Ads

Showing posts with label Laptop. Show all posts
Showing posts with label Laptop. Show all posts

Monday, 3 April 2017

১০টি আধুনিক আদবকেতা, জানেন তো?

ছোট ছোট কিছু আদবেকেতা আছে যা সব ক্ষেত্রেই মেনে চলা উচিত। আধুনিক এই আদবকেতাগুলো আপনার জীবনকে আরও সহজ করতে সাহায্য করবে। জানতে চান, সেগুলো কী কী? তাহলে ব্রাইটসাইড ওয়েবসাইটের এই তালিকাটি এক নজরে দেখে নিতে পারেন।
১. কখনোই ফোন না করে কারো বাসায় দেখা করতে যাবেন না। সারপ্রাইজ দিতে চাইলেও আগে ফোন করে জানুন তিনি কোন পরিস্থিতিতে আছেন। আপনার যাওয়ার বিষয়টি গোপন রেখেই তার খোঁজখবর আগে নিন।
২. কোনো মিটিং বা অনুষ্ঠানে গেলে কখনোই হাতের ব্যাগ কোলের ওপর বা টেবিলের ওপর রাখবেন না। ব্যাগ পায়ের কাছে রাখাটাই ভদ্রতা।
৩. শিশুদের রুমে ঢোকার আগে দারজায় টোকা দিন। এটা ভাববেন না যে আপনি ছোট হবেন। আপনার এই অভ্যাসের কারণে আপনার সন্তানও শিখবে যে, বাবা মায়ের রুমে ঢোকার আগে দরজায় টোকা দিতে হবে।
৪. গাড়ির সবচেয়ে সম্মানজনক আসন হলো চালকের পেছনে। আর এটা মেয়েদের জন্যই বেশি ভালো। এতে গাড়ির চালক দ্রুত গাড়ির দরজা খুলে দিতে পারেন।
৫. এই পোশাকটি কোথা থেকে কিনেছেন? দাম কত? এমন প্রশ্ন করার পর কেউ যদি হেসে উত্তর দেয়, উপহার পেয়েছি। তাহলে এখানেই প্রশ্ন করা বন্ধ করে দিন। তার বলার আগ্রহ থাকলে সে নিজেই অন্য তথ্য দেবে।
৬. নয়টি জিনিস সবার কাছ থেকে গোপন রাখাটাই ভালো। আর তা হলো- বয়স, টাকা-পয়সা, পারিবারিক কলহ, ধর্ম, শারীরিক সমস্যা, প্রেম, উপহার, সুনাম ও অপমান।
৭. সিনেমা হল, থিয়েটার কিংবা কনসার্টে নিজের সিটের কাছে যাওয়ার সময় যারা বসে আছে তাদের দিকে সম্মুখ দিক দিয়ে যান। কখনোই উল্টোভাবে হেঁটে যাবেন না।
৮. লিফটে উঠার সময় মনে রাখুন আপনি যদি আগে নামতে চান তাহলে সবার শেষ উঠে সামনের দিকে দাঁড়ান। পিছন থেকে সবার আগে নামাটা অন্যের জন্য বিরক্তিকর।
৯. কেউ যদি আগে থেকেই রেস্তোরাঁয় যাওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানায় তাহলে স্বাভাববিকভাবেই সে বিল দেবে। তবে কেউ যদি বলে, চলেন কোনো রেস্তোরাঁ থেকে খেয়ে আসি তাহলে ভেবে নেবেন আপনাকেও বিল দিতে হতে পারে। সে দাওয়াত দিচ্ছে, এটা না ভাবাই বুদ্ধিমানের কাজ।
১০. অফিস বা অন্য কারো বাসায় যাওয়ার পর ভেজা ছাতা খুলে শুকানোর চেষ্টা করবেন না। ভেজা থাকলেও ছাতা বন্ধ করে রাখুন।

Monday, 13 March 2017

ব্যবসা গুটিয়ে নিচ্ছে কম্পিউটার সোর্স!

