন-জাপানের উপকথায়। তবে এবার অস্ট্রেলিয়ায় সমুদ্রের ১৬৪ ফুট গভীরে পাঠানো ক্যামেরায় ধরা পড়েছে ড্রাগনের মতো সামুদ্রিক প্রাণী
বিশেষজ্ঞদের দাবি, সি ড্রাগন নামে একটি সামুদ্রিক প্রাণীর অস্তিত্ব আগেই ধরা পড়েছে। কিন্তু এবার ধরা পড়ল লাল রঙের সি ড্রাগন। প্রাণীটির পুরো শরীর লাল। একটা লেজও আছে। লেজ নাড়িয়ে প্রাণীটি গভীর সমুদ্রে ভেসে বেড়ায়। লাল বর্ণের কারণে বিশেষজ্ঞরা এর নাম দিয়েছে রুবি সি ড্রাগন।
মেইল অনলাইন জানিয়েছে, অস্ট্রেলিয়ার পশ্চিমাঞ্চলে গভীর সমুদ্রে ভাসিয়ে দেওয়া ক্যামেরায় লাল রঙের ওই সি ড্রাগন ধরা পড়ে।
সমুদ্র নিয়ে গবেষণা করেন অধ্যাপক গ্রেগ রাউস। তিনি বলেন, ‘এর আগে দুই ধরনের সি ড্রাগন পেয়েছি আমরা। কিন্তু আমাদের ধারণা ছিল না তৃতীয় আরো একধরনের সি ড্রাগন পাওয়া যাবে।’
ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, রঙে ও চলাফেরায় অন্য দুই প্রকার সি ড্রাগনের চেয়ে এটা আলাদা। সি ড্রাগন প্রথম দেখা যায় ১৯১৯ সালে। বিশেষজ্ঞরা এর নাম দিয়েছেন সাধারণ সি ড্রাগন। যার গায়ের রং হলুদ ও বেগুনি।
পরে যে ধরনের সি ড্রাগন দেখা যায় তা সবুজ ও কমলা রঙের। তবে সবুজের আধিক্যই বেশি। সহজেই সবুজ পাতার মধ্যে অদৃশ্য হয়ে যাওয়ার ক্ষমতা রাখে। অর্থাৎ বোঝাই যায় না আসলে পাতা কোনটা আর সি ড্রাগন কোনটা। এ কারণে একে ‘লিফি’ সি ড্রাগনও বলেন বিশেষজ্ঞরা।
ওই দুই প্রকার সি ড্রাগনের সঙ্গে সদ্য চোখে পড়া সি ড্রাগনের কিছুটা পার্থক্য আছে। লাল সি ড্রাগনের লেজ আছে তা নাড়াচাড়া করতে পারে ওই প্রাণী। সাধারণ ও লিফি সি ড্রাগনেরও লেজ আছে তবে তা নড়াচড়া করে না। আর ওই দুই সি ড্রাগন এত গভীর সমুদ্রে থাকে না। কিন্তু আবাস হিসেবে গভীর সমুদ্রই পছন্দ লাল সি ড্রাগনের!
রঙের পাশাপাশি দেহের গড়ন ও জীবনধারণ আলাদা হওয়ায় লাল সি ড্রাগন চোখে পড়ার পর রীতিমতো বিস্মিত হয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ার বিশেষজ্ঞ নেরিদা উইলসন বলেন, এখনো অনেক কিছু আছে যা আমাদের চোখে পড়েনি।’

ভিনগ্রহী লুকাচ্ছে নাসা?

https://www.youtube.com/watch?v=4o-aRApkkiYযুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা ভিনগ্রহীদের (এলিয়ন) লুকিয়ে রাখছে বলে অভিযোগ করেছে ইউএফও (ভিনগ্রহী যান) বিশ্বাসীরা। সোমবার যুক্তরাজ্যের সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইল এ খবর জানিয়েছে।
খবরে বলা হয়েছে, ষড়যন্ত্র তাত্ত্বিকদের দল সুরক্ষা-১০ এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও আপলোড করেছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, নাসার এক নভোচারী মহাকাশ থেকে পৃথিবীর দৃশ্য ধারণ করার সময় একটি ‘রসহস্যময়’ আলো ধরা পড়ে। কিন্তু ওই নভোচারী তখন ক্যামেরার সামনে হাত দিয়ে তা গোপন করার চেষ্টা করেন।
ইউএফও বিশ্বাসী দলের অভিযোগ, মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা এলিয়েনদের তথ্য-প্রমাণ গোপন করছে।
তাদের অভিযোগ, যখন উজ্জ্বল আলোটি দেখা যায়, তখন ওই নভোচারী ক্যামেরার সামনে তার হাত দিয়ে তা গোপন করেন। একই ধরনের আরো একটি ঘটনা লুকানো হয়েছে। যখন দেখা যায়, একটি আলো পৃথিবী অতিক্রম করছিল, ঠিক তখনই ওই নভোচারী নিজের হাতে ক্যামেরার ঢাকনা লাগিয়ে দেন।
এদিকে, ভিডিও আপলোডের পর এক মন্তব্যকারী লিখেছেন, ‘সেখানে অবিশ্বাস্য কিছু ক্লিপস রয়েছে, যা এর আগে আমি কখনোই দেখিনি। কীভাবে একজন এমন দৃশ্য ঢেকে রাখতে পারে?’
নাসার ইউটিউব চ্যানেল ব্যবহারকারী কোল্ড পাইরোর আপলোড করা ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, একটি সাদা আলোর কণিকা অন্ধকার থেকে পৃথিবীর দিকে আসছে। নাসার অফিশিয়াল চ্যানেল দেখতে পায় যে, ইউএফওটি ক্যামেরার ফ্রেমের মধ্যে চলে আসছে তখন দ্রুত এটি কাট করা হয়।

