Ads

Showing posts with label model. Show all posts
Showing posts with label model. Show all posts

Monday, 3 April 2017

সিঙ্গেল নারীকে যে পাঁচ কথা শুনতে হয়

এটা সত্যি যে আমাদের সমাজে একা একটি নারীর জীবনযাপন করা খুবই কঠিন। সে চাইলেই পুরুষদের মতো একা স্বাধীন থাকতে পারে না। কারণ সমাজ এ বিষয়ে সম্মতি দেয় না। আর পাশের বাসার আন্টি, মামাতো-ফুপাতো বোনেরা ও সহকর্মীরা তো রয়েছেই। সবার একটাই চিন্তা, তুমি এখনো একা? যেন একা থাকাটা অপরাধ!
টাইমস অব ইন্ডিয়ায় এমন কিছু কথা তুলে ধরা হয়েছে যা একজন সিঙ্গেল নারী সবসময়ই শুনে থাকে। জেনে নিন, কোন কথাগুলো একজন সিঙ্গেল নারীকে কখনোই বলতে নেই
১. তুমি এখনো তোমার সত্যিকারের জীবনসঙ্গী খুঁজে পাওনি?
একজন সিঙ্গেল নারী খুব ভালো করেই জানে কীভাবে তাকে বাঁচতে হবে। কিন্তু আশপাশের মানুষের যে তাকে নিয়ে কৌতুহলের শেষ নেই। একটু উপহাস করেই জানতে চায়, ‘তুমি এখনো তোমার সত্যিকারের জীবনসঙ্গী খুঁজে পাওনি?’ এ কথাটি হরহামেশাই তাদের শুনতে হয়। আচ্ছা এসব মানুষ কেন বুঝতে চায় না যে, মনের মিল না হলে, পারিপার্শ্বিকতা না মিললে জোর করে কী জীবনসঙ্গী বাছাই করা যায়?
২. তোমার বয়স বেড়ে যাচ্ছে
বিয়ে করতে একটু দেরি হলেই এই কথা নারীদের শুনতে হয়। যেন পুরুষদের যত বয়সই হোক না কেন তারা যেকোনো সময়ই বিয়ে করতে সক্ষম। আর নারীদের বয়স বেড়ে যাচ্ছে তাই বলে না চাইলেও বিয়ে করতে হবে? এটা কেমন নিয়ম? বয়স সবারই বাড়ে। তাই বলে নিজের ইচ্ছের কোনো দাম নেই? হতে পারে সে এখনো তাকে বোঝার মতো কাউকে খুঁজে পায়নি।
৩. তুমি মনে হয় ঠিকমতো চেষ্টা করছ না
এটা কী কোনো পরীক্ষা? যে আগের দিন রাতে খুব চেষ্টা করে পরের দিন সকালে পরীক্ষা দিলাম। জীবনসঙ্গী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে ‘চেষ্টা’ করার কথাটি না বলাই ভালো। আর তাকে এত বিরক্ত করাও ঠিক না। কারণ সে অবশ্যই মনে মনে ঠিক করে রেখেছে যে, কখন বিয়ে করবে আর কখন সংসার। তাই তাকে তার মতো থাকতে দিন।
৪. একটা ভালো ছেলে হাতছাড়া করে ফেললে
পাত্র দেখার পর যদি কোনো মেয়ে বিয়ে করতে রাজি না হয়, তাহলে তার আত্মীয়স্বজনদের কাছ থেকে এই কথা শুনতেই হয়। যা খুবই বিরক্তিকর। কে ভালো, কে মন্দ- এই বিচার করার ক্ষমতা কারো নেই। তাই অযথা এমন কথা বলে তার মধ্যে অনুতাপ সৃষ্টি করার কোনো মানে নেই।
৫. একজন ভালো ঘটক খুঁজে বের করো
যখন আর কিছুতেই কিছু হচ্ছে না, তখন ঘটক ছাড়া আর উপায় নেই। তার ওপর এখন অনলাইন ম্যারেজ মিডিয়ারও বেশ রমরমা অবস্থা। সেখানে কেন দেখছ না? এত উপদেশ না দিয়ে তাকে সময় দিন। দেখবেন সে নিজেই নিজের জীবনসঙ্গী খুঁজে নিতে সক্ষম হবে।