https://www.youtube.com/watch?v=4o-aRApkkiY
দেশের শীর্ষ কম্পিউটার আমদানি ও বিপণন প্রতিষ্ঠান কম্পিউটার সোর্স লিমিটেড ব্যবসা গুটিয়ে নিচ্ছে বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে। ব্যাংক থেকে শত শত কোটি টাকা কম্পিউটার ব্যবসা করার নামে ঋণ নিয়ে সেই টাকায় টাঙ্গাইল, কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় কয়েক শত একর জমি ক্রয় এবং নিজেদের অনেক শো-রুম ক্রয়ের ফলে বিনিয়োগ করার নগদ টাকা সংকটে পড়েছে প্রতিষ্ঠানটি। ইতোমধ্যে দেশজুড়ে কম্পিউটার সোর্সের ৪৭টি শো-রুমের মধ্যে নোয়াখালী, চট্টগ্রাম (পাঁচটার মধ্যে ৩টা বন্ধ), ফেনীসহ ২৫টি বন্ধ হয়ে গেছে। অবশিষ্ট যে ২২টি শো-রুম চালু রয়েছে সেগুলোও বন্ধের পথে।
২০১২ সাল পরবর্তী কম্পিউটার সোর্স বেশ কয়েকটি ফ্ল্যাগশিপ শো-রুম চালু করেছিল প্রতিষ্ঠানটি। এর মধ্যে সবচেয়ে চোখে পড়ার মতো ছিল ধানমন্ডি-১৬ (পুরাতন-২৭)-এর শো-রুম। ৭ হাজার স্কয়ার ফিট এই শো-রুম চালু করার পর তারা লোকসানে পড়ে যায়। প্রতি মাসে লাখ লাখ টাকা খরচ হলেও আয়ের খাতায় ছিল শূন্য। ফলে এই শো-রুমটিও বন্ধ করে দেয় তারা। বৃহস্পতিবার তাদের সেই শো-রুমে যাওয়ার পর দেখা যায়, আগের সেই বিশাল শো-রুম আর নেই, সেখানে এখন স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক লিমিটেড একটি শাখা চালু হয়েছে। আর পাশে ছোট একটি কক্ষে চলে গেছে কম্পিউটার সোর্স।
অসংখ্য শো-রুম বন্ধের মধ্যে গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে ব্যাংকের কাছে শত কোটি টাকা ঋণ নিয়ে ফেরত দিতে না পারার কারণে নতুন নামে ব্যবসা শুরু করতে যাচ্ছে কম্পিউটার সোর্স। নতুন এই প্রতিষ্ঠানের নাম দেওয়া হয়েছে 'স্টুডিও ম্যাশন লিমিটেড'। যদিও কম্পিউটার সোর্স একই সাথে ‘সিএসএম’ (কম্পিউটার সোর্স মেশিন) নামে একটি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে এবং ‘সেভাল ইলেক্ট্রনিক্স লিমিটেড’ নামে আরও একটি প্রতিষ্ঠান সিঙ্গাপুরে পরিচালনা করছে। সম্প্রতি জানা গেছে, কম্পিউটার সোর্সের কাছে প্রোডাক্ট ও সার্ভিস নেওয়া হলে 'স্টুডিও ম্যাশন লিমিটেড' নামে ইনভয়েস (ক্রয় রশিদ) দেওয়া হচ্ছে।
স্টুডিও ম্যাশন লিমিটেডের নামে দেওয়া ইনভয়েসে ঠিকানা দেওয়া বিটিএমসি ভবন, লেভেল-২, ৭-৯ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা। টেলিফোন নম্বর দেওয়া হয়েছে ৯১৪১৫৭৭, ৯১২৭৫৯২, ৯১১৮৬৯৭। ওয়েবসাইটের ঠিকানায় দেওয়া আছে www.studiomasonbd.com এই ঠিকানা। তবে ওয়েবসাইটে গিয়ে দেখা গেছে সাইটটি এখনও চালু হয়নি। জানা গেছে, এই একই ঠিকানাতে কম্পিউটার সোর্সের কর্পোরেট ডিল করা হয়। এখান থেকেই স্টুডিও ম্যাশন লিমিটেড নামের নতুন এই প্রতিষ্ঠান যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছে। কম্পিউটার সোর্সের একজন কর্মকর্তা বলছেন, ‘এখানে সোর্সের যেসব প্রোডাক্টে ওয়ারেন্টি নেই সেগুলোর সার্ভিস দেওয়া হয়’। তবে সোর্স নতুন নামে ব্যবসা করার উদ্দেশ্য কী, তা ব্যাখ্যা করতে পারেননি।
১৯৯৩ সাল থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কম্পিউটার সামগ্রী বাজারজাত শুরু করে প্রতিষ্ঠানটি। প্রায় তিন দশক ধরে ব্যবসা করতে গিয়ে কয়েক দফায় বিভিন্ন কারণে ব্যবসায় প্রভাব পড়লেও ২০১২ সালের পর থেকে অর্থনৈতিক সংকটে রয়েছে কম্পিউটার সোর্স। নিজেদের অনেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করার পাশাপাশি গত এক বছরেই অন্তত দুই শতাধিক কর্মী ছাঁটাই করেছে তারা।  এসব বিষয়ের সত্যতা স্বীকার করেছেন কম্পিউটার সোর্সের পরিচালক (ডিস্ট্রিবিউশন সেলস) এ ইউ খান জুয়েল। তিনি বলছেন, ‘আমাদের সম্পত্তি ক্রয় করা ঠিক হয়নি। আমাদের ব্যবসায় নগদ টাকার প্রয়োজন।’
এ ইউ খান জুয়েল বলেন, ‘অর্ধেক বন্ধ হয়েছে ঠিক আছে কিন্তু দেখুন আমাদের গুলশানে দুটি অফিস ছিল বা উত্তরায় দুটি অফিস ছিল এমন আরও কিছু অফিস আমাদের ছিল। তবে কিছু অফিস আমাদের কেবি স্কয়ারে নিয়ে এসেছি। সব কর্পোরেট অফিস একত্রিত করেছি। আমরা রিটেইলে ব্যবসা করলে ক্যাশ করতে পারি কিন্তু কর্পোরেটে যে ব্যবসা করা হচ্ছে সেখানে এখনও আমাদের ১৪০ কোটি টাকা বাকি পড়ে আছে।’ গত কয়েক বছরে কম্পিউটার সোর্সের যে ২২টি শো-রুম বন্ধ হয়েছে। সেখান থেকে প্রায় ৫০/৬০ জন কর্মী ছাঁটাই করা হয়েছে বলে তিনি জানান। তবে কর্মী ছাঁটাই দেখে অন্যান্য বিভাগের সব মিলে দুই শতাধিক কর্মী চাকরি ছেড়েছে বলেও তিনি জানান।
কম্পিউটার সোর্সের একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার বলেন, ‘আমরা এখন সরাসরি রিটেইল না থাকার জন্য চেষ্টা করছি। এ জন্য কিছু কিছু সেলস সেন্টার বন্ধ হয়েছে। এ ছাড়া আমাদের সেলস সেন্টার বন্ধ করার জন্য ব্যবসায়ীরা আন্দোলনে নেমেছিল। ব্যবসায়ীরা দাবি করেছে কম্পিউটার মার্কেটে যেন কম্পিউটার সোর্স না থাকে। এসব কিছুর প্রেক্ষাপটে সেলস সেন্টারগুলো বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। তবে আমাদের কোনো ডিস্ট্রিবিউশন বন্ধ হয়নি।’ তিনি দাবি করেন, ‘ব্যবসার প্রয়োজনে অনেক কিছু পরিবর্তন করা হয়। ঠিক একইভাবে এটা আমাদের বিজনেস প্লানের একটি অংশ।’
সেলসে এখন কেন থাকবেন না? জানতে চাইলে এই কর্মকর্তা বলেন, ‘দেখুন আমরা কোনো সেলস কোম্পানি না। ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি। খুলনা ও বরিশালে কম্পিউটার সোর্স অফিসে হামলাও চালানো হয়েছিল। আগে প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন নাকি ব্যবসা করবেন? আমরা নিরাপত্তার কথা আগে চিন্তা করেছি। আর আমরা কিছু সেলস সেন্টার বন্ধ করলেও এখন বড় পরিসরে এগিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি। আগামী ১৩ মার্চ বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে লজিটেকের নতুন বাংলা কী-বোর্ড চালু হবে। আমরা ব্যবসা বন্ধ করে দিলে এসব নতুন করে চালু করছি কেন?’
নিজেদের ব্যবসার করুণ অবস্থার কারণে বিভিন্ন সময় নানা মুখী উদ্যোগ নিয়েছে কম্পিউটার সোর্স। এর মধ্যে অনলাইনে পণ্য বিক্রি করা এবং সম্প্রতি হার্ডওয়্যারের ব্যবসার পাশাপাশি ‘ইনফোটেক’ নামের নতুন একটি সফটওয়্যার উইং চালু করেছে। এ ব্যাপারে এ ইউ খান জুয়েল বলেন, ‘অনলাইনে আমরা প্রোডাক্ট বিক্রির ঘোষণা দিয়েছি কিন্তু ভালো রেসপন্স পাচ্ছি না। আর সফটওয়্যার ব্যবসা শুরু করেছি কারণ এখন এ ব্যবসার চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে।’
তবে বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির (বিসিসি) কার্যনির্বাহী কমিটির একজন নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘ক ব্যাংকম্পিউটার সোর্সের কাছে কয়েকশত কোটি টাকা পাওনা রয়েছে। ব্যাংক তাদের লেনদেন স্থগিত করেছে। কম্পিউটার ব্যবসায়ীদের আন্দোলনের কারণে তারা ব্যবসা বন্ধ করেনি। মার্কেটে টাকা মেরে দেওয়ার কোনো কারণও নেই। তাদের কর্মীদের ওপর কোনো হামলা হয়নি। আন্দোলন হয়েছে তিন বছর আগে। তাহলে এখন ব্যবসা বন্ধ করার কারণ কি? তাদের প্রায় সব আউটলেট বন্ধ। গত রোজার ঈদের আগে থেকেই ব্যবসা বন্ধের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘ডিস্ট্রিবিউটর হয়েও যখন কম্পিউটার সোর্স সারা দেশে শো-রুম খুলছিল তখন খুচরা পর্যায়ের ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অনেক মার্কেটে ব্যবসায়ীরা রীতিমত আন্দোলনে নেমেছেন। তখন এসব কিছুই তোয়াক্কা করেনি প্রতিষ্ঠানটি। যতদিনে উপলব্ধি হয়েছে ততদিনে বাজারে অনেক খুচরা পর্যায়ের ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে গেছেন। দেশজুড়ে যখন এসব শো-রুম করা হয় তখন স্থানীয় ডিলার ও খুচরা ব্যবসায়ীরা তীব্র আপত্তি করেছিল। আর এখন তা অপ্রয়োজনীয় মনে করছে, প্রচুর লোক ছাঁটাই করছে। বাজারে এর ফলে অস্থিরতা সৃষ্টি হবে।
Collected..preo