প্রথমবারের মতো তোলা হবে কৃষ্ণগহ্বরের ছবি

https://www.youtube.com/watch?v=4o-aRApkkiYসাজিটারিয়াস এ-স্টারের ছবি তুলতে প্রস্তুত ইভেন্ট হোরাইজন টেলিস্কোপ বা ইএইচটি। এপ্রিলের ৫ থেকে ১৪ তারিখ পর্যন্ত এই ভার্চুয়াল টেলিস্কোপ আমাদের ছায়াপথের কেন্দ্রে থাকা ব্ল্যাকহোল বা কৃষ্ণগহ্বরটির ছবি তোলার কাজ করবে। দুই দশক ধরে এই টেলিস্কোপ নির্মাণের কাজ চলেছে। ইএনগ্যাজেটের একটি প্রতিবেদন জানাচ্ছে এ তথ্য।
ইভেন্ট হোরাইজন টেলিস্কোপ বা ইএইচটি মূলত বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা শক্তিশালী রেডিও টেলিস্কোপের সন্নিবেশ। ‘ভেরি-লং-বেসলাইন ইন্টারফেরোমেট্রি’ পদ্ধতির মাধ্যমে সারা পৃথিবীকে পরিবেষ্টন করে রাখা টেলিস্কোপগুলো একটি একক টেলিস্কোপ হিসেবে কাজ করবে। সাজিটারিয়াস এ-স্টারকে পর্যবেক্ষণ করতে খুবই শক্তিশালী টেলিস্কোপের দরকার, কারণ দূরত্বের হিসাবে পৃথিবী থেকে কৃষ্ণগহ্বরটির ফারাক অনেক বেশি। ২৬ হাজার আলোকবর্ষের কৃষ্ণবিবরের ওজন আমাদের সূর্যের চার কোটি গুণ! পৃথিবী থেকে চাঁদের মাঝে একটি আঙুরকে দেখার সঙ্গে সাজিটারিয়াসকে খুঁজে বের করার তুলনা দিয়েছেন বিজ্ঞানীরা।
ছবি তোলার এই কর্মযজ্ঞে বেশ ভালোমতো প্রস্তুতি নিচ্ছে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন অবজারভেটরি। অতি সূক্ষ্ম দিনক্ষণ গণনার জন্য ব্যবহার করা হবে পারমাণবিক ঘড়ি। একই সঙ্গে বিপুল পরিমাণ ডাটা সংগ্রহের জন্য রাখা হয়েছে প্রচুর স্টোরেজ ব্যবস্থা, যা কি না প্রায় ১০ হাজার ল্যাপটপের ধারণক্ষমতার সমান। সারা বিশ্ব থেকে এসব হার্ডড্রাইভ নিয়ে যাওয়া হবে এমআইটির হ্যাস্ট্যাক অবজারভেটরিতে। সংগৃহীত এইসব ডাটা দীর্ঘ পর্যালোচনা করে সেখান থেকে পূর্ণাঙ্গ ফল পাওয়া যাবে।
গবেষকরা জানাচ্ছেন, ২০১৮ সালের শুরুর আগে মনুষ্যজাতির তোলা প্রথম কৃষ্ণগহ্বরের ছবি পাওয়া যাবে না। কেমন হবে কৃষ্ণগহ্বরের ছবি, তার একটি নমুনা তৈরি করেছে কম্পিউটার সিমুলেশনের মাধ্যমে।
আইনস্টাইনের থিওরি অব রিলেটিভিটি থেকে ধারণা করা যায়, কালো একটি বিন্দুর পাশে অর্ধচন্দ্রাকার আলোর ছটা হিসেবেই দেখা যাবে ব্ল্যাকহোলকে। মূলত কোনো কৃষ্ণগহ্বরকে সরাসরি দেখা বা ছবি তোলা অসম্ভব। তবে তার ঘটনা দিগন্ত বা ইভেন্ট হোরাইজনের পাশে থাকা আলোকরশ্মির ছবি তোলা সম্ভব। এই আলোকরশ্মির মাধ্যমেই কৃষ্ণগহ্বরের অবস্থান নিশ্চিত করা যায়।