অফিসে নারীরা কী করবেন, কী করবেন না

আজকাল অফিসে নারী-পুরুষ সমানভাবে কাজ করছেন। নারীরা পুরুষদের থেকে কোনো অংশেই কম নয়। এমনকি অফিসের বড় বড় পদেও নারীরা তাঁদের জায়গা করে নিয়েছেন। চেষ্টা আর যোগ্যতা থাকলে সাফল্য আসবেই। তবে এর সঙ্গে মেনে চলতে হবে কিছু আদবকেতা। নারীদের জন্য কর্মক্ষেত্রে এগুলো মেনে চলা খুবই জরুরি।
অফিসে নারীরা কী করবেন, কী করবেন না তার একটি তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে জীবনধারাবিষয়ক আইডিভা ওয়েসাইটে। আপনি চাইলে এই পরামর্শগুলো একবার দেখে নিতে পারেন।
সবসময় নিজের পুরো নাম বলবেন
অফিসে যখন নিজেকে পরিচয় করিয়ে দিবেন তখন অবশ্যই নিজের পুরো নাম বলবেন। পরিবার বা বন্ধুরা কী নামে ডাকে সেগুলো অফিসে না বলাই ভালো। অফিসের সহকর্মী হোক কিংবা বাইরের ক্লায়েন্ট হোক, সবার কাছেই নিজের পুরো নাম বলবেন।
দাঁড়িয়ে হাত মেলান
আপনি যদি ডেস্কে বসে থাকেন, তখন কেউ একজন আপনার সঙ্গে পরিচিত হতে এলে তখন অবশ্যই দাঁড়িয়ে তাঁর সঙ্গে হাত মেলাবেন এবং ছোট করে নিজের পরিচয় দেবেন।
ইমেইলে নিজের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি রাখুন
নিজের ইমেইলে ছোট করে হলেও পরিচয় লিখে রাখুন। নাম, পদবি, কোন সংস্থা ও কোন বিভাগে কাজ করছেন তা লিখে রাখুন। যাতে, যার কাছেই মেইল পাঠান সে আপনার পরিচয় জানতে পারে এবং সেই অনুযায়ী সাড়া দেয়।
অফিসে থাকা অবস্থায় বারবার চুলের ভিতর হাত দিবেন না
অনেকেরই চুলে বারবার আঙুল দেওয়ার অভ্যাস আছে। হয়তো কোনো প্রেজেন্টেশন দিচ্ছেন অথবা কোনো অফিসিয়াল মিটিংয়ে আছেন তখন চুলের ভিতর ভুলেও হাত দিবেন না। এতে অন্যের মনোযোগ নষ্ট হতে পারে এবং আপনাকেও অন্যমনস্ক মনে হবে। তাই অফিসে চুল পরিপাটি করে বেঁধে আসার চেষ্টা করুন। 
ইমেইলে শুধু ‘সরি’ লিখবেন না
অনেক সময় কাজ দেরিতে শেষ হতে পারে। এ ক্ষেত্রে ক্লায়েন্টকে শুধু ‘আই এম সরি’ এই কথাটি না লেখাই ভালো। এর পরিবর্তে ‘আই অ্যাপোলোজাইস ফর...’ এভাবে মেইল পাঠাতে পারেন। এটা ফরমাল উপায়ে দুঃখিত হওয়া বোঝায়।
অফিসে রাগ করে ব্যক্তিগত বিষয়ে কথা বলবেন না
অফিসে অনেক বিষয়েই আপনার রাগ হতে পারে। তবে সাবধান, সহকর্মীর ব্যক্তিগত কোনো বিষয় নিয়ে কথা বলবেন না। এটা কোনো পেশাদারি আচরণ না।
অফিসে পরিপাটি পোশাক পরুন
কোনো পার্টি পোশাক অথবা বাসায় পরার মতো পোশাক অফিসে না পরাই ভালো। সবসময় পরিপাটি পোশাক পরে অফিসে আসার চেষ্টা করুন। আর অতিরিক্ত মেকআপও এড়িয়ে চলুন।
অন্যের কথার মাঝে কথা না বলাই ভালো
অফিস কোনো কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস না, যেখানে বন্ধুদের কথার মাঝে যা ইচ্ছে তাই বলতে পারবেন। অফিসে অন্যের কথার মাঝে কথা না বলাই ভালো। আগে কথা শুনুন, এরপর উত্তর দিন।
কোনো মেইল পাঠানোর আগে বারবার পড়ুন
যখন আপনি কোনো মেইল লিখবেন তখন বারবার পড়ে দেখুন ঠিক আছে কি না। সেটা সহকর্মীকে হোক, বসকে হোক কিংবা ক্লায়েন্টকে হোক। ভুল থাকলে সেই মেইল কখনোই পাঠাবেন না। প্রয়োজন হলে অন্যের সাহায্য নিন। তবুও সঠিক মেইল পাঠানোর চেষ্টা করুন।
অফিসে অযথা ঝামেলায় জড়াবেন না
সহকর্মীর সঙ্গে খুব বেশি বন্ধুত্বও ভালো না আবার শত্রুতাও ভালো না। কোনো বিষয়ে অযথা ঝামেলায় জড়াবেন না। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানলে এতে দুজনেরই ক্ষতি হতে পারে। তাই সবসময় ঝামেলা এড়িয়ে চলার চেষ্টা করুন।

যে কথাগুলো অফিসে বলা ঠিক না!