Sunday, 12 March 2017

ক্ষতিগ্রস্ত চুলের যত্নে চার পরামর্শ

কম যত্ন নেওয়া, সূর্যের অতি বেগুণি রশ্মির প্রভাব, পরিবেশ দূষণ ইত্যাদি বিভিন্ন কারণে চুলের ক্ষতি হয়। আর রুক্ষ, শুষ্ক চুল কার ভালো লাগে বলুন! চুলের ক্ষতি কমাতে এবং চুল ভালো রাখতে কিছু পরামর্শ জানিয়েছে জীবনধারা বিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাই।
https://www.youtube.com/watch?v=_xBihnEvjX4১. কন্ডিশনার
চুলে কন্ডিশনার ব্যবহারের সময় শেষভাগ অর্থাৎ আগার দিকে বেশি গুরুত্ব দিন। আর চুলের ক্ষতি কমাতে শ্যাম্পুর পর অবশ্যই কন্ডিশনার ব্যবহার করুন।
২. শ্যাম্পু
শ্যাম্পু করার আগে জট ছাড়াতে অবশ্যই চুল আঁচড়ে নেবেন। চুলে শ্যাম্পু করার সময় আগার দিকে শ্যাম্পু কম ব্যবহার করুন। কারণ, চুলের আগা এমনিতেই একটু শুষ্ক থাকে। আর চুলের আগায় বেশি শ্যাম্পু ব্যবহার করলে চুল রুক্ষ হয়ে যায়।
৩. ট্রিম
চুলের ক্ষতি কমাতে নিয়মিত চুলে ট্রিম করুন। অন্য কথায় বলতে গেলে, মাঝেমধ্যেই চুলের আগা কাটুন। চুলের আগা ফেটে গেলে চুল বাড়তে অসুবিধা হয়।
৪. গরম তেলের ম্যাসাজ
চুলের ক্ষতি কমাতে তেল হালকা গরম করে ম্যাসাজ করুন। নারকেল বা কাঠবাদাম যে তেল আপনার পছন্দ, সেটিই ব্যবহার করুন। তেলের ম্যাসাজ মাথার তালুর রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়। এ ছাড়া চুলের রুক্ষতা প্রতিরোধে করতে পারেন হেয়ার স্পা।

Wednesday, 8 March 2017

ঘাড়ের বলিরেখা দূর করার তিন উপায়

https://www.youtube.com/watch?v=h6mkt-nOsIoসূর্যের অতিবেগুণী রশ্মির প্রভাব, ঘুমের সময় ভুল অঙ্গবিন্যাস, ধূমপান ও হরমোনের ভারসাম্যহীনতা ইত্যাদি বিভিন্ন কারণে ঘাড়ে বলিরেখা পড়ে। তবে বলিরেখার চিকিৎসা খুব দ্রুত করতে হবে। বলিরেখা দূর করার জন্য ঘাড়ের ত্বকের যত্ন নেওয়া প্রয়োজন। কিছু ঘরোয়া উপায় রয়েছে যেগুলো বলিরেখা কমাতে কাজ করে।
ঘাড়ের বলিরেখা কমাতে কিছু ঘরোয়া উপায়ের কথা জানিয়েছে জীবনধারা বিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাইয়ের স্বাস্থ্য বিভাগ।
কলা
কলার মধ্যে রয়েছে উচ্চ পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এটি ত্বকের বলিরেখা কমাতে কাজ করে। একটি কলা চটকে নিন। এর মধ্যে সামান্য মধু মেশান। এরপর ঘাড়ে ম্যাসাজ করুন। ১০ মিনিট পর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
কাঠবাদামের তেল
কাঠবাদামের তেলের মধ্যেও রয়েছে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট। এটি বয়সের ছাপ কমাতে সাহায্য করে। কয়েক ফোঁটা কাঠবাদামের তেল গরম করুন। এর পর ঘাড়ে ম্যাসাজ করুন। ঘাড়ের বলিরেখা দূর করার জন্য দিনে দুই থেকে তিনবার এভাবে ম্যাসাজ করুন।
পেঁপে
ঘাড়ের বলিরেখা দূর করার আরেকটি অন্যতম উপায় হলো পেঁপের ব্যবহার। পেঁপের মধ্যে রয়েছে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট। এটি ঘাড়ের বলিরেখা দূর করতে খুব উপকারী। কয়েক টুকরো পেঁপে চটকে নিন। এর মধ্যে সামান্য মধু ও লেবু দিন। উপাদানগুলো ভালোভাবে মিশিয়ে ঘাড়ে লাগান। এই মাস্ক দিনে দুই থেকে তিনবার লাগান। এতে বলিরেখা সহজেই দূর হবে।