ল্যাপটপ পরিষ্কারের সহজ তিন উপায়

https://www.youtube.com/watch?v=4o-aRApkkiYঘর বা অফিসে সবচেয়ে বেশি ময়লা হওয়ার তালিকার মধ্যে যেই জিনিসটি রয়েছে, সেটি হলো ল্যাপটপ। ল্যাপটপের ধুলা থেকে বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যাও হতে পারে। সপ্তাহে একদিন অন্তত ভালোভাবে ল্যাপটপ ও এর কিবোর্ড পরিষ্কার করা উচিত। ল্যাপটপ পরিষ্কারের তিনটি সহজ পদ্ধতি জানিয়েছে টাইমস অব ইন্ডিয়া।
ল্যাপটপ পরিষ্কারের ক্ষেত্রে ডিসটিলড ওয়াটার বা পরিশোষিত পানি ব্যবহার করুন। ভালোভাবে পরিষ্কারের জন্য ঘরে তৈরি দ্রবণ ব্যবহার করতে পারেন। যেমন : পানির মধ্যে সাদা ভিনেগার মিশিয়ে পরিষ্কার করতে পারেন। অ্যালকোহল ব্যবহার করা যাবে না। অ্যামোনিয়া ব্যবহার করা যেতে পারে।
দ্রবণ তৈরি করার পর একে ছোট কনটেইনারের মধ্যে ঢালুন। এমন কনটেইনার নিন, যেটি দিয়ে স্প্রে করা যায়। এরপর ল্যাপটপে দ্রবণটি স্প্রে করুন।
একটি নরম কাপড় নিন। হালকাভাবে কাপড়টি দিয়ে ল্যাপটপ পরিষ্কার করুন। খেয়াল রাখুন, যেন আঙুলের চাপ না পড়ে। ধীরে ধীরে বৃত্তাকারভাবে কাপড়টি দিয়ে ল্যাপটপ পরিষ্কার করুন। এভাবে পরিষ্কার করলে ল্যাপটপ অনেক দিন ভালো ও সুন্দর থাকবে।

আঙুরের প্যাক গরমে ত্বক সতেজ রাখে

https://www.youtube.com/watch?v=4o-aRApkkiY
গরমের সময় ত্বক মলিন ও প্রাণহীন হয়ে যায়। আর সূর্যের রশ্মির কারণে ত্বক কালচে ও রুক্ষ হয়। এ সময় ত্বকের পরিচর্যায় আঙুর অবশ্যই রাখবেন। এই ফলের সঙ্গে আরো কয়েকটি প্রাকৃতিক উপাদান মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে মুখে লাগান। বোল্ডস্কাই ওয়েবসাইটের জীবনধারা বিভাগে আঙুর দিয়ে তৈরি একটি প্যাকের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। একনজরে দেখে নিন।
যা যা লাগবে
আঙুর ৮/১০টি, বেসন দুই চা চামচ, টক দই বা ফ্রেশ ক্রিম দুই চা চামচ, মধু এক চা চামচ, হলুদের গুঁড়া এক চা চামচ।
যেভাবে তৈরি করবেন
প্রথমে একটি বাটিতে আঙুর নিয়ে কাঁটা চামচ দিয়ে থেঁতলে নিন। এবার হাত দিয়ে চটকে এর রস বের করে নিন। এর মধ্যে বেসন দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন। এখন এতে হলুদ গুঁড়া, মধু ও টক দই দিয়ে ঘন প্যাক তৈরি করুন। এই প্যাক মুখে, ঘাড়ে ও গলায় লাগিয়ে শুকানো পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। এরপর ধুয়ে ফেলুন।
ত্বকে আঙুরের উপকারিতা
১. আঙুরের বিচি ত্বককে সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি থেকে রক্ষা করে। এটি ত্বকে প্রকৃতিক সানস্ক্রিনের কাজ করে।
২. চেহারার বয়সের ছাপ দূর করে তারুণ্য ধরে রাখে আঙুর।
৩. ত্বকের রুক্ষতা দূর করে সতেজ রাখতে সাহায্য করে।
ত্বকে টক দইয়ের উপকারিতা
১. টক দইয়ের ল্যাকটিক এসিড ত্বকের বলিরেখা দূর করে।
২. ত্বকের মরা কোষ দূর করতে এটি বেশ কার্যকর।
৩. টক দইয়ের অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস কালচে দাগ দূর করে ত্বক উজ্জ্বল করে।
ত্বকে হলুদের উপকারিতা
১. হলুদের অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান ব্রণ ও সংক্রমণ দূর করে।
২. হলুদের প্রদাহবিরোধী উপাদান ত্বকের চুলকানি দূর করে।
৩. মেছতা ও কালো দাগ দূর করতে হলুদ সাহায্য করে।
ত্বকে মধুর উপকারিতা
১. ত্বক নরম ও মসৃণ রাখতে সাহায্য করে।
২. দীর্ঘক্ষণ ত্বক সতেজ রাখে।
৩. ত্বকের রুক্ষতা দূর করে আর্দ্রতা ধরে রাখে।
ত্বকে বেসনের উপকারিতা
১. বেসন ত্বকের অতিরিক্ত তেলতেলে ভাব দূর করে।
২. ত্বকের যেকোনো দাগ দূর করতে সাহায্য করে।
৩. কালচে দাগ দূর করে ত্বক উজ্জ্বল করতে সাহায্য করে।