অফিসে সব কথা সব সময় বলা ঠিক না। এমনকি কিছু কথা আছে যা অফিসে বলা একেবারেই বলা ঠিক না। এই কথাগুলো আপনার অভিধান থেকে মুছে ফেলাই ভালো। এই কথাগুলোর অর্থ ব্যক্তিগত জীবনে একরকম আর কর্মক্ষেত্রে অন্যরকম। তাই এগুলো বলা থেকে বিরত থাকুন।
কোন কথাগুলো অফিসে বলা ঠিক না, তার একটি তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে জীবনধারা বিষয়ক আইডিভা ওয়েবসাইটে। আপনি চাইলে এই পরামর্শগুলো একবার দেখে নিতে পারেন।
হয়তো, হতেও পারে- এ কথা অফিসে বলা যাবে না। যে বিষয়টাতে আপনার মধ্যে অনিশ্চয়তা কাজ করছে, সেটি অফিসে প্রকাশ না করাই ভালো। এতে আপনার যোগ্যতা নিয়েও কথা উঠতে পারে। 
সত্যি বলছি- এই কথাটা ভুলেও অফিসে বলা যাবে না। কারণ এর মানে দাঁড়ায়, আপনি প্রায়ই মিথ্যা বলেন। নিজেকে অযথা মিথ্যুক বানাবেন কেন বলুন?
খুব সুন্দর, খুব ভালো- এই কথাগুলো অফিসে একটু এড়িয়ে যান। ভালো বা সৌন্দর্য প্রকাশ করার মতো অনেক কথাই আছে যা এর পরিবর্তে বলা যায়।
অনেক সময় মেইলের উত্তরে আমরা ‘পরে জানাচ্ছি’ কথাটি বলি। এই কথাটির নেতিবাচক প্রভাব পড়ে অন্যের ওপর। তাই এমন উত্তর না দেওয়াই ভালো।
আশ্চর্য! -অফিসে এমন কিছু ঘটে না যার জন্য আপনাকে এতটা অবাক হয়ে এই কথাটি বলতে হবে। এই ধরনের কথা অফিসে না বলাই ভালো।
সত্যি? -এই কথা বলার মানে আপনি কথাটি বিশ্বাস করছেন না। আবার এমন হতে পারে যে আপনি বিষয়টি আগে চিন্তা করেননি। অথচ মুখ ফসকে বলে ফেলেছেন ‘সত্যি?’। ভুল বোঝাবুঝি এড়াতে এই শব্দটিকেই এড়িয়ে চলুন।
কখনোই না- এই কথাটি বলার সময় সাবধান। কারণ এটি খুবই নেতিবাচক একটি কথা। নেতিবাচক কথা অফিসে না বলাই ভালো।

অনুষ্ঠানের আদবকেতা জানেন তো?

কোনো অনুষ্ঠানে দাওয়াত খেতে গেলে কিছু বিষয় সব সময় মেনে চলা উচিত, সেটা যেকোনো ধরনের অনুষ্ঠানই হোক না কেন। এই আদবকেতাগুলো আপনার ব্যক্তিত্বকে প্রকাশ করবে। ব্রাইটসাইড ওয়েবসাইটে অনুষ্ঠানের আদবকেতার একটি তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। আপনি চাইলে এই পরামর্শগুলো একবার দেখে নিতে পারেন।
রেস্তোরাঁয়
১. ছেলেরা আগে রেস্তোরাঁর দরজা খুলে মেয়েকে প্রথমে ঢুকতে বলবেন। কোনো টেবিল যদি আপনার নামে রিজার্ভ করে রাখা থাকে, তাহলে সেটি সবার আগে খুঁজে বের করুন।

২. খুব উচ্চ স্বরে হাসাহাসি করবেন না। কোনো কথা বলতে হলে কানের কাছে গিয়ে বলার চেষ্টা করুন, তবে অবশ্যই সে যদি আপনার পরিচিত কেউ হয়।

৩. আপনি যদি সবাইকে দাওয়াত দেন, তাহলে অবশ্যই বিলটা আপনি দেবেন। আর তাঁদের সামনে বসে বিলের পরিমাণ গুনে দেখবেন না, এটা খুবই অভদ্রতা।