Saturday, 4 March 2017

হতাশা দূর করতে সাহায্য করবে এই ৮টি খাবার

https://www.youtube.com/watch?v=h6mkt-nOsIo
হতাশাকে নীরব ঘাতক বলা হয়। এটি আমাদের মানসিক স্বাস্থ্যের পাশাপাশি শরীরের ওপরে ব্যাপক প্রভাব ফেলে। এটি একটি মানসিক অবস্থা যা আমাদের মন খারাপ করে এবং প্রতিদিনের কাজে আগ্রহ হারায়। বিভিন্ন কারণে একজন মানুষ ডিপ্রেশন বা হতাশায় ভুগতে পারেন।  হতাশা এমন একটি জিনিস যা মানুষকে তিলে তিলে শেষ করে দেয়।  লো বা হাই ব্লাড প্রেশার, হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক এমনকি ডায়াবেটিসও হতে পারে দীর্ঘদিন স্ট্রেস থাকার কারণে। তাই হতাশাকে বাড়তে না দিয়ে এটি প্রতিরোধ করা উচিত। কিছু খাবার আছে যা হতাশা কমাতে সাহায্য করে।  
১। টমেটো
হতাশা দূর করতে টমেটো বেশ কার্যকরী একটি খাবার। এর ফলিক অ্যাসিড এবং আলফা লিপোক অ্যাসিড হতাশা দূর করতে সাহায্য করে। গবেষণায় দেখা গেছে যারা হতাশায় ভুগে থাকেন তাদের নিয়মিত টমেটো খাওয়া হতাশা দূর করতে সাহায্য করে।
২। কাজুবাদাম
কাজুবাদাম জিঙ্কের অন্যতম উৎস। এক আউন্স কাজুবাদামে ১১% আরডিএ (RDA) পরিমাণ জিঙ্ক রয়েছে। অর্থাৎ জিঙ্কের দৈনিক চাহিদার ১১ শতাংশ দিতে পারে এক আউন্স কাজুবাদাম। শরীরে জিঙ্কের অভাব দেখা দিলে হতাশা, উদ্বেগ দেখা দেয়। আমাদের শরীর জিঙ্ক সংরক্ষণ করে রাখে না, তাই প্রতিদিন অল্প পরিমাণের হলেও জিঙ্ক খাওয়া উচিত। এটি আমাদের দুশ্চিন্তা দূর করে মন ভাল করে দেয়।
৩। মিষ্টি আলু
মিষ্টি আলুতে প্রচুর পরিমাণ বিটা ক্যারটিন এবং ভিটামিন বি৬ রয়েছে যা মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটায়। এটি হতাশা দূর করতেও বেশ কার্যকর।
৪। পেঁয়াজ এবং রসুন
অ্যান্টি ইনফ্লামেটরি, অ্যান্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ সবজি ক্যান্সার প্রতিরোধ করার পাশাপাশি আপনার মুড পরিবর্তন করতে সাহায্য করে। প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় পেঁয়াজ এবং রসুন রাখুন।
৫। অ্যাভাকাডো
অ্যাভাকাডো মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। এতে স্বাস্থ্যকর ফ্যাট, প্রোটিন, ভিটামিন বি, সি,ই এবং কে রয়েছে যা রক্তে চিনির মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।
৬।  ডার্ক চকলেট
ডার্ক চকলেট মন ভালো করে দেয়ার ক্ষমতা রাখে। ডার্ক চকলেটে থাকা পলিফেনল মানসিক অবস্থা উন্নত করে। এছাড়া এটা রক্তচাপ কমাতেও সাহায্য করে। খুব বেশি স্ট্রেস অথবা মন খারাপের সময় এক টুকরো ডার্ক চকলেট খান। আর দেখুন নিমিষে মন ভাল হয়ে গেছে।
৭। আপেল
মনোবিজ্ঞানী দূরে রাখতে চাইলে প্রতিদিন একটি করে আপেল খাওয়ার অভ্যাস করুন। বেরি, আপেলে প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টি অক্সিডেন্ট রয়েছে যা সেলুলার স্তরে ইনফ্লামেশন মেরামত করে থাকে। দ্রবণীয় আঁশ হওয়ার এটি রক্তে চিনির মাত্রা নিয়ন্ত্রণ রাখতে সাহায্য করে।  ছোটখাটো ক্ষুধা মেটাতে একটি আপেল খাওয়ার চেষ্টা করুন।
৮। পালংশাক
উচ্চ মাত্রার ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ এই পালং শাক ক্লান্ত বিষণ্ণতা দূর করে থাকে। এছাড়া এই শাক ভিটামিন এ, বি, সি এবং আয়রনের চমৎকার উৎস। সেই সাথে এতে থাকা প্রোটিন দেহের শক্তির মাত্রা বৃদ্ধি করে।
সূত্র: বোল্ড স্কাই