যে সাত কারণে চুল পড়ে

https://www.youtube.com/watch?v=4o-aRApkkiY
চুল পড়ে যাওয়া একটি স্বাভাবিক বিষয়। দিনে অন্তত ১০০টি চুল পড়লে কোনো সমস্যা হয় না। কিন্তু আপনি যদি খেয়াল করেন চুল অস্বাভাবিকভাবে পড়তে শুরু করেছে, তাহলে বুঝবেন শরীরে কোনো পুষ্টির ঘাটতি হচ্ছে কিংবা বড় কোনো পরিবর্তন এসেছে। আপনি হয়তো জানেন না- সাতটি কারণে চুল পড়ে যেতে পারে, যার তালিকা প্রকাশ করেছে রিডার্স ডায়জেস্ট।
১. সঠিক পরিমাণে প্রোটিন না খাওয়া
প্রতিবার খাবার খাওয়ার সময় পরিমাণমতো প্রোটিন খাওয়ার চেষ্টা করুন। কারণ শরীরে প্রোটিনের ঘাটতি হলে চুল পড়ে যায়, চুলের রং বদলে যায়। নারীদের প্রতিদিন অন্তত ৪৬ গ্রাম প্রোটিন খাওয়া প্রয়োজন। প্রোটিন মানে যে মাংস খেতে হবে এমন কিছু না। ডিম, বাদাম, ওটস, দুধ ও ব্রকোলিতে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন রয়েছে।
২. সঠিক পরিমাণে আয়রন গ্রহণ না করা
শরীরে আয়রনের ঘাটতি থাকলে খুব দ্রুত চুল পড়ে যায়। ১৯ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে যেসব নারীরা রয়েছেন তাঁদের দিনে অন্তত ১৮ মিলিগ্রাম আয়রন গ্রহণ জরুরি। ৫১ থেকে তার ওপরের বয়সী নারীরা প্রতিদিন ৮ মিলিগ্রাম আয়রন গ্রহণ করবেন। আয়রন সমৃদ্ধ খাবারগুলো প্রতিদিন খাবারের তালিকায় রাখার চেষ্টা করুন। পালং শাক, সয়াবিন, ডাল, মটরশুটিতে প্রচুর পরিমাণে আয়রন রয়েছে। আর শরীরে আয়রনের ঘাটতি পূরণের জন্য ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ঔষধ খাবেন না। 
৩. অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা করা
কাজের চাপ কিংবা পরিবারিক চাপের কারণে মানুষ মাত্রাতিরিক্ত দুশ্চিন্তা করে থাকে। এই দুশ্চিন্তার কারণে চুল পড়ে যায়। তবে এই সমস্যা স্থায়ী নয়। দুশ্চিন্তা কমে গেলে চুল আবার গজাতে শুরু করবে।
৪. চুলে হিট দেওয়া মেশিন ব্যবহার করা
চুল সোজা করতে বা কোঁকড়া করতে আমরা নানা ধরনের মেশিন ব্যবহার করে থাকি। নিয়মিত এ ধরনের যন্ত্র চুলে ব্যবহার করার কারণে চুলের গোড়া নরম হয়ে যায়। এর ফলে চুল পড়তে শুরু করে। এমনকি চুল রুক্ষ হয়ে যাওয়ারও প্রধান কারণ এই হিট মেশিন।
৫. সন্তান জন্ম দেওয়ার কারণে
গর্ভকালীন সময়ে নারীদের শরীরে অনেক ধরনের পরিবর্তন আসে। বিশেষ করে, সন্তান জন্ম দেওয়ার পর মায়েদের প্রথম সমস্যা হয় চুল নিয়ে। এ সময়টাতে চুল পড়তে শুরু করে। একটা সময় চুল পাতলা হয়ে যায়। তবে এর কোনো দ্রুত সমাধান নেই।
৬. থাইরয়েডের সমস্যা থাকলে
থাইরয়েডের সমস্যার কারণে শুধু শারীরিক সমস্যাই হয় না, এর কারণে আপনার চুলও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কম বয়সে দ্রুত চুল পড়ে যাওয়ার সমস্যা দেখা দেয়। তাই দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
৭. নতুন ঔষধ খাওয়া শুরু করলে
হঠাৎ করেই নতুন ঔষধ খেতে শুরু করলে চুল পড়ে যাওয়ার সমস্যা দেখা দিতে পারে। কিন্তু এই সমস্যা হলে ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ঔষধ খাওয়া বন্ধ করবেন না। চুল পড়ে যাওয়ার কথা ডাক্তারকে দ্রুত জানান। অনেক সময় ঔষধ বদলে দিলে এই সমস্যা আর থাকে না।