৪. আপনাকে কেউ দাওয়াত দিলে আগ বাড়িয়ে আপনি বিল দেওয়ার জন্য জোরাজুরি করবেন না। সে আপনাকে কখনোই বিল দিতে দেবে না। তাই অযথা কথা বাড়িয়ে লাভ নেই।
খাবার টেবিলে
১. খাবার খাওয়ার সময় অনেক বেশি খাবার প্লেটে নেবেন না। অল্প অল্প করে খাবার নেওয়ার চেষ্টা করুন।

২. চামচ দিয়ে খাওয়ার অভ্যাস না থাকলে একটু দেরিতে খাওয়া শুরু করুন। দেখুন, অন্যরা কোন হাতে কী চামচ নিচ্ছে। এবার ধীরে ধীরে খাওয়ার চেষ্টা করুন।

৩. খাওয়ার সময় ফোনে কথা বলবেন না। এটা খুবই অভদ্রতা। পারলে ফোন বন্ধ করে রাখুন।

৪. সবার সঙ্গে একসঙ্গে খেতে বসুন। খাওয়া শেষ হলেও হুট করে উঠে যাবেন না। টেবিলের সবার খাওয়া শেষ হলে উঠুন।

৫. দাওয়াতে খাওয়ার সময় দেরি করে আসবেন না। যখন আসতে বলবে, ঠিক তখনই আসার চেষ্টা করুন।
কথা বলার সময়
১. কোনো অনুষ্ঠানে গেলে পারিবারিক বিষয়ে আলাপ না করাই বুদ্ধিমানের কাজ।

২. অপরিচিত কারো সঙ্গে কথা বলার সময় বোঝার চেষ্টা করুন, সে আপনার সঙ্গে কথা বলতে আগ্রহী কি না।

৩. উচ্চ স্বরে কাউকে ডাকবেন না। কথা বলতে হলে তার কাছে গিয়ে কথা বলুন।

৪. অন্যের কথা মন দিয়ে শুনুন। তার কথা শেষ হওয়ার আগেই কথা বলা শুরু করবেন না।

৫. কারো কোনো কথায় মন খারাপ হলে কোনোভাবেই উত্তেজিত হবেন না।
হাত মেলানোর সময়
১. যখন কেউ আপনাকে পরিচয় করিয়ে দেবে, তখনই হাত মেলাবেন। আগ বাড়িয়ে আপনি অপরিচিত কারো সঙ্গে হাত মেলাতে যাবেন না।

২. হাত মেলানোর সময় কখনোই জোরে হাতে চাপ দেবেন না। এটা খুবই অভদ্রতা।

৩. হঠাৎ করে কোনো মেয়ের সঙ্গে হাত মেলাতে যাবেন না। সে বিরক্ত হতে পারে।
দরজায় যা করবেন
১. দরজা থেকে প্রথমে মেয়েদের আগে যেতে দিন। অপরিচিত কোনো মেয়ে থাকলেও এমনটা করবেন।

২. ভিড় থাকলে অযথা দরজার সামনে গিয়ে ঠেলাঠেলি করবেন না। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। ভিড় কমলে পরে ঢোকার চেষ্টা করুন।

৩. যেখানে এন্ট্রি লেখা, সেখান থেকে ঢুকুন। আর যেখানে এক্সিট লেখা থাকবে, সেখান থেকে বের হবেন।