যে খাবারগুলো নিয়ন্ত্রণ করবে কোলেস্টেরল

https://www.youtube.com/watch?v=4o-aRApkkiY
বর্তমান সময়ে সাধারণ একটি শারীরিক সমস্যা হলো কোলেস্টেরল। কোলেস্টেরল রক্তের মাঝে প্রাপ্ত এক ধরনের ফ্যাট। মস্তিস্ক, ত্বক, এবং অন্যান্য অঙ্গের বৃদ্ধি এবং সঠিক ভাবে কাজ করার জন্য দেহে কোলেস্টেরলের প্রয়োজন হয়। তবে এই উপাদানটি প্রয়োজনের তুলনায় দেহে যদি বেশি হয়ে যায় তখন তা নানা সমস্যার সৃষ্টি করে। সেন্টার ফর ডিজিস কন্ট্রোল এন্ড প্রিভেনশন (CDC) এর জরিপ অনুযায়ী এক তৃতীয়াংশ আমেরিকান প্রাপ্ত বয়স্করা হাই কোলেস্টেরল বা “খারাপ কোলেস্টেরল” সমস্যায় ভুগে থাকেন। উচ্চ কোলেস্টেরল হৃদ স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। কোলেস্টেরলকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়, লো-ডেনসিটি লিপোপ্রোটিন, ভেরি-লো-ডেনসিটি লিপোপ্রোটিন এবং হাই-ডেনসিটি- লিপোপ্রোটিন। লো-ডেনসিটি-লিপোপ্রোটিন এবং ভেরি-লো-ডেনসিটি-লিপোপ্রোটিন স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। তবে হাই-ডেনসিটি-লিপোপ্রোটিন স্বাস্থ্যের জন্য উপকারি।  
বিভিন্ন কারনে রক্তে কোলেস্টেরলের পরিমাণ বৃদ্ধি পেতে পারে। সময়মত নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে এর কারণে দেখা দিতে পারে নানান অসুখ। কিছু খাবার আছে যা কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করবে। জেনে নিন সেই খাবারের তালিকাটি।
১। ওটমিল
সকালের নাস্তায় ওটমিল খাবারটি রাখুন। এটি রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। এর ফাইবার দীর্ঘক্ষণ পেট ভরিয়ে রাখে এবং ইমশোনাল ইটিং থেকে বিরত রাখে।
২। কমলার রস
তাজা কমলার রস কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে থাকে। এক গবেষণায় দেখা গেছে দিনে ৩ গ্লাস কমলার রস এক মাসের মধ্যে এচডিএল এর লেভল শতকরা ২১ পারসেন্ট এবং এলডিএল বা এচডিএল এর মাত্রা ১৩ পারসেন্ট পর্যন্ত কমিয়ে দিয়ে থাকে। আপনি যদি কোলেস্টেরলের রোগী হয়ে থাকেন তবে নিয়মিত কমলার রস পান করুন।
৩। কাঠবাদাম
স্বাস্থ্যকর হালকা খাবার হিসেবে কাঠাবাদাম অতুলনীয়। এতে রয়েছে মোনোস্যাচুরেটেড ফ্যাট এবং ফাইবার যা খারাপ কোলেস্টেরল দূর করে ভালো কোলেস্টেরল বৃদ্ধি করে থাকে। প্রতিদিন এক মুঠো কাঠাবাদাম খাওয়ার চেষ্টা করুন।
৪। গ্রিন টি
দিন কয়েক কাপ গ্রিন টি পান করা হতে পারে খারাপ কোলেস্টেরল কমানোর সবচাইতে সহজ একটি উপায়।

৫। অলিভ অয়েল
স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন করার জন্য অলিভ অয়েলের বিকল্প নাই। এটি খাবারের স্বাদ মান অটুট রেখে শরীরের কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। প্রতিদিনকার খাবারে অলিভ অয়েল ব্যবহার করুন।
৬। রসুন
রসুন শুধু হৃদস্বাস্থ্যের জন্য ভালো তা কিন্তু নয় এটি রক্তে কোলেস্টেরল মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। দুই তিনটি কাঁচা রসুন প্রতিদিন খালি পেটে খাওয়ার চেষ্টা করুন। এছাড়া রান্নায় রসুন ব্যবহার করুন।
৭। ডার্ক চকলেট
আমেরিকান জার্নাল অফ ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশন ২০১৩ সালে গবেষণায় দেখেছে যে, ডার্ক চকলেটে থাকা উপাদান রক্ত কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে। খুব বেশি পরিমাণে নয় এক বা দুটি ছোট টুকরো ডার্ক চকলেট প্রতিদিন খাওয়ার চেষ্টা করুন।
এছাড়া অ্যাভোকাডো, সয়াবিন, মাছ, স্ট্রবেরি, ব্রোকলি ইত্যাদি খাবার রক্তে কোলেস্টেরলে নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে।
সূত্র: টপ টেন হোম রিমিডিস

সাগরতলে লাল ড্রাগন!

https://www.youtube.com/watch?v=4o-aRApkkiY
ড্রাগন দেখা গেছে! তাও সমুদ্রের গভীরে। এতদিন ড্রাগন ছিল চীন-জাপানের উপকথায়। তবে এবার অস্ট্রেলিয়ায় সমুদ্রের ১৬৪ ফুট গভীরে পাঠানো ক্যামেরায় ধরা পড়েছে ড্রাগনের মতো সামুদ্রিক প্রাণী
বিশেষজ্ঞদের দাবি, সি ড্রাগন নামে একটি সামুদ্রিক প্রাণীর অস্তিত্ব আগেই ধরা পড়েছে। কিন্তু এবার ধরা পড়ল লাল রঙের সি ড্রাগন। প্রাণীটির পুরো শরীর লাল। একটা লেজও আছে। লেজ নাড়িয়ে প্রাণীটি গভীর সমুদ্রে ভেসে বেড়ায়। লাল বর্ণের কারণে বিশেষজ্ঞরা এর নাম দিয়েছে রুবি সি ড্রাগন।
মেইল অনলাইন জানিয়েছে, অস্ট্রেলিয়ার পশ্চিমাঞ্চলে গভীর সমুদ্রে ভাসিয়ে দেওয়া ক্যামেরায় লাল রঙের ওই সি ড্রাগন ধরা পড়ে।
সমুদ্র নিয়ে গবেষণা করেন অধ্যাপক গ্রেগ রাউস। তিনি বলেন, ‘এর আগে দুই ধরনের সি ড্রাগন পেয়েছি আমরা। কিন্তু আমাদের ধারণা ছিল না তৃতীয় আরো একধরনের সি ড্রাগন পাওয়া যাবে।’
ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, রঙে ও চলাফেরায় অন্য দুই প্রকার সি ড্রাগনের চেয়ে এটা আলাদা। সি ড্রাগন প্রথম দেখা যায় ১৯১৯ সালে। বিশেষজ্ঞরা এর নাম দিয়েছেন সাধারণ সি ড্রাগন। যার গায়ের রং হলুদ ও বেগুনি।
পরে যে ধরনের সি ড্রাগন দেখা যায় তা সবুজ ও কমলা রঙের। তবে সবুজের আধিক্যই বেশি। সহজেই সবুজ পাতার মধ্যে অদৃশ্য হয়ে যাওয়ার ক্ষমতা রাখে। অর্থাৎ বোঝাই যায় না আসলে পাতা কোনটা আর সি ড্রাগন কোনটা। এ কারণে একে ‘লিফি’ সি ড্রাগনও বলেন বিশেষজ্ঞরা।
ওই দুই প্রকার সি ড্রাগনের সঙ্গে সদ্য চোখে পড়া সি ড্রাগনের কিছুটা পার্থক্য আছে। লাল সি ড্রাগনের লেজ আছে তা নাড়াচাড়া করতে পারে ওই প্রাণী। সাধারণ ও লিফি সি ড্রাগনেরও লেজ আছে তবে তা নড়াচড়া করে না। আর ওই দুই সি ড্রাগন এত গভীর সমুদ্রে থাকে না। কিন্তু আবাস হিসেবে গভীর সমুদ্রই পছন্দ লাল সি ড্রাগনের!
রঙের পাশাপাশি দেহের গড়ন ও জীবনধারণ আলাদা হওয়ায় লাল সি ড্রাগন চোখে পড়ার পর রীতিমতো বিস্মিত হয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ার বিশেষজ্ঞ নেরিদা উইলসন বলেন, এখনো অনেক কিছু আছে যা আমাদের চোখে পড়েনি।’