মাথার ত্বক সুস্থ রাখবেন যেভাবে

মাথার তালু সুস্থ থাকলে চুলের গোড়া মজবুত থাকে, চুল পড়া রোধ হয় এবং সংক্রমণ ও খুশকিজাতীয় সমস্যা দূর হয়। তাই চুলের পাশাপাশি মাথার ত্বকের যত্ন নিতে ভুলবেন না। বোল্ডস্কাই ওয়েবসাইটের জীবনধারা বিভাগে মাথার ত্বক সুস্থ রাখার কয়েকটি পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। একনজরে এগুলো দেখে নিতে পারেন।
https://www.youtube.com/watch?v=4o-aRApkkiY
তেলের ম্যাসাজ
মাথার ত্বক সুস্থ রাখতে তেল দিয়ে ম্যাসাজ খুবই সাধারণ, কিন্তু কার্যকর পদ্ধতি। এর মাধ্যমে মাথার ত্বকে রক্ত সঞ্চালন ভালো হয় এবং তেল প্রতিটি চুলের গোড়ায় পুষ্টি জোগায়।
বেকিং সোডা
মাথার ত্বককে সুস্থ ও শক্তিশালী রাখতে বেকিং সোডার বিকল্প নেই। এই উপাদান মাথার ত্বকের তেলতেলে ভাব দূর করে এবং চুলের গোড়া মজবুত করে। বেকিং সোডার সঙ্গে পানি মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। এর মধ্যে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস দিতে পারেন। প্যাকটি মাথার তালুতে লাগিয়ে পাঁচ মিনিট পর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটি মাথার ত্বকের চুলকানি ও খুশকি দূর করতে সাহায্য করে।
অ্যালোভেরার রস
মাথার ত্বকের র‍্যাশ, রোদে পোড়া দাগ ও ব্রণ দূর করে ত্বক সুস্থ রাখতে সাহায্য করে অ্যালোভেরার রস। এ ছাড়া এই উপাদান মাথার তালুর চুলকানি, খুশকি ও তেলতেলে ভাবও দূর করে। অ্যালোভেরার রস দিয়ে মাথার ত্বকে কিছুক্ষণ ম্যাসাজ করুন। ১৫ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এ ছাড়া অ্যালোভেরার রসের সঙ্গে লেবুর রস মিশিয়ে মাথার তালুতে লাগিয়ে কিছুক্ষণ পর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
আপেল সিডার ভিনেগার
মাথার ত্বকের শুষ্কতা দূর করতে আপেল সিডার ভিনেগার খুবই উপকারী। আধা কাপ পানির সঙ্গে আধা কাপ আপেল সিডার ভিনেগার মিশিয়ে মাথার ত্বক ধুয়ে নিন। এ ছাড়া আপেল সিডার ভিনেগারের সঙ্গে লেবুর রস মিশিয়ে ব্যবহার করলে মাথার তালুর শুষ্কতা দূর হওয়ার পাশাপাশি খুশকিও দূর হবে।
গ্রিন টি
গ্রিন টির অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস মাথার তালুর যেকোনো সংক্রমণ ও ব্রণ দূর করতে সাহায্য করে। গ্রিন টির পানি ঠান্ডা করে মাথার ত্বক ধুয়ে নিন। এবার মাইল্ড শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন।
কলার প্যাক
কলার মিনারেল, ভিটামিন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস বিভিন্ন উপায়ে মাথার ত্বক সুস্থ রাখে। এ ছাড়া এই ফল মাথার ত্বকে কন্ডিশনারের কাজ করে এবং পানিশূন্যতা দূর করে। কলার সঙ্গে মধু ও টক দই মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। এই প্যাক মাথার ত্বকে লাগিয়ে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করুন। এবার পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

যে পাঁচটি কারণে ব্রণ হয়

তৈলাক্ত ত্বক, জিনগত সমস্যা কিংবা দূষণের কারণে ত্বকে ব্রণের সমস্যা দেখা দেয়। এগুলো ছাড়াও বেশ কিছু কারণে ব্রণ হয়, যা আমাদের অবহেলার জন্য ঘটে। এগুলো এড়িয়ে চললেই ব্রণের সমস্যা থেকে আপনি মুক্তি পেতে পারেন। টাইমস অব ইন্ডিয়ায় প্রকাশিত এই পাঁচটি কারণ একনজরে দেখে নিন।
মুখ ভালোভাবে পরিষ্কার না করা
https://www.youtube.com/watch?v=4o-aRApkkiYঅনেকেই মুখ ভালো করে পরিষ্কার করেন না। এর ফলে মুখে ব্রণের সমস্যা দেখা দেয়। তাই ভালো মানের ক্লিনজিং প্রসাধনী দিয়ে দিনে অন্তত দুবার মুখ পরিষ্কার করুন। এতে মুখে ময়লা ও ধুলাবালি জমে থাকবে না, যা ব্রণের প্রধান কারণ। তবে ক্ষারজাতীয় প্রসাধনী ত্বককে অনেক বেশি শুষ্ক ও মলিন করে দেয়। তাই মাইল্ড প্রসাধনী ব্যবহার করুন।
প্রতিদিন দুগ্ধজাত পণ্য খাওয়া
দুগ্ধজাত পণ্যে প্রচুর পরিমাণে আইজিএফ-১ হরমোন রয়েছে, বিশেষ করে দুধে এই উপাদান বেশি থাকে। এটি ত্বকে প্রদাহের কারণ। বেশি দুগ্ধজাত পণ্য খেলে মানুষের লিভারে এই হরমোন উৎপাদন হতে শুরু করে। এর ফলে ত্বকে অতিরিক্ত সিবাম উৎপাদন হয়, যা লোমকূপের মুখ বন্ধ করে দেয়। এতে ব্রণের সমস্যা দেখা দেয়। তাই যতটা পারুন দুগ্ধজাত পণ্য এড়িয়ে চলুন, বিশেষ করে যাদের ব্রণের সমস্যা রয়েছে।
স্মার্টফোন অতিরিক্ত ব্যবহার করা
ব্রণের অন্যতম কারণ হলো স্মার্টফোন ব্যবহার করা। সারাক্ষণ ফোনে কথা বললে মুখে ব্যাকটেরিয়া ছড়িয়ে পড়ে। এই ব্যাকটেরিয়ার কারণে মুখে ব্রণের পরিমাণ বেড়ে যায়। তাই ফোন দিয়ে সরাসরি কথা বলার থেকে হেডফোন ব্যবহার করুন।
বডি ক্রিম মুখে ব্যবহার করা
বডি ক্রিম বা বডি লোশন শুধু শরীরের জন্যই ভালো, মুখের জন্য নয়। শরীরে লোশন বা ক্রিম ব্যবহারের সময় আমরা চট করেই মুখেও লাগিয়ে ফেলি। এর ফলে ব্রণের পরিমাণ বেড়ে যায়। মুখের ক্রিম সাধারণত তেল ও ঘ্রাণমুক্ত হয়। আর লোশনে তেলের পরিমাণ বেশি থাকে এবং অতিরিক্ত ঘ্রাণ থাকে। এর ফলে মুখে ব্রণের সমস্যা দেখা দেয়।
ডায়েট সমস্যা
মিষ্টিজাতীয় খাবার ত্বকের জন্য খুব একটা ভালো না। চিনিযুক্ত খাবারগুলো ব্রণের প্রধান কারণ। তাই চিনি, কার্বোহাইড্রেট ও ফাস্টফুড এড়িয়ে চলুন, যদি ত্বক ব্রণমুক্ত রাখতে চান! এ ছাড়া বেশি করে ফল ও শাকসবজি খাওয়ার চেষ্টা করুন।