যে ১০ অভ্যাস অন্যের জন্য বিরক্তিকর

কিছু মানুষ আছেন, যাঁরা এমন আচরণ করেন, যা অন্যের বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। আর এঁদের সঙ্গে হয়তো আপনাকে হরহামেশাই ওঠবস করতে হয়। চলুন, ব্রাইটসাইড ওয়েবসাইটের এই তালিকা থেকে মানুষের কিছু অভ্যাস জেনে নেওয়া যাক, যা শুধু বিরক্তির উদ্রেক করে।
১. প্লেন বা বাসের সিটে যখন কেউ খুব আয়েশ করে বসে, তখন সে অন্যের বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। কারণ, নিজে আরাম করে বসার জন্য হয়তো সে সামনের সিটে পা দিয়ে ধাক্কা দেয় কিংবা অনেকটা পেছনে হেলান দিয়ে বসে। এতে অন্য যাত্রীদের বসতে কষ্ট হয়। এমন মানুষ যাত্রাপথে থাকলে বিরক্তির উদ্রেক হয়।
২. আপনি যখন কম্পিউটারে কোনো কাজ করবেন, তখন কেউ এসে পেছনে যদি দাঁড়িয়ে থাকে, তাহলে তো বিরক্ত হবেনই। এই অভ্যাস অনেকেরই রয়েছে, যাঁরা পেছনে দাঁড়িয়ে অন্যের কাজ দেখতে পছন্দ করেন।
৩. সিনেমায় কী হচ্ছে না হচ্ছে, সেগুলো যদি জোরে জোরে কেউ সিনেমা হলে বলতে থাকে, তাহলে বিরক্ত না হয়ে উপায় আছে বলুন? এমন জ্ঞানী মানুষের সঙ্গে সিনেমা হলে দেখা হলে সেই সময়টা আপনাকে প্রচুর ধৈর্য ধরতে হবে।
৪. অনেক সময় কোনো কিছুর জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে থাকলে কেউ কেউ আছেন অন্যের শরীরের সঙ্গে ঘেঁষে দাঁড়াতে পছন্দ করেন। আপনি যতই বিরক্ত হোন না কেন, তিনি এভাবেই দাঁড়িয়ে থাকবেন।
৫. আপনি কথা বলতে থাকলে যখন কিছুক্ষণ পরপর কেউ ‘কী?’ বলে তাঁর প্রতিক্রিয়া দেখাবেন, তখন তো বিরক্ত লাগবেই। একবার-দুবার হলে ঠিক আছে। প্রতিবারই এমনটা করতে থাকলে আপনি নিশ্চয়ই তাঁর সঙ্গে কথা বলার আগ্রহ হারিয়ে ফেলবেন।
৬. যখন কেউ ঘরে ঢুকে খুব জোরে দরজা আটকায়, তখন অন্যরা খুবই বিরক্ত হয়। এই অভ্যাস যাঁদের আছে, তাঁরা শুধু বাসা নয়, যেকোনো জায়গায় গেলেই একই আচরণ করে।
৭. হঠাৎ করে আপনার গায়ে কফি পরে গেল কিংবা সিঁড়ি থেকে নামতে গিয়ে আপনি পড়ে গেলেন। তখন আপনাকে সাহায্য করা তো দূরের কথা, উল্টো কেউ একজন হাসতে শুরু করল। এ ধরনের মানুষদের কার পছন্দ হবে বলুন?
৮. যখন অজানা কোনো মানুষ আপনার দিকে একটানা তাকিয়ে থাকবে, তখন ভালো লাগার থেকে অস্বস্তিই বেশি লাগবে। আর এটা বিরক্তকরও বটে।
৯. যখন কেউ সঙ্গীকে সময় দেওয়ার বদলে নিজের স্মার্টফোনকে বেশি সময় দেয়, তখন বিরক্তির পাশাপাশি আফসোসও কাজ করে।
১০. আপনি কোনো সমস্যায় পড়লে যখন কেউ বলে, ‘আমি আগেই বলেছিলাম, এটা করার দরকার নেই’, তখন আপনার বিরক্তির পরিমাণ কয়েকগুণ বেড়ে যাবে, তাই না?

১০টি আধুনিক আদবকেতা, জানেন তো?