ভিনগ্রহী লুকাচ্ছে নাসা?

https://www.youtube.com/watch?v=4o-aRApkkiYযুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা ভিনগ্রহীদের (এলিয়ন) লুকিয়ে রাখছে বলে অভিযোগ করেছে ইউএফও (ভিনগ্রহী যান) বিশ্বাসীরা। সোমবার যুক্তরাজ্যের সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইল এ খবর জানিয়েছে।
খবরে বলা হয়েছে, ষড়যন্ত্র তাত্ত্বিকদের দল সুরক্ষা-১০ এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও আপলোড করেছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, নাসার এক নভোচারী মহাকাশ থেকে পৃথিবীর দৃশ্য ধারণ করার সময় একটি ‘রসহস্যময়’ আলো ধরা পড়ে। কিন্তু ওই নভোচারী তখন ক্যামেরার সামনে হাত দিয়ে তা গোপন করার চেষ্টা করেন।
ইউএফও বিশ্বাসী দলের অভিযোগ, মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা এলিয়েনদের তথ্য-প্রমাণ গোপন করছে।
তাদের অভিযোগ, যখন উজ্জ্বল আলোটি দেখা যায়, তখন ওই নভোচারী ক্যামেরার সামনে তার হাত দিয়ে তা গোপন করেন। একই ধরনের আরো একটি ঘটনা লুকানো হয়েছে। যখন দেখা যায়, একটি আলো পৃথিবী অতিক্রম করছিল, ঠিক তখনই ওই নভোচারী নিজের হাতে ক্যামেরার ঢাকনা লাগিয়ে দেন।
এদিকে, ভিডিও আপলোডের পর এক মন্তব্যকারী লিখেছেন, ‘সেখানে অবিশ্বাস্য কিছু ক্লিপস রয়েছে, যা এর আগে আমি কখনোই দেখিনি। কীভাবে একজন এমন দৃশ্য ঢেকে রাখতে পারে?’
নাসার ইউটিউব চ্যানেল ব্যবহারকারী কোল্ড পাইরোর আপলোড করা ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, একটি সাদা আলোর কণিকা অন্ধকার থেকে পৃথিবীর দিকে আসছে। নাসার অফিশিয়াল চ্যানেল দেখতে পায় যে, ইউএফওটি ক্যামেরার ফ্রেমের মধ্যে চলে আসছে তখন দ্রুত এটি কাট করা হয়।

প্রথমবারের মতো তোলা হবে কৃষ্ণগহ্বরের ছবি

https://www.youtube.com/watch?v=4o-aRApkkiYসাজিটারিয়াস এ-স্টারের ছবি তুলতে প্রস্তুত ইভেন্ট হোরাইজন টেলিস্কোপ বা ইএইচটি। এপ্রিলের ৫ থেকে ১৪ তারিখ পর্যন্ত এই ভার্চুয়াল টেলিস্কোপ আমাদের ছায়াপথের কেন্দ্রে থাকা ব্ল্যাকহোল বা কৃষ্ণগহ্বরটির ছবি তোলার কাজ করবে। দুই দশক ধরে এই টেলিস্কোপ নির্মাণের কাজ চলেছে। ইএনগ্যাজেটের একটি প্রতিবেদন জানাচ্ছে এ তথ্য।
ইভেন্ট হোরাইজন টেলিস্কোপ বা ইএইচটি মূলত বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা শক্তিশালী রেডিও টেলিস্কোপের সন্নিবেশ। ‘ভেরি-লং-বেসলাইন ইন্টারফেরোমেট্রি’ পদ্ধতির মাধ্যমে সারা পৃথিবীকে পরিবেষ্টন করে রাখা টেলিস্কোপগুলো একটি একক টেলিস্কোপ হিসেবে কাজ করবে। সাজিটারিয়াস এ-স্টারকে পর্যবেক্ষণ করতে খুবই শক্তিশালী টেলিস্কোপের দরকার, কারণ দূরত্বের হিসাবে পৃথিবী থেকে কৃষ্ণগহ্বরটির ফারাক অনেক বেশি। ২৬ হাজার আলোকবর্ষের কৃষ্ণবিবরের ওজন আমাদের সূর্যের চার কোটি গুণ! পৃথিবী থেকে চাঁদের মাঝে একটি আঙুরকে দেখার সঙ্গে সাজিটারিয়াসকে খুঁজে বের করার তুলনা দিয়েছেন বিজ্ঞানীরা।
ছবি তোলার এই কর্মযজ্ঞে বেশ ভালোমতো প্রস্তুতি নিচ্ছে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন অবজারভেটরি। অতি সূক্ষ্ম দিনক্ষণ গণনার জন্য ব্যবহার করা হবে পারমাণবিক ঘড়ি। একই সঙ্গে বিপুল পরিমাণ ডাটা সংগ্রহের জন্য রাখা হয়েছে প্রচুর স্টোরেজ ব্যবস্থা, যা কি না প্রায় ১০ হাজার ল্যাপটপের ধারণক্ষমতার সমান। সারা বিশ্ব থেকে এসব হার্ডড্রাইভ নিয়ে যাওয়া হবে এমআইটির হ্যাস্ট্যাক অবজারভেটরিতে। সংগৃহীত এইসব ডাটা দীর্ঘ পর্যালোচনা করে সেখান থেকে পূর্ণাঙ্গ ফল পাওয়া যাবে।
গবেষকরা জানাচ্ছেন, ২০১৮ সালের শুরুর আগে মনুষ্যজাতির তোলা প্রথম কৃষ্ণগহ্বরের ছবি পাওয়া যাবে না। কেমন হবে কৃষ্ণগহ্বরের ছবি, তার একটি নমুনা তৈরি করেছে কম্পিউটার সিমুলেশনের মাধ্যমে।
আইনস্টাইনের থিওরি অব রিলেটিভিটি থেকে ধারণা করা যায়, কালো একটি বিন্দুর পাশে অর্ধচন্দ্রাকার আলোর ছটা হিসেবেই দেখা যাবে ব্ল্যাকহোলকে। মূলত কোনো কৃষ্ণগহ্বরকে সরাসরি দেখা বা ছবি তোলা অসম্ভব। তবে তার ঘটনা দিগন্ত বা ইভেন্ট হোরাইজনের পাশে থাকা আলোকরশ্মির ছবি তোলা সম্ভব। এই আলোকরশ্মির মাধ্যমেই কৃষ্ণগহ্বরের অবস্থান নিশ্চিত করা যায়।

