সুস্থ থাকুন তীব্র গরমেও তার জন্য কিছু পরামর্শ। সময়ের সঙ্গে পাল্লা
দিয়ে বেড়ে চলেছে প্রকৃতির উত্তাপ। দিনের শুরুতেই সদ্য ওঠা সূর্যটা যেন
তীব্র তেজে ফেটে পড়ে পৃথিবীর বুকে। রোজ সন্ধ্যায় সূর্যের বিদায় হলেও রেখে
যায় গরমের ঝাপটা। তাই সারা রাতেও নিস্তার মেলে না। এমন সময় বিদ্যুতের
অবস্থা এতোটাই শোচনীয় যে, গরম কমাতে তার ওপরও ভরসা করা চলে না। নিজের কাজ
করতে সারাদিন ঘরেও বসে থাকা চলে না, বাইরে বের হতেই হয়।
তাই তীব্র গরমে আমাদেরকে সুস্থ থাকতে কিছু ব্যবস্থা অবশ্যই নিতে হয়।
☞ বাইরে বের হওয়ার সময় সঙ্গে অবশ্যই একটা ছাতা রাখতে হবে। শুধু
রাখলেই হবে না, রাস্তায় বের হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ছাতা মেলে মাথায় ধরতে হবে।
☞ গরমের দিনে পোশাক নির্বাচনের ক্ষেত্রে অবশ্যই ঢিলেঢালা, হালকা
রঙের এবং পাতলা বেছে নিতে হবে। ঢিলেঢালা পোশাক শরীরের অস্বস্তি কমায়। হালকা
রং কম গরম ধরে রাখে এবং পাতলা কাপড়ে শরীরের ভেতর বাতাস ঢুকতে সাহায্য করে।
☞ রোদে বের হলে অবশ্যই সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে হবে। আমাদের আবহাওয়ায় সান প্রটেকশন ফ্যাক্টর বা এসপিএফ ৩০ এর উপর হলে বেশি ভালো হয়।
☞ এই সময় বিশেষ করে মেয়েরা প্রসাধনী কম ব্যবহার করবেন। কারণ বেশি প্রসাধনী মুখের ওপর ভারি আবরণ তৈরি করে। আর তখনই গরমও বেশি লাগে।
☞ বাচ্চাদের শরীরেও খুব বেশি পাউডার না দেয়াই ভালো। তবে শরীর
বারবার মুছে দিন। ঠাণ্ডার সমস্যা না থাকলে দিনে দুই বার অন্তত স্নান করাতে
পারেন।
☞ গরমের দিনে হালকা পাতলা খাবার খেতে হবে। সাধারণ সবজি, ডাল, মাছ
খেলে ভালো হয়। বেশি মসলাদার খাবার না খাওয়াই ভালো। কারণ মসলাদার খাবার
আপনার শরীরকে বেশি গরম করে রাখে।
☞ প্রচুর পরিমানে জল খেতে হবে। তরমুজ খেতে পারেন। ফলের জুস খেতে পারেন, তবে তা অবশ্যই বাড়িতে তৈরি হতে হবে। ডাবের জল এসময় খুবই উপকারী।
☞ এ সময় চা, কফি বা কোল্ড ড্রিংকস একেবারেই বাদ দেয়া উচিৎ। কারণ
এগুলো পান করলে রক্তে হঠাৎ করে চিনির পরিমান বাড়িয়ে দেয়, ফলে গরম লাগাসহ
অসুস্থও করে দিতে পারে। সুস্থ থাকতে এসময় বাইরের ফাস্ট ফুডকেও একেবারে না
বলে দিন।
☞ সম্ভব হলে বারবার স্নান করুন। না হলে ভেজা গামছা দিয়ে শরীর
মুছতে পারেন। গরমের সময় বার বার হাতমুখে জলের ঝাপটা দিন। জলের ঝাপটায় ভালো
লাগবে, সুস্থও থাকবেন।
সূত্র: বাংলা কেয়ার
Ads
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
-
Introduction :- The term digital marketing was first used in the 1990s,but digital marketing has roots in the mid-1980s, when the SoftAd ...
-
https://www.kalerkantho.com/online/lifestyle/2020/11/14/975592স্ট্রোক এমন একটি রোগ, যা মস্তিষ্কের অভ্যন্তরে এবং এর ভেতরের ধমনিগুলোকে প্রভাবি...
-
Inductive Sensor There are four types of sensors: inductive, capacitive, ultrasonic, and photoelectric. nductive sensors :...
-
I know, as a blogger, you care your blog design, template or theme you use on your blog. It's reflecting your personality in a way, don...
No comments:
Post a Comment