ছোট ছোট কিছু আদবেকেতা আছে যা সব ক্ষেত্রেই মেনে চলা উচিত। আধুনিক এই আদবকেতাগুলো আপনার জীবনকে আরও সহজ করতে সাহায্য করবে। জানতে চান, সেগুলো কী কী? তাহলে ব্রাইটসাইড ওয়েবসাইটের এই তালিকাটি এক নজরে দেখে নিতে পারেন।
১. কখনোই ফোন না করে কারো বাসায় দেখা করতে যাবেন না। সারপ্রাইজ দিতে চাইলেও আগে ফোন করে জানুন তিনি কোন পরিস্থিতিতে আছেন। আপনার যাওয়ার বিষয়টি গোপন রেখেই তার খোঁজখবর আগে নিন।
২. কোনো মিটিং বা অনুষ্ঠানে গেলে কখনোই হাতের ব্যাগ কোলের ওপর বা টেবিলের ওপর রাখবেন না। ব্যাগ পায়ের কাছে রাখাটাই ভদ্রতা।
৩. শিশুদের রুমে ঢোকার আগে দারজায় টোকা দিন। এটা ভাববেন না যে আপনি ছোট হবেন। আপনার এই অভ্যাসের কারণে আপনার সন্তানও শিখবে যে, বাবা মায়ের রুমে ঢোকার আগে দরজায় টোকা দিতে হবে।
৪. গাড়ির সবচেয়ে সম্মানজনক আসন হলো চালকের পেছনে। আর এটা মেয়েদের জন্যই বেশি ভালো। এতে গাড়ির চালক দ্রুত গাড়ির দরজা খুলে দিতে পারেন।
৫. এই পোশাকটি কোথা থেকে কিনেছেন? দাম কত? এমন প্রশ্ন করার পর কেউ যদি হেসে উত্তর দেয়, উপহার পেয়েছি। তাহলে এখানেই প্রশ্ন করা বন্ধ করে দিন। তার বলার আগ্রহ থাকলে সে নিজেই অন্য তথ্য দেবে।
৬. নয়টি জিনিস সবার কাছ থেকে গোপন রাখাটাই ভালো। আর তা হলো- বয়স, টাকা-পয়সা, পারিবারিক কলহ, ধর্ম, শারীরিক সমস্যা, প্রেম, উপহার, সুনাম ও অপমান।
৭. সিনেমা হল, থিয়েটার কিংবা কনসার্টে নিজের সিটের কাছে যাওয়ার সময় যারা বসে আছে তাদের দিকে সম্মুখ দিক দিয়ে যান। কখনোই উল্টোভাবে হেঁটে যাবেন না।
৮. লিফটে উঠার সময় মনে রাখুন আপনি যদি আগে নামতে চান তাহলে সবার শেষ উঠে সামনের দিকে দাঁড়ান। পিছন থেকে সবার আগে নামাটা অন্যের জন্য বিরক্তিকর।
৯. কেউ যদি আগে থেকেই রেস্তোরাঁয় যাওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানায় তাহলে স্বাভাববিকভাবেই সে বিল দেবে। তবে কেউ যদি বলে, চলেন কোনো রেস্তোরাঁ থেকে খেয়ে আসি তাহলে ভেবে নেবেন আপনাকেও বিল দিতে হতে পারে। সে দাওয়াত দিচ্ছে, এটা না ভাবাই বুদ্ধিমানের কাজ।
১০. অফিস বা অন্য কারো বাসায় যাওয়ার পর ভেজা ছাতা খুলে শুকানোর চেষ্টা করবেন না। ভেজা থাকলেও ছাতা বন্ধ করে রাখুন।

বিশ্বজুড়ে বিয়ের যত অদ্ভুত রীতি

https://www.youtube.com/watch?v=mrO-e4CXK0Mhttps://www.youtube.com/watch?v=4o-aRApkkiY‘যস্মিন দেশে যদাচার’ বলে একটা কথা রয়েছে। এসব কথা তো আর এমনি এমনি তৈরি হয়নি। একদেশে যেটা রীতিমত আবশ্যকীয় কাজ, সেটাই দেখবেন আরেক দেশে রীতিমত অপরাধ! এই যেমন বিয়ের কথাই ধরুন।

পৃথিবীর প্রতিটি দেশেই বিয়ের ক্ষেত্রে বিশেষ কিছু নিয়ম-কানুন অনুসরণ করা হয়। এক্ষেত্রে এক দেশের কায়দার সাথে অন্যদেশের কায়দা একদমই মেলে না। একইসাথে, কিছু কিছু দেশ আছে যাদের বিয়ের রীতিনীতি একেবারেই অদ্ভুত। এসব নিয়ম শুনলে হয়তো আপনার হাসি পাবে, আবার রীতিমত আক্কেল গুড়ুমও হয়ে যেতে পারে। ব্লুগ্যাপ ওয়েবসাইটে মিললো এমনই কিছু বিয়ের রীতি-কথা
পোল্যান্ড https://www.youtube.com/watch?v=mrO-e4CXK0Mপোল্যান্ডে বিয়ের পার্টিতে বউয়ের সঙ্গে নাচার জন্য অতিথিদের মোটা অঙ্কের টাকা দিতে হয়। সেই টাকা জমিয়ে নবদম্পতির হানিমুনের জন্য খরচ করা হয়।
স্কটল্যান্ড https://www.youtube.com/watch?v=88WZjNUkCQEস্কটল্যান্ডে বর ও বউ বিয়ের আগে ঘরের বাইরে বসে থাকে আর তাদের ওপর ছাই, পালক, ময়দা ও গুড় মেশানো অ্যালকোহল ঢেলে দেওয়া হয়। আর এই কাজটি তাঁদের পরিবার ও বন্ধুরা স্বাচ্ছন্দ্যের সঙ্গেই করে থাকেন।
অস্ট্রেলিয়া
https://www.youtube.com/watch?v=88WZjNUkCQEঅস্ট্রেলিয়ায় বিয়ের সময় অতিথিরা বর ও বউকে রংবেরঙের পাথর ও মার্বেল উপহার দিয়ে থাকেন। এমনকি বিয়ের সময় তাঁরা অতিথিদের একটি বড় কাচের বাটিতে পাথরগুলো রাখতে বলেন, যা পরবর্তীতে নতুন দম্পত্তিরা তাঁদের ঘরের একটি বিশেষ জায়গায় রেখে দেন। যাতে তাঁরা সব সময় অনুভব করেন তাঁদের পরিবার ও বন্ধুদের সাহায্য এবং দোয়ার কথা। 
জার্মানি
জার্মানিতে বিয়ের আগের দিন রাতে বর-বউয়ের পরিবার ও বন্ধুরা তাদের ঘরের বাইরে কাঁচের জিনিস ছুড়ে ফেলেন। নতুন দম্পত্তিরা সেই ভাঙা কাঁচের টুকরাগুলো ঝাড়ু দিয়ে নতুন ঘরে প্রবেশ করেন। বিয়েতে জার্মানির আরো একটি মজার রীতি হলো, বিয়ের পর নতুন দম্পতি সবার সামনে একটি কাঠের টুকরোকে একসঙ্গে কেটে দেখাবেন। এটি দিয়ে তাঁরা প্রমাণ করেন দুজন সমানভাবে কাজ ভাগাভাগি করে নেবেন এবং তাঁদের মধ্যে বোঝাপাড়া অনেক ভালো।