ল্যাপটপ পরিষ্কারের সহজ তিন উপায়

https://www.youtube.com/watch?v=4o-aRApkkiYঘর বা অফিসে সবচেয়ে বেশি ময়লা হওয়ার তালিকার মধ্যে যেই জিনিসটি রয়েছে, সেটি হলো ল্যাপটপ। ল্যাপটপের ধুলা থেকে বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যাও হতে পারে। সপ্তাহে একদিন অন্তত ভালোভাবে ল্যাপটপ ও এর কিবোর্ড পরিষ্কার করা উচিত। ল্যাপটপ পরিষ্কারের তিনটি সহজ পদ্ধতি জানিয়েছে টাইমস অব ইন্ডিয়া।
ল্যাপটপ পরিষ্কারের ক্ষেত্রে ডিসটিলড ওয়াটার বা পরিশোষিত পানি ব্যবহার করুন। ভালোভাবে পরিষ্কারের জন্য ঘরে তৈরি দ্রবণ ব্যবহার করতে পারেন। যেমন : পানির মধ্যে সাদা ভিনেগার মিশিয়ে পরিষ্কার করতে পারেন। অ্যালকোহল ব্যবহার করা যাবে না। অ্যামোনিয়া ব্যবহার করা যেতে পারে।
দ্রবণ তৈরি করার পর একে ছোট কনটেইনারের মধ্যে ঢালুন। এমন কনটেইনার নিন, যেটি দিয়ে স্প্রে করা যায়। এরপর ল্যাপটপে দ্রবণটি স্প্রে করুন।
একটি নরম কাপড় নিন। হালকাভাবে কাপড়টি দিয়ে ল্যাপটপ পরিষ্কার করুন। খেয়াল রাখুন, যেন আঙুলের চাপ না পড়ে। ধীরে ধীরে বৃত্তাকারভাবে কাপড়টি দিয়ে ল্যাপটপ পরিষ্কার করুন। এভাবে পরিষ্কার করলে ল্যাপটপ অনেক দিন ভালো ও সুন্দর থাকবে।

Thursday, 2 March 2017

মাঝরাতে ঘুম ভেঙ্গে গেলে নড়াচড়া করতে পারেন না কেন?