চুল ভালো রাখার ১০ উপায়

https://www.youtube.com/watch?v=4o-aRApkkiY
দৈনন্দিন জীবনে ব্যস্ততার কারণে প্রতিদিন চুলের যত্ন নেওয়া প্রায় অসম্ভব। তাই কিছু নিয়ম মেনে চলতে হবে যাতে সবসময় চুল সুস্থ ও প্রাণবন্ত থাকে। এ ক্ষেত্রে টাইমস অব ইন্ডিয়ার এই পরামর্শগুলো একবার দেখে নিতে পারেন।
১. প্রথমে চুল পানি দিয়ে ভালো কর ভিজিয়ে নিন। এবার একটি ডিম ফেটে নিয়ে পুরো মাথায় লাগিয়ে ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর ঠান্ডা পানি দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। এতে চুলের রুক্ষতা দূর হবে।
২. গরম পানি চুল ধোয়ার জন্য ভুলেও ব্যবহার করবেন না। এতে চুল রুক্ষ হয়ে যায় এবং চুল পড়ে যাওয়ার সমস্যা দেখা দেয়। তাই সবসময় মাথায় ঠান্ডা পানি ব্যবহার করুন।
৩. এক কাপ কন্ডিশনারের সঙ্গে দুই থেকে তিন টেবিল চামচ মধু মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। এবার ভেজা চুলে এই প্যাক লাগিয়ে ৩০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এই প্যাক চুল নরম ও মসৃণ করতে সাহায্য করে।
৪. প্রতিদিন চুলে শ্যাম্পু ব্যবহার করবেন না। এতে চুলের প্রাকৃতিক তেল নিঃসরণে সমস্যা হয়। তাই দুই থেকে তিনদিন পরপর চুলে শ্যাম্পু ব্যবহার করুন। যা চুল পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করবে।
৫. একটি বাটিতে আমন্ড অয়েল নিয়ে ৪০ সেকেন্ড ওভেনে গরম করে নিন। এবার এই তেল চুলে লাগিয়ে ৩০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর শ্যাম্পু করে ফেলুন। বেশি করে কন্ডিশনার লাগিয়ে ঠান্ডা পানি দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন।
৬. আধা কাপ মধুর সঙ্গে এক থেকে দুই টেবিল চামচ অলিভ অয়েল ও একটি ডিমের কুসুম মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। এই প্যাক মাথার তালু ও চুলে লাগিয়ে ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এবার কুসুম গরম পানি দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। এই প্যাক চুলে প্রোটিনের কাজ করবে।
৭. ভেজা অবস্থায় চিড়ুনি দিয়ে চুল আঁচড়াবেন না। এতে চুলের গোড়া অনেক বেশি নরম হয়ে যায় এবং চুল পড়ে যেতে শুরু করে। তাই চুল শুকানোর পর বড় দাঁতের চিরুনি দিয়ে চুল আঁচড়ে নিন।
৮. চুল শ্যাম্পু করে ভালোভাবে ধুয়ে নিন। এবার এক টেবিল চামচ লেবুর রস চুলে ম্যাসাজ করে নিন। এরপর তোয়ালে দিয়ে মুছে চুল শুকিয়ে ফেলুন। এতে চুল ঝলমলে হবে।
৯. গরম পানির সঙ্গে সমান পরিমাণ আপেল সিডার ভিনেগার মিশিয়ে চুলে লাগান। ৫ মিনিট পর পানি দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। এটি চুলের শুষ্কতা দূর করে চুল সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।
১০. চুলের সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করে খুশকি ও যেকোনো সংক্রমণ। তাই স্বাস্থ্যোজ্জ্বল চুলের জন্য সবসময় মাথার ত্বক পরিষ্কার রাখার চেষ্টা করুন। বাইরে গেলে স্কার্ফ দিয়ে চুল ঢেকে রাখুন এবং রোদে গেলে ছাতা ব্যবহার করুন।

ঠোঁটের চারপাশের কালো দাগ দূর

অনেক সময় দেখা যায়, পুরো মুখ উজ্জ্বল থাকলেও ঠোঁটের চারপাশের অংশ কালো থাকে। বিশেষ করে নাকের পাশ থেকে থুতনি পর্যন্ত। এই অংশের কালচে দাগ দূর করে উজ্জ্বল ও টানটান করতে প্রাকৃতিক কিছু উপাদান ব্যবহার করতে পারেন, যার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে বোল্ডস্কাই ওয়েবসাইটের জীবনধারা বিভাগে। একনজরে দেখে নিন।
https://www.youtube.com/watch?v=4o-aRApkkiY
অ্যালোভেরার রস
ঠোঁটের চারপাশে কালো হয়ে যাওয়ার প্রধান কারণ হলো ওই অংশে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার না করা। এ ক্ষেত্রে অ্যালোভেরার রস ব্যবহার করতে পারেন, যা আপনার ত্বকে প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজারের কাজ করবে। অ্যালোভেরার রস ঠোঁটের চারপাশে লাগিয়ে সারা রাত এভাবে রেখে দিন। সকালে উঠে মুখে ভালো করে ক্লিনজার দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
বেসন ও দুধ
বেসনের সঙ্গে পরিমাণমতো দুধ মিশিয়ে ঠোঁটের চারপাশে লাগিয়ে ১০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এবার হালকা ম্যাসাজ করে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এই প্যাক ওই অংশের মরা কোষ দূর করবে এবং কালো দাগ দূর করে ত্বক নরম ও উজ্জ্বল করবে।
হলুদের প্যাক
সেই আদি যুগ থেকে ত্বকের কালচে দাগ দূর করতে হলুদ ব্যবহার করা হয়। হলুদের সঙ্গে দুধ অথবা টক দই মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। এবার ঠোঁটের চারপাশে এই প্যাক লাগিয়ে ১০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। হলুদের অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান ত্বকের কালো দাগ দূর করে উজ্জ্বল ও দাগহীন করে।
ভিটামিন ই তেল
রাতে ঘুমানোর আগে পুরো মুখে ও ঠোঁটের চারপাশে ভিটামিন ই তেল দিয়ে ম্যাসাজ করুন। সকালে ঘুম থেকে উঠে কুসুম গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন, পুরো মুখ ও ঠোঁটের চারপাশের কালচে দাগ দূর হয়ে ত্বক উজ্জ্বল ও টানটান হবে।

৭ উপায়ে ঠোঁটের শুষ্কতা দূর

শুধু যে শীতের সময়ই ঠোঁট ফাটে, এটা ভুল ধারণা। গরমেও আপনার ঠোঁট ফাটতে পারে, যদি শুষ্ক ঠোঁট হয়। এ ক্ষেত্রে সাতটি উপায় রয়েছে, যা আপনার ঠোঁটের শুষ্কতা দূর করে নরম ও মসৃণ করতে সাহায্য করবে। এ ছাড়া প্রাকৃতিক এই উপাদানগুলো কালচে দাগ দূর করে ঠোঁট উজ্জ্বল করে। বোল্ডস্কাই ওয়েবসাইটের জীবনধারা বিভাগে এই সাতটি উপায়ের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। একনজরে দেখে নিতে পারেন।
নারকেল তেল
ঠোঁটের শুষ্কতা দূর করতে নারকেল তেল খুব কাজে দেয়। নারকেল তেলে আর্দ্রতা ধরে রাখার উপাদান রয়েছে, যা ঠোঁটের শুষ্কতা দূর করার পাশাপাশি ঠোঁট নরম ও মসৃণ করে। এ ছাড়া এর অ্যান্টিসেপটিক উপাদান ফাটা ঠোঁটের সমস্যা সমাধান করে।
মধু
মধু ঠোঁটের শুষ্কতা নিরাময়ে সাহায্য করে। ঠোঁটে সরাসরি মধু লাগিয়ে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করুন। এবার হালকা ম্যাসাজ করে ধুয়ে ফেলুন। প্রাকৃতিক এই উপাদান ঠোঁটের রুক্ষতা দূর করে আর্দ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করবে।
ঘি
ঘি সবচেয়ে সহজ উপায়ে দ্রুত ঠোঁটের শুষ্কতা দূর করে। একদিন চার ঘণ্টা পরপর কয়েকবার ঠোঁটে ঘি ব্যবহার করুন। এই পদ্ধতিতে অনেক দ্রুত শুষ্ক ঠোঁট নরম হবে। এ ছাড়া ঠোঁটের কালচে দাগও দূর হবে।
চিনির স্ক্রাব
মরা কোষের কারণে ঠোঁট অতিরিক্ত শুষ্ক হয়ে যায়। এ ক্ষেত্রে চিনির স্ক্রাব আপনাকে সাহায্য করবে। মধুর সঙ্গে চিনি মিশিয়ে ঠোঁটে কিছুক্ষণ ম্যাসাজ করুন। এরপর পানি দিয়ে ধুয়ে হালকা করে পেট্রোলিয়াম জেলি লাগান। সপ্তাহে অন্তত একদিন ঠোঁটে স্ক্রাবিং করুন।
দুধ
ময়েশ্চারাইজার হিসেবে দুধ খুবই উপকারী। প্রতিদিন ঠোঁটে দুধ ব্যবহার করুন। ১৫ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। নিয়মিত এই পদ্ধতিতে ঠোঁটের যত্ন নিলে ঠোঁট নরম ও উজ্জ্বল হবে।
গ্লিসারিন
প্রতিদিন গ্লিসারিন লাগালে ঠোঁট ফাটার সমস্যা কখনোই হবে না। রাতে ঘুমানোর আগে ঠোঁটে গ্লিসারিন দিয়ে ম্যাসাজ করে ঘুমান। সকালে নিজেই এর ফলাফল দেখতে পারবেন।
মিল্ক ক্রিম
মিল্ক ক্রিমে প্রচুর পরিমাণে ফ্যাট রয়েছে, যা প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজারের কাজ করে। আপনার ঠোঁট যদি অতিরিক্ত শুষ্ক ও রুক্ষ হয়, তাহলে নিয়ম করে মিল্ক ক্রিম ব্যবহার করুন। এতে ঠোঁট নরম হওয়ার পাশাপাশি উজ্জ্বলও হবে।

ঘামের দুর্গন্ধ দূর করতে চান?

গরমের সময় ঘামের কারণে শরীরে দুর্গন্ধ বেশি হয়। যাঁদের অতিরিক্ত ঘামের সমস্যা রয়েছে, তাঁরা এই সমস্যায় আরো বেশি ভোগেন। অনেক সময় বডি স্প্রে বা ডিওডরেন্ট ব্যবহার করলে এই ঘামের গন্ধ তো যায়ই না, বরং দুর্গন্ধ বাড়ে। এ ক্ষেত্রে ঘরোয়া তিনটি উপায়ে খুব সহজেই ঘামের দুর্গন্ধ দূর করতে পারেন। বোল্ডস্কাই ওয়েবসাইটের জীবনধারা বিভাগে এই তিনটি উপাদানের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। একনজরে দেখে নিতে পারেন।
আপেল সিডার ভিনেগার
আপেল সিডার ভিনেগারে ব্যাকটেরিয়া দূর করার উপাদান রয়েছে। এটি ত্বকের পিএইচের মাত্রা ঠিক রাখতে সাহায্য করে। সামান্য আপেল সিডার ভিনেগার তুলায় নিয়ে বগলের নিচে লাগিয়ে ১০ থেকে ১৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। প্রতিদিন গোসল করার আগে এই উপাদানটি বগলের নিচে ব্যবহার করুন।
বেকিং সোডা
বেকিং সোডা ঘাম দূর করতে সাহায্য করে। বেকিং সোডা ও পানি একসঙ্গে মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। বগলের নিচে এবং শরীরের যে অংশে ঘাম বেশি হয়, সেখানে লাগিয়ে শুকানো পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। এবার গোসল করে ফেলুন।
লেবুর রস
লেবুর রসের এসিডিক উপাদান শরীরের ঘামের দুর্গন্ধ দূর করতে সাহায্য করে। এ ছাড়া এটি ঘামের জীবাণুও ধ্বংস করে। লেবুর রস সরাসরি বগলের নিচে লাগিয়ে শুকানো পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। এরপর ধুয়ে ফেলুন।

দুই উপাদানে চুলের রুক্ষতা দূর!

শ্যাম্পু বা কন্ডিশনার চুলের রুক্ষতা পুরোপুরি দূর করতে পারে না; বরং কেমিক্যালের কারণে চুল আরো বেশি শুষ্ক হয়ে যায়। এ ক্ষেত্রে ঘরোয়া উপাদানই সবচেয়ে ভালো উপায়। বোল্ডস্কাই ওয়েবসাইটের জীবনধারা বিভাগে দুটি উপাদানের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, যা রুক্ষতা দূর করে চুল নরম ও মসৃণ করতে সাহায্য করবে। একনজরে দেখে নিতে পারেন।
যা যা লাগবে
একটি কলা, দুই থেকে তিন চা চামচ মধু ও পাঁচ থেকে আট চা চামচ চালের গুঁড়া।
যেভাবে তৈরি করবেন
https://www.youtube.com/watch?v=4o-aRApkkiYপ্রথমে একটি বাটিতে কলা চটকে নিন। এবার এর মধ্যে মধু দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন। চালের গুঁড়া দিয়ে মিশিয়ে মিশ্রণ তৈরি করে নিন। এখন একটি ব্লেন্ডারে মিশ্রণটি নিয়ে ভালো করে ব্লেন্ড করুন। এই প্যাক মাথায় ও চুলে লাগিয়ে ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
এই প্যাকের উপকারিতা
প্যাকটি মাথার ত্বক ও চুল দুটির জন্যই উপকারী। কলা চুলের আর্দ্রতা ধরে রেখে চুল নরম করে। এ ছাড়া এটি চুলের খুশকিও দূর করে। আর এর পটাশিয়াম, ভিটামিন সি ও ভিটামিন এ চুলের রুক্ষতা দূর করে। চালের গুঁড়ার অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস মাথার ত্বকে স্ক্রাবিংয়ের কাজ করে। প্যাকটি মাথার ত্বকের গভীরে পুষ্টি জুগিয়ে চুলের গোড়া মজবুত করে এবং চুল পড়া রোধ করে। চুল নরম ও মসৃণ করতে সপ্তাহে অন্তত দুদিন প্যাকটি মাথায় ব্যবহার করুন।