https://www.youtube.com/watch?v=88WZjNUkCQEনতুন দম্পতির ঘরে বর এবং বউয়ের বাবা-মা তাঁদের বাসা থেকে আগুন নিয়ে আসেন। সেই আগুন দিয়ে তাঁরা তাঁদের নতুন ঘরের ফায়ার প্লেসের আগুন ধরান। ছোটবেলা থেকে তারা যে আগুনের আঁচে অভ্যস্ত, সে রকম আগুন দিয়েই তারা তাদের নতুন জীবন শুরু করে।


 গুয়েতেমালা
গুয়েতেমালায় বরের মা নতুন দম্পতিকে স্বাগত জানাতে বিয়ের পার্টিতে একটি সাদা রঙের ঘণ্টা ভাঙেন, যা নতুন দম্পতির সুখময় জীবনের উদ্দেশ্যে করা হয়ে থাকে।
কোরিয়া
কোরিয়ায় বিয়ের সময় বর তাঁর শ্বাশুড়িকে একজোড়া পুতুল হাঁস উপহার দিয়ে থাকেন। এই উপহারটি দিয়ে বর বউয়ের প্রতি তাঁর উদ্দেশ্য এবং আনুগত্য প্রকাশ করেন।
জাপান
জাপানে বিয়ের সময় বর ও বউ তিনটি কাপের পানীয় থেকে তিনবার চুমুক দেন। এরপর তাঁদের বাবা-মা একইভাবে সেই কাপগুলোতে চুমুক দেন। জাপানিদের বিশ্বাস এতে পরিবারের মধ্যে বন্ধন পাকাপোক্ত হয়।
ফিলিপাইন
দীর্ঘ, শান্তিময় ও ছন্দময় জীবনের উদ্দেশ্যে ফিলিপাইনে বিয়ের দিন বর ও বউ একই সঙ্গে দুটি কবুতর আকাশে ছেড়ে দেন। তাঁরা মনে করেন, কবুতরের সঙ্গে সঙ্গে তাঁদের জীবনের দুঃখ-কষ্টও দূর হয়ে যাবে।


Saturday, 1 April 2017

আলোচিত ১০ আবেদনময়ী ফ্যাশন মডেল....

https://www.youtube.com/watch?v=4o-aRApkkiYবিশ্বের ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রিতে তো মডেলের কমতি নেই। কিন্তু এতসব মডেলের ভিড়ে যাঁরা আকর্ষণীয় অবয়বের পাশাপাশি সৌন্দর্যের মাপকাঠিতেও তুঙ্গে, সেরার তালিকায় তাঁদের নামই উঠে আসে বারবার। ওয়ান্ডার্সলিস্ট ওয়েবসাইটের যাচাইয়ে এমনই ১০ সেরা ফ্যাশন মডেলকে নিয়ে এই আয়োজন।
বার রেফিলি 
সেরা ফ্যাশন মডেলের তালিকায় সবার ওপরে রয়েছে ইসরায়েলের মডেল বার রেফিলি। এই অনিয়মিত অভিনেত্রী ২০১২ সালে ‘ম্যাক্সিম হট ১০০’ জন মডেলের তালিকায় প্রথম হয়েছিলেন। তিনি শুধু দুর্দান্ত মডেলই নন, পেশাদারভাবে তিনি একজন ফ্যাশন ডিজাইনারও বটে!
ইরিনা শায়েক
২০০৭ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত স্পোর্টস ইলাস্ট্রেটেড সুইমিংস্যুট ম্যাগাজিনের মডেল হিসেবে বেশ পরিচিতি পেয়েছেন রাশিয়ান মডেল ইরিনা শায়েক। এই আবেদনময়ী মডেল ‘ইনটিমিসিমি’ নামে নারীদের একটি পোশাকের নামডাকওয়ালা ব্র্যান্ডের মডেল হিসেবে লম্বা সময় পার করেছেন।
বিয়াঙ্কা বল্টি 
এল'অফিশিয়ালের কভার ছবি দিয়ে ইতালিয়ান মডেল বিয়াঙ্কা বেশ জনপ্রিয় হন। ভোগ, হারপার্স বাজার, ডব্লিউ, কসমোপলিটান, ম্যারি ক্লেয়ারে কাজ করেছেন তিনি। প্লেবয় ম্যাগাজিনেও কাজ করেছেন এই নীলনয়না এই মডেল।  
আদ্রিয়ানা লিমা 
ব্রাজিলের মডেল ও অভিনেত্রী আদ্রিয়ানা লিমা ২০০০ সালের ভিক্টোরিয়া'স সিক্রেট অ্যাঞ্জেল হয়ে সবার নজর কাড়েন। ২০০৩ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত ‘মেবেলাইন’ প্রসাধনীর মডেল ছিলেন এই সুন্দরী মডেল।
নিনা আগদাল 
ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রিতে নতুন হলেও ড্যানিশ মডেল নিনা আগদাল অনেক দ্রুতই জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন। আকর্ষণীয় দেহাবয়বের পাশাপাশি সুন্দর মুখশ্রীর কারণে দ্রুতই তিনি নামীদামি কিছু পোশাকের ব্র্যান্ডের প্রচারে যুক্ত হন।
ক্যানডিস সোয়ানপোল 
দক্ষিণ আফ্রিকার মডেল ক্যানডিস সোয়ানপোল ২০১৩ সালে স্পোর্টস সুইম ক্যাটালগে জায়গা করে নেন। আর হ্যাঁ, ভিক্টোরিয়া’স সিক্রেট নাকি ক্যানডিসকে ছাড়া কল্পনাই করা যায় না! ২০১২ সালে ফোর্বসের সেরা আয় করা মডেলদের তালিকায় দশম স্থানে তাঁর নাম রয়েছে।
লারা স্টোন 
লারা স্টোন একজন ডাচ মডেল। ২০১২ সালে ফোর্বসের সেরা আয়কারী মডেলে তালিকায় অষ্টম স্থানে তাঁর নাম রয়েছে। ওজন, শরীর ও দাঁতের কারণে এই ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রিতে তাঁকে বেশ বেগ পেতে হয়েছিল। কিন্তু এই সমস্যা থেকে বের হয়ে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছিলেন। বর্তমানে তিনি অন্তর্বাসের মডেল হিসেবে সেরা তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন।
কেট আপটন 
এতে কোনো সন্দেহ নেই যে নারীদের অন্তর্বাসের মডেল হিসেবে কেট আপটন সব সময়ই সেরা। ২০১১ সালে স্পোর্টস ইলাস্ট্রেটেড সুইমিংস্যুটের মডেল হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের এই মডেল ও অভিনেত্রী সবার নজরে আসেন।
রোজি হান্টিংটন-হুইটলি
ভিক্টোরিয়া'স সিক্রেট মডেল রোজি হান্টিংটন-হুইটলি এ তালিকায় নবম স্থানে রয়েছেন। এই ব্রিটিশ মডেল ও অভিনেত্রী ভিক্টোরিয়া'স সিক্রেট ও বার্বারির অন্তর্বাসের মডেল হিসেবে কাজ করে পরিচিত হন। এ ছাড়া ২০১১ সালে 'ট্রান্সফরমারস : ডার্ক অব দ্য মুন'-এ অভিনয় করেও সবার নজরে আসেন এই ফ্যাশন মডেল।
নাতালিয়া ভাদিয়ানোভা 
রাশিয়ান মডেল ও অভিনেত্রী নাতালিয়া ২০১২ সালে ফোর্বসের সেরা আয়কারী মডেলের তালিকায় তৃতীয় অবস্থানে রয়েছেন। সুন্দর শরীরের অধিকারী হওয়ায় ফ্রান্সের বেশিরভাগ নারীর অন্তর্বাসের ব্র্যান্ডের ডিজাইনারদের নজরে সব সময়ই থাকবেন নাতালিয়া।