https://www.youtube.com/watch?v=4o-aRApkkiY
আপনার কী কখনো স্লিপ প্যারালাইসিস হয়েছে? এটি খুবই ভয়ঙ্কর একটি অভিজ্ঞতা, যা আপনি কখোনোই ভুলে যাবেন না। এ রকম হলে আপনার শরীর নিশ্চল হয়ে যায়, হাত-পা বা মাথা নাড়াতে পারেন না আপনি। আপনি শব্দ করতে চাইলেও মুখ খুলতে পারেন না। আপনার শ্বাসকষ্ট হয় এবং মনে হয় যেন বুকের উপরে কিছু একটা চেপে বসে আছে। এই অনুভূতির ফলে আপনার ভীষণ ভয় হয় এবং মনে হয় যেন অবাস্তব কিছু আপনার কক্ষে উপস্থিত হয়েছে!  
স্লিপ প্যারালাইসিসকে প্যারাসমনিয়া ও বলা হয়। এটি আসলে বিপদজনক নয় এবং কোন মারাত্মক রোগের উপসর্গ নয়। স্লিপ প্যারালাইসিস নারকোলেপ্সি এর লক্ষণ। নারকোলেপ্সি এমন এক ধরনের রোগ যাতে আক্রান্ত রোগি প্রায়ই আচ্ছন্ন হয়ে পড়েন। কিন্তু অনেক স্লিপ প্যারালাইসিসই নারকোলেপ্সি বা অন্য কোন স্লিপ ডিজঅর্ডারের কারণে হয় না। স্লিপ প্যারালাইসিস এর পর্বটি কয়েক সেকেন্ড থেকে কয়েক মিনিট পর্যন্ত হতে পারে। ঘুম থেকে জেগে যাওয়ার সময় বা ঘুম আসার সময় হতে পারে স্লিপ প্যারালাইসিস। ঘুমের এই সমস্যাটির কারণ এখনো অজানা রয়ে গেছে। স্লিপ প্যারালাইসিসের ঘটনাটি ঘটে থাকে সাধারণত ঘুমের বিভিন্ন স্তরের মধ্যকার রূপান্তরের কারণে। নির্দিষ্টভাবে র‍্যাম (REM) স্লিপ এর স্তরে প্রবেশ করা ও বাহির হওয়ার সময়ে।
RAM স্লিপ এর সময় আপনার শরীর প্যারালাইসিসের এমন একটি পর্যায়ে যায় যাকে রেম অ্যাটোনিয়া বলে। এটি ঘুমের একটি স্বাভাবিক অংশ, যেখানে শরীরের প্রধান পেশীগুলো অবশ হয়ে যায়। ঘুমের সময় শরীরে যেন কোন আঘাত না লাগে সেজন্যই হয়ে থাকে এ ধরনের প্যারালাইসিস। REM অবস্থাতেই মানুষ স্বপ্ন দেখে।
ঘুম বিজ্ঞানীগণ বিশ্বাস করেন যে, REM স্লিপ এ প্রবেশ করা ও বাহির হওয়া এবং ঘুমের অন্যান্য পর্বগুলো যদি সঠিকভাবে সম্পন্ন না হয় তাহলে স্লিপ প্যারালাইসিস হয়। ঘুমের মধ্যে পক্ষাঘাতগ্রস্ত অবস্থা সাধারণত REM স্লিপ এবং ঘুমের অন্য পর্যায়েরও সময় হয়ে থাকে এবং তখন যদি  আপনি জেগে যান তখন আপনি আপনার শরীরের পক্ষাঘাতের বিষয়ে সচেতন হয়ে উঠেন এবং কথা না বলতে পারা ও নড়াচড়া করতে পারেন না বলে ভয় পেয়ে যান। স্লিপ প্যারালাইসিসের কারণে হ্যালুসিনেশন ও হতে পারে। মানুষ প্রায়ই এ ধরনের অভিজ্ঞতাকে তার কক্ষে ভূতের উপস্থিতির অনুভূতির মত বলেন। এই হ্যালুসিনেশনের কারণে মানুষ অদ্ভুত শব্দ এবং গন্ধ পান,  পড়ে যাওয়া বা ওড়ার অভিজ্ঞতার কথাও বলেন অনেকে। যদিও স্লিপ প্যারালাইসিসের ঘটনা শ্বাস প্রক্রিয়ায় কোন সমস্যা সৃষ্টি করেনা। কখনো কখনো মানুষ শ্বাস রুদ্ধ হয়ে আসার কথা বলেন এবং বুকের উপর অনেক চাপ অনুভব করার কথাও বলেন। স্লিপ প্যারালাইসিসের অভিজ্ঞতাটি খুবই ভয়ংকর হতে পারে, বিশেষ করে যদি তা প্রথমবার হয়ে থাকে।  
আপনার যদি এই অভিজ্ঞতাটি হয়ে থাকে তাহলে আপনি একা নন। জীবনের যেকোন পর্যায়েই এটি হওয়া স্বাভাবিক একটি ঘটনা। ৬৫ শতাংশ মানুষই স্লিপ প্যারালাইসিসের সমস্যায় ভুগে থাকেন জীবনের কোন না কোন পর্যায়ে। এ ধরনের ঘটনা একজন মানুষের জীবনে ১/২ বার হতে পারে, আবার কারো কারো ক্ষেত্রে তা ঘন ঘন হতে পারে। নির্দিষ্ট কিছু মানুষ এই ভয়ংকর ঘুমের সমস্যার ঝুঁকিতে থাকেন। যাদের বিঘ্নিত ঘুম চক্র এর সমস্যা আছে, আঘাত পেয়ে থাকলে, উদ্বিগ্নতা বা বিষণ্ণতায় ভুগলেও স্লিপ প্যারালাইসিসের সমস্যা হতে পারে।
নতুন গবেষণায় স্লিপ প্যারালাইসিসের সম্ভাব্য কারণগুলোর বিষয়ে অনুসন্ধান করা হয়েছে এবং এর ফলাফলে নির্দেশ করা হয়েছে যে, জেনেটিক কারণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। যুক্তরাজ্যের বিজ্ঞানীরা স্লিপ প্যারালাইসিসের ক্ষেত্রে বংশগতির ভূমিকা নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেন ৮৬২ জন যমজ ভাইবোনের উপর। অংশগ্রহণকারীদের বয়স ছিলো ২২ থেকে ৩২ বছরের মধ্যে।
গবেষকেরা অভিন্ন যমজ, ভিন্ন চেহারার যমজ এবং ভাইবোনদের মধ্যকার স্লিপ প্যারালাইসিসের ঘটনার তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে দেখেন। তারা দেখেন যে, অভিন্ন যমজদের মধ্যে একই রকম  DNA থাকে, ভিন্ন চেহারার যমজ এবং সহোদর ভাইবোনদের মধ্যে ৫০ শতাংশ DNA থাকে প্রায় একই  রকম। তাদের পর্যালোচনায় তারা এটাই খুঁজে পান যে, স্লিপ প্যারালাইসিসের ঘটনার ৫৩ শতাংশই জেনেটিক কারণে হয়েছিলো।
গবেষকেরা জেনেটিক লিংক এর বিষয়টি আরো ভালোভাবে বোঝার জন্য জিনের বিভিন্ন রুপ গুলোর প্রতি নজর দেন যা সারকাডিয়ান রিদম নিয়ন্ত্রণের সাথে সম্পর্কিত।  সারকাডিয়ান রিদম হচ্ছে ২৪ ঘন্টার জৈবিক ছন্দ যা ঘুম-জাগরণ চক্রকে নিয়ন্ত্রণ করে। তারা আবিস্কার করেন যে, PER2 জিন এর নির্দিষ্ট প্রকরণ ছিলো যাদের তাদের স্লিপ প্যারালাইসিস হওয়ার অভিজ্ঞতা হয়েছিলো বেশি। এছাড়াও ঘুমের সমস্যা, উদ্বিগ্নতা, স্ট্রেস বা মানসিক বা শারীরিক আঘাতের অভিজ্ঞতা ছিলো যাদের তাদের মধ্যে স্লিপ প্যারালাইসিস হওয়ার প্রবণতা বেশি ছিলো।
আপনি আপনার স্লিপ প্যারালাইসিস হওয়ার সম্ভাবনাকে কমাতে পারেন স্বাস্থ্যকর ঘুমের প্রতি ফোকাস করার মাধ্যমে : নিয়মিত ঘুমের রুটিন মেনে চলা, উদ্দীপক এড়িয়ে চলা (বিশেষ করে অ্যালকোহল), নিয়মিত ব্যায়াম করা, ভালোভাবে খাওয়া এবং রাতে দেরি করে খাওয়া এড়িয়ে চলা। স্ট্রেস ও মানসিক স্বাস্থ্যের প্রতি নজর দেয়াও জরুরী। উদ্বিগ্নতা এবং বিষণ্ণতা খুবই সাধারণ সমস্যা। এই সমস্যাগুলোর জন্য চিকিৎসা নিলে ভালো ঘুম হতে সাহায্য করবে এবং স্লিপ প্যারালাইসিসকে এড়িয়ে চলতে সাহায্য করবে।
যদি আপনার স্লিপ প্যারালাইসিসের সমস্যা হয় তাহলে আতংকিত হবেন না। নিজেকে স্মরণ  করিয়ে দিন যে, যদিও এটি ভয়ংকর এবং উত্তেজনা সৃষ্টিকারী একটি অভিজ্ঞতা তারপর ও এটি অস্থায়ী এবং অক্ষতিকর একটি সমস্যা যা খুব তাড়াতাড়ি দূর হয়ে যাবে। কী হচ্ছে তা বুঝতে পারলে ঘুমের সাথে সম্পর্কিত ভয়ের সমসাটিকে মানসিকভাবে এড়িয়ে যেতে পারবেন।
সূত্র:  হাফিংটন পোষ